ঢাকা২০ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  1. ! Без рубрики
  2. Echt Geld Casino
  3. test2
  4. অর্থনীতি
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আরো
  7. এক্সক্লুসিভ
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. তথ্য প্রযুক্তি
  11. দেশজুড়ে
  12. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  13. বাণিজ্য
  14. বিনোদন
  15. মতামত

বই কিনতে বাধ্য করার অভিযোগ শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

admin
মার্চ ৪, ২০২৪ ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

চাকরির সুবাদে প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতাসংক্রান্ত একটি বই লিখেছেন কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা সন্ধ্যা রানী সাহা। বইটি উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষকদের কিনতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, পাকুন্দিয়া উপজেলায় মোট ১৯৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক রয়েছেন ১ হাজার ২১৭ জন। আর ৮৪টি কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষক আছেন পাঁচ শতাধিক। সবাইকে বইটি কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অনেক শিক্ষক। তবে তাঁরা নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।

সন্ধ্যা রানীর লেখা বইটির নাম ‘প্রাথমিক শিক্ষার আঙিনায়’। ২৪০ পৃষ্ঠার এই বইয়ের দাম ৫০০ টাকা। শিক্ষকদের দাবি, বইটির দাম সর্বোচ্চ ২০০ টাকা হতে পারে। শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশনা পেয়ে ৫০০ টাকা দিয়েই কিনতে হচ্ছে তাঁদের।

তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন সন্ধ্যা রানী সাহা। তিনি বলেন, ‘আমি কোনো শিক্ষককে বইটি কিনতে বাধ্য করিনি। বাজারে ও বইমেলায় আমার লিখা বই পাওয়া যাচ্ছে, হয়তো শিক্ষকেরা সেখান থেকেই বই পেয়েছেন। শিক্ষকেরা নিজেদের ইচ্ছায় নিতে চাইলে নিতে পারেন।’

ইতোমধ্যে উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের লোকজনকে দিয়ে বইটি উপজেলার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।নাম প্রকাশ না করার শর্তে পাকুন্দিয়া উপজেলার এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক  বলেন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সন্ধ্যা রানী সাহার একজন লোকের মাধ্যমে তাঁর স্কুলে শিক্ষকদের জন্য বই পাঠিয়েছেন।কয়েকজন শিক্ষক জানিয়েছেন, প্রায় ১০ দিন ধরে বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষকদের কাছে সন্ধ্যা রানী সাহার লেখা বইটি পাঠানো হচ্ছে। বই বিক্রির টাকা আদায়ের কোনো রসিদ দেওয়া হচ্ছে না। প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমেও টাকা আদায় করা হচ্ছে।

শিক্ষকদের অভিযোগ, জোরপূর্বক নিজের লেখা বই কিনতে বাধ্য করাই নয়, পাকুন্দিয়ায় যোগদানের পর থেকেই ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করে সন্ধ্যা রানী অসংখ্য শিক্ষককে কারণে-অকারণে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। কারণ দর্শানো নোটিশ (শোকজ) দিয়েছেন। অনেকের বেতন-ভাতাও বন্ধ করে দিয়েছেন। ভয়ে শিক্ষকরা মুখ খুলতে পারছেন না।

সন্ধ্যা রানীর বিরুদ্ধে অনেক শিক্ষকের কাছ থেকে মৌখিক অভিযোগ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকতা মজিব আলম।  তিনি বলেন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কোনো শিক্ষকদের বই কিনতে বাধ্য করতে পারেন না। এ অধিকার তাঁর নেই। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যান্য অভিযোগের বিষয়েও যাচাই–বাছাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।