ঢাকা২০ জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  1. ! Без рубрики
  2. Echt Geld Casino
  3. test2
  4. অপরাধ
  5. অর্থনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আরো
  8. এক্সক্লুসিভ
  9. খেলাধুলা
  10. জাতীয়
  11. তথ্য প্রযুক্তি
  12. দেশজুড়ে
  13. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  14. বাণিজ্য
  15. বিনোদন

কারা খ্রিষ্টান রাষ্ট্র বানাতে চায়, জানতে চাই: প্রধানমন্ত্রীকে মির্জা ফখরুল

admin
জুন ৫, ২০২৪ ১:৪৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

দৈ. কি.ডেস্ক :  বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, একটি মারাত্মক কথা কয়েকদিন আগে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন। কথাটা কি, কোন একটি শক্তি চট্টগ্রাম ও মিয়ানমারের একটি অংশকে নিয়ে নতুন একটি রাষ্ট্র নির্মাণ করতে চায়। নতুন একটি ভূখন্ড তৈরি করতে চায়। খ্রিষ্টান ভূখন্ড বানাতে চায়, খ্রিষ্টান ভূখন্ড। ভয়াবহ কথা। আমার দেশের অংশ নিয়ে অন্য একটি রাষ্ট্র নতুন কিছু করতে চায়। আর আমি শুধু কথায় বলে যাবো। কোন ব্যবস্থায় নিবো না? এটা প্রধানমন্ত্রীকে পরিষ্কার করতে হবে। এরা কারা চায়,  কেন চায়, কিভাবে চায়।’

তিনি গতকাল বিকেলে নগরীর ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইইবি) চট্টগ্রাম মিলনায়তনে ‘চট্টগ্রাম ফোরাম’ আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। নাগরিক সমাজের সংগঠন ‘চট্টগ্রাম ফোরাম’র উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৩ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ‘জাতিসত্তার রূপকার: রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এতে ধারনাপত্র উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব ও পেশাজীবী নেতা কাদের গণি  চৌধুরী।

মির্জা ফখরুল বলেন, সামনে ভয়াবহ দিন আসছে জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘সবাই বিপদে আছে। কোন কথা বললেই বা লিখলেই ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। বিনা কারণেই পুলিশ ধরে নিয়ে সাজা দিয়ে দিচ্ছে। ভয়ভীতি ও ত্রাসের রাজত্ব চলছে। আরও ভয়াবহ দিন আসছে।’

তিনি বলেন, ‘সামনে আরও একটি আইন আসছে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্সের উপর একটি আইন হতে যাচ্ছে। এ আইনটি আরও ভয়াবহ। অর্থাৎ আপনি কিছু বললেই আপনার ঘরে পর্যন্ত তারা আঁড়ি পাততে পারবে। আপনার কথা তারা সবাই নিতে পারবে। এটা মানুষকে নিয়ন্ত্রণ রাখার চেষ্টা চলছে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘পুলিশ বাহিনীর সাবেক প্রধান বেনজিরের  বিরুদ্ধে প্রতিদিন পত্রিকার পাতায় পাতায় দুর্নীতির খবর বের হচ্ছে। সারা বাংলাদেশে এমন একটা জায়গা নেই যেখানে সে জায়গা কিনেনি বা দখল করেনি। এমন কি হিন্দু সম্প্রদায়ের জায়গা পর্যন্ত জোর করে দখল করে নিয়েছে। আর সরকার এই ডাকাত   বেনজিরকে বাঁচানোর জন্যে গোপনে বিদেশে পাচার করে দিয়েছে।’

তিনি বলেন, মাল্টিপার্টি ডেমোক্রেসি আওয়ামী লীগ চায়নি। তারা সব সময় চেয়েছে তারা নিজেরাই একাই সবসময়ই দেশ শাসন করবে, আর কেউ করবে না। তারা লুটপাট করবে সবকিছু তারাই নিয়ে যাবে এবং করেছেও তাই। ওই পাঁচ বছর ছিল আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের বছর। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের স্বপ্নকে  সেদিন ধ্বংস করে দিয়েছিল। এবং প্রথম সংবিধান তারা কাটাছেঁড়া করে নষ্ট করেছিল। প্রথমে তারা বিশেষ ক্ষমতা আইন করেছে, এরপর তারা জরুরি অবস্থা আইন করেছে। সবশেষে যখন সামাল দিতে পারছিল না, তখন তারা সবগুলো রাজনীতি দলকে নিষিদ্ধ করে দিয়ে একদলীয় শাসন অর্থাৎ বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিল।

তিনি বলেন, এই শেখ মুজিবুর রহমান তিনি গণতন্ত্রের অভিসংবাদিত নেতা ছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে মাত্র ১১ দিনের পার্লামেন্টের একটি সভায় সেদিন গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করে একদলীয় শাসনব্যবস্থা বাকশাল তৈরি করা হয়েছিল। এই বাকশাল ছিল বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্খার বিরুদ্ধে। এই বাকশাল  তৈরি করে তারা সমস্ত জাতিকে শৃঙ্খলিত করে ফেললেন। কারো  কোনো ভিন্ন মত থাকতে পারবে না। এক নেতার এক দেশ। আজকে সেই আওয়ামী লীগ আবারও নতুন করে সেই বাকশাল প্রতিষ্ঠা করার জন্যে গত ১৫ বছর ধরে কাজ করছেন।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, আজকে যে শাসন আমাদের উপর চাপিয়ে দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এরা সময় গণতন্ত্র বিরোধী, এরা সব সময় একনায়কত্বে বিশ্বাস করে। এবং তারা ওই বাকশালই বিশ্বাস করে। তারা বাকশাল তৈরি করতে চায়, নতুন ষড়যন্ত্র করে গণতন্ত্রে একটা ফাসাদ দিতে চায়। সেভাবে তারা ওই শাসনকে আবার নিয়ে আসতে চায়। এজন্য ১৫ বছর ধরে সবসময়  বেআইনিভাবে, বিনা ভোটে জনগণের সমর্থন ছাড়াই রাষ্ট্রযন্ত্রের মাধ্যমে তারা ক্ষমতা দখল করে আছে। এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় যে শর্তগুলো ছিল, সবগুলো খানখান করে দিয়ে কিছু দল ব্যক্তিকে সমস্ত সুযোগ সুবিধা দিয়ে লুটপাটের সুযোগ করে দিয়েছে। এ দেশে তারা লুটের আর চুরির রাজত্ব তৈরি করেছে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে ও ড্যাবের কেন্দ্রিয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. এস এম সারোয়ার আলমের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খন্দকার, এস এম ফজলুল হক, বিএনপির কেন্দ্রিয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম ফোরামের আহবায়ক একরামুল করিম।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।