ঢাকা১২ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  1. ! Без рубрики
  2. Echt Geld Casino
  3. test2
  4. অর্থনীতি
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আরো
  7. এক্সক্লুসিভ
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. তথ্য প্রযুক্তি
  11. দেশজুড়ে
  12. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  13. বাণিজ্য
  14. বিনোদন
  15. মতামত

বাগেরহাটে জামানত হারালেন ২১ প্রার্থী

admin
জানুয়ারি ৯, ২০২৪ ২:৫৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনে ২৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন। এর মধ্যে ২১ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। এদের মধ্যে ২ জন স্বতন্ত্র ও বিভিন্ন দলের ১৯ প্রার্থী রয়েছেন। কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট কাস্টিং ভোটের ৮ শতাংশের থেকে একটি ভোট বেশি পেতে হবে। এর নিচে পেলে তিনি জামানত হারাবেন। নির্বাচনী বিধিমালা থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহা. খালিদ হোসেন। এ তথ্য অনুযায়ী ২১ জন প্রার্থী কাস্টিং ভোটের ৮ শতাংশের কম ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, ফকিরহাট ও মোল্লাহাট) আসনে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৮২১টি ভোটের মধ্যে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৬৯৩টি ভোট কাস্ট হয়েছে। এ আসনে ৬ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। বিজয়ী প্রার্থী শেখ হেলাল উদ্দিন পেয়েছেন ২ লাখ ১৯ হাজার ৯৩৯ ভোট। এ আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ৫ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন- বাংলাদেশ কংগ্রেসের এইচ এম আতাউর রহমান আতিকী ১ হাজার ১৭৫ ভোট, এনপিপির বাসুদেব গুহ ২ হাজার ০৬৫, জাতীয় পার্টির মো. কামরুজ্জামান ৫ হাজার ২১০, বিএনএমর মো. মঞ্জুর হোসেন শিকদার ২ হাজার ৭৯৬ এবং তৃণমূল বিএনপির মো. মাহফুজুর রহমান ১ হাজার ৭৮৫ ভোট। বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনেও ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনই জামানত হারিয়েছেন। এ আসনে ৩ লাখ ২০ হাজার ১৪১ ভোটের মধ্যে ২ লাখ ৫ হাজার ৮৭২টি ভোট কাস্ট হয়েছে। এখানে বিজয়ী প্রার্থী শেখ তন্ময় পেয়েছেন ১ লাখ ৮২ হাজার ৩১৮ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন- সতন্ত্র প্রার্থী এসএম আজমল হোসেন ১ হাজার ৪৫৫ ভোট, জাকের পার্টির খান আরিফুর রহমান ৩ হাজার ১৬৩, তৃণমূল বিএনপির মরিয়ম সুলতানা ২ হাজার ৭৬২, বিএনএমর সোলায়মান শিকদার ১ হাজার ৯০৭ এবং জাতীয় পার্টির হাজরা শহিদুল ইসলাম ৪ হাজার ১৭৪ ভোট। বাগেরহাট-৩ (মোংলা-রামপাল) আসনে বিজয়ী প্রার্থী নৌকার হাবিবুন নাহার ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ইদ্রিস আলী ইজারাদারের জামানত রক্ষা হয়েছে। এ আসনে বিভিন্ন দলের অন্য ৫ প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। এই আসনে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৮৫৮ ভোটের মধ্যে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৩০ ভোট কাস্ট হয়েছে। এখানে বিজয়ী প্রার্থী হাবিবুন নাহার পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৩৭২, স্বতন্ত্র প্রার্থী পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৪৬৮ ভোট। জামানত হারানোরা হলেন- বাংলাদেশ কংগ্রেসের মফিজুল ইসলাম গাজী ২০৮, তৃণমূল বিএনপি ২২৮, জাতীয় পার্টির মো. মনিরুজ্জামান মনি ৬৭০, বিএনএমর ৪২৩ এবং জাসদের শেখ নুরুজ্জামান মাসুম ৩৩৮ ভোট।

অন্যদিকে বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা) আসনেও ৭ প্রার্থীর  মধ্যে ৬ প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন।  এই আসনে ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৩১৪ ভোটের মধ্যে ২ লাখ ১৪ হাজার ৭৬৭ ভোট কাস্ট হয়েছে। এখানে বিজয়ী প্রার্থী নৌকার এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ পেয়েছেন ১ লাখ ৯৯ হাজার ৩৪ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মুহাম্মদ বদরুজ্জামান ৯৯২, এনপিপির মোহাম্মদ লোকমান ১ হাজার ৬১১, বিএনএমর মো. রেজাউল ইসলাম রাজু ৬৩৬, তৃণমূল বিএনপির লুৎফুন নাহার রিক্তা ৬০৭, জাতীয় পার্টির সাজন কুমার মিস্ত্রী ২ হাজার ২২০ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জামিল হোসাইন পেয়েছেন ৫ হাজার ৩৭৬ ভোট। তবে এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম আর জামিল হোসেন নির্বাচনের দিন দুপুরে ভোট বয়কট করেছিলেন।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহা. খালিদ হোসেন বলেন, খুবই শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। ৪টি আসনের মধ্যে ২১ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী তারা সবাই কাস্টিং ভোটের ৮ শতাংশের কম ভোট পেয়েছেন। বিজয়ী ৪ প্রার্থী ও বাগেরহাট-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইদ্রিস আলী ইজারাদারের জামানত রক্ষা হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।