ঢাকা১২ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  1. ! Без рубрики
  2. Echt Geld Casino
  3. test2
  4. অর্থনীতি
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আরো
  7. এক্সক্লুসিভ
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. তথ্য প্রযুক্তি
  11. দেশজুড়ে
  12. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  13. বাণিজ্য
  14. বিনোদন
  15. মতামত

ইটভাটায় জীবন কাটে হাওরের যে নারীদের

admin
মার্চ ৯, ২০২৪ ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ডেস্ক:কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার বেশির ভাগ গ্রাম এবং নিকলী উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামের প্রায় ৯০ ভাগ বাড়ি এখন তালাবদ্ধ। ঘরে তালা লাগিয়ে বাড়ির সব নারী-পুরুষ গেছেন ইটভাটায় কাজ করতে। জেলার বিভিন্ন ইটভাটাসহ নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ইটভাটায় বছরের সাত মাস শ্রমিকের কাজ করেন তাঁরা। এই পুরো সময়টা ইটভাটাতেই থাকেন তাঁরা।
হাওর অধ্যুষিত এসব এলাকায় কাজের সুযোগ অনেক কম। সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয় পরিবারের পুরুষকে। তাই সংসারের অভাব ঘোচাতে এলাকার নারীরা ইটভাটায় কাজ করেন। কাজ করে সন্তানদের ভরণপোষণের পাশাপাশি সংসার চালাতে স্বামীকে সহায়তা করতে পারায় তৃপ্তিও পান তাঁরা। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে হাওরের নারীদের ইটভাটায় জীবন কাটানোর এ ধারা।
তবে সমস্যাও আছে। হাওরের পরিবারগুলো বর্ষার পাঁচ মাস ঘরে বসে কাটাতে হয়। তখন বেশির ভাগ পরিবার সংসার চালাতে ইটভাটার মালিকদের কাছ থেকে আগাম টাকা নেন। একে দাদন বলে। সাত মাসের জন্য দাদন হিসেবে একেকজন ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত ইটভাটার মালিকদের কাছ থেকে অগ্রিম নিয়ে থাকেন। তখন সাত মাস ইটভাটায় কাজ করলেও দৈনিক মজুরি আর পান না তাঁরা। দাদন হিসেবে যে টাকা নেন একেকজন, তা না নিলে দৈনিক মজুরিতে তার দ্বিগুণ টাকা পেতেন তাঁরা। এভাবে ইটভাটার মালিকদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েন একেকজন শ্রমিক। মন না চাইলেও বাধ্য হয়ে একটানা সাত মাস শ্রমিকের কাজ করে যেতে হয়। অনেকটা সাত মাসের জন্য ‘ক্রীতদাস’ হয়ে পড়েন তাঁরা।
ইটভাটায় নারীরা বেশির ভাগ কাঁচা ইট টানার কাজটি করে থাকেন। এক হাজার ইট টানলে ১৫০ টাকার মতো পান। এভাবে স্বামী-স্ত্রী মিলে সারা দিনে ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার ইট টেনে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা উপার্জন করতে পারেন। কিন্তু সাত মাসের জন্য দাদন হিসেবে একেকজন ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত ইটভাটার মালিকদের কাছ থেকে অগ্রিম নিয়ে থাকেন। তখন সাত মাস ইটভাটায় কাজ করলেও দৈনিক মজুরি আর পান না তাঁরা। দাদন হিসেবে যে টাকা নেন একেকজন, তা না নিলে দৈনিক মজুরিতে তার দ্বিগুণ টাকা পেতেন তাঁরা।
ইটনা উপজেলার ওকেএম ইটভাটার মালিক মো. ওয়াদুল্লাহ জানান, ইটভাটায় বেশির ভাগ নারীই শুধু কাঁচা ইট গাড়িতে করে টেনে নিয়ে চুলায় রাখেন। ইটভাটার অন্য কাজগুলোর তুলনায় এ কাজে পরিশ্রম কিছুটা কম। একজন নারী চাইলে দিনে অন্তত দুই থেকে তিন হাজার ইট টানতে পারেন। এতে তাঁর ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় হয়। তবে অনেকেই কাজ করার আগেই অর্ধেকের বেশি টাকা দাদন হিসেবে নিয়ে যান। কাজ করার সময় তাঁদের টাকা সমন্বয় করা হয়।
স্থানীয় গুনধর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. আবু ছায়েম বলেন, তাঁর এলাকার বেশ কয়েকটি গ্রামের কয়েক হাজার নারী ইটভাটার কাজের সঙ্গে জড়িত। পরিবারে সচ্ছলতা আনতে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও বাড়িঘরে তালা লাগিয়ে বছরের বেশির ভাগ সময় ইটভাটায় কাটান। পরিবার ও সমাজে গ্রামীণ নারীরা যাতে মর্যাদা পান, সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।