ঢাকা২০ মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  1. ! Без рубрики
  2. Echt Geld Casino
  3. test2
  4. অপরাধ
  5. অর্থনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আরো
  8. এক্সক্লুসিভ
  9. খেলাধুলা
  10. জাতীয়
  11. তথ্য প্রযুক্তি
  12. দেশজুড়ে
  13. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  14. বাণিজ্য
  15. বিনোদন

রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে জেতেনি রিয়াল-সিটির কেউই

admin
এপ্রিল ১০, ২০২৪ ১২:০৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

স্পোর্টস ডেস্ক:চ্যাম্পিয়নস লীগে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে রিয়াল মাদ্রিদ ম্যান সিটির মধ্যকার লড়াইয়ে যা ঘটার তাই ঘটেছে। জমজমাট লড়াই হয়েছে। যে লড়াই ফুটবলে রোমান্টিকদের মনে তা রয়ে যাবে অনেক দিন! সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে প্রথম ১৪ মিনিটে দেখা মিলেছে অবিশ্বাস্য এক ঝড়ের। যার রেশ ছিল ম্যাচের শেষ পর্যন্ত।

সান্তিয়াগো বার্নাব্যুয়ে উত্তপ্ত এ লড়াইয়ে প্রথমার্ধে ২-১ গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিক রিয়াল। দ্বিতীয়ার্ধে ফিল ফোডেন জাদুতে সমতায় ফেরার পর সিটিকে দুর্দান্ত এক গোলে এগিয়ে দেন ইওস্কো গার্দিওল। এরপর ঝিমিয়ে পড়া বার্নাব্যুকে নাচিয়ে তোলেন ফেদে ভালভের্দে। ৩-৩ গোলে সমতায় ফেরে রিয়াল। শেষ পর্যন্ত এ ব্যবধানেই শেষ হয়েছে ম্যাচটি।

ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। ঘড়ির কাঁটা মিনিট পেরোনোর আগেই দুই দলই একটি করে আক্রমণ শানায় এবং জ্যাক গ্রিলিশকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন অরলিয়েঁ চুয়েমেনি। আর সেই ফাউল থেকে পাওয়া ফ্রি কিকেই বাজিমাত করেন বার্নাদো সিলভা।

২৫ গজ দূর থেকে বাঁ পায়ে বুদ্ধিদীপ্ত এক শটে বল জালে জড়ান এ পর্তুগিজ মিডফিল্ডার। বার্নাব্যুকে স্তব্ধ করে শুরু করা ম্যাচে ৭ মিনিটের মাথায় ব্যবধান দ্বিগুণ করতে পারত সিটি।

যদিও কাছাকাছি গিয়ে সামান্যের জন্য গোল পাওয়া হয়নি হালান্ড-ফোডেনদের। শুরুতে গোল খেয়ে রিয়াল তখন এক রকম ছন্নছাড়া হয়ে পড়ে। মিডফিল্ডরে দখল নিয়ে রিয়াল রক্ষণের আশপাশে বারবার ভীতি ছড়াতে থাকেন সিলভা-ফোডেনরা। তবে আচমকা এক আক্রমণে গোল পেয়ে ১২ মিনিটের মাথায় ম্যাচে সমতা ফিরিয়ে আনে রিয়াল। বক্সের বাইরে থেকে শট নেন কামাভিঙ্গা। কিন্তু তাঁর শট রুবেন দিয়াজের পায়ে লেগে জড়ায় জালে।

তবে পাগলাটে ম্যাচে দুর্দান্ত এক প্রতি-আক্রমণ থেকে দুই মিনিট পর রিয়ালকে এগিয়ে দেন রদ্রিগো। ভিনিসিয়ুসের কাছ থেকে নিজ অর্ধে বল পেয়ে দারুণ রানিংয়ে প্রতিপক্ষ বক্সে ঢুকে পড়েন ব্রাজিলিয়ান তারকা। তাঁর আলতো করে বাড়ানো বল ম্যানুয়াল আকাঞ্জির পায়ে লেগে দিক বদলে জালে জড়ালে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় রিয়াল। প্রথম ১৪ মিনিটের পাগলাটে ঝড়ের পর দুই দলই চেষ্টা করে থিতু হওয়ার।

আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও এ সময় আক্রমণগুলো ছিল যথেষ্ট পরিণত।

বিরতির পর আক্রমণের ধার বাড়ায় সিটি। কয়েকবার আক্রমণেও যায় তারা। যদিও আসেনি কাঙ্ক্ষিত গোলটি। এর মধ্যে অবশ্য সিটি ডিফেন্সের ভুলে বল পেয়ে তৃতীয় গোলটা প্রায় পেয়েই গিয়েছিল রিয়াল। তবে বেলিংহামের শট যায় পোস্টের বাইরে দিয়ে। ৫৬ মিনিটে দারুণ এক সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি ভিনি। এরপর দ্রুত কয়েকবার আক্রমণে যায় সিটি। কিন্তু মেলেনি সমতা সূচক গোলটি।

তবে কয়েক দফায় ব্যর্থ হওয়ার পর শেষ পর্যন্ত ৬৬ মিনিটে দেখা মেলে ফোডেন-জাদুর। বক্সের বাইরে থেকে তাঁর ট্রেডমার্ক শটটি থামানোর কোনো উপায় ছিল না রিয়াল গোলরক্ষক লুনিনের। ৭১ মিনিটে ফোডেনের সেই গোলটিই যেন আরেকবার ফিরিয়ে আনেন গাভারদিওল। অসাধারণ এক শটে বার্নাব্যুকে শোকে ভাসিয়ে সিটিকে লিড এনে দেন এ ক্রোয়াট ডিফেন্ডার। রিয়াল অবশ্য হাল ছাড়েনি। ম্যাচের ৭৯ মিনিটে ভিনিসিয়ুসের মাপা ক্রসে দুর্দান্ত ভলিতে বল জালে জড়িয়ে রিয়ালকে ফের ম্যাচে ফেরান ভালভের্দে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।