মাদকবিরোধী অবস্থানের জেরে বিএনপি নেতার ওপর হামলার অভিযোগ
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মাইজখাপন ইউনিয়নে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম এনায়েতের ওপর হামলা এবং তাঁর স্বর্ণের দোকান থেকে ১৮ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং বিচার দাবিতে সোমবার (২৪ আগস্ট) মাইজখাপন ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে নীলগঞ্জ রেলস্টেশন অফিসে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এতে ভুক্তভোগী ও স্থানীয় বিএনপির নেতারা বক্তব্য দেন।
ভুক্তভোগী আমিনুল ইসলাম এনায়েত মাইজখাপন ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে দাবি করেন, গত মাসে মাইজখাপন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। ওই অভিযানের পর স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ নিয়ে এলাকায় আলোচনা শুরু হয়।
অভিযোগে আমিনুল ইসলাম এনায়েত আরও উল্লেখ করেন, গত ১৪ আগস্ট রাত আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে ব্যবসায়িক কাজে নীলগঞ্জ পুরান বাজারে নিজের দোকানে গেলে জুলি সুলতানা ঋতু, স্বপ্নন মিয়া, তরিকুল ইসলাম সোহাগসহ তাঁদের আত্মীয়-স্বজনরা তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এ সময় শত শত মানুষের সামনে তাঁকে মারধর করে আহত করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এনায়েতের অভিযোগ, হামলার একপর্যায়ে তাঁর স্বর্ণের দোকান থেকে নগদ অর্থসহ প্রায় ১৮ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার পর তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
এদিকে হামলার প্রতিবাদ এবং জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মাইজখাপন ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক চেয়ারম্যান মো. রোকনউদ্দিন, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল হক শাহিন এবং সিনিয়র সহসভাপতি রুপন আহমেদ সরকার বক্তব্য দেন।
বক্তারা বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণেই আমাদের নেতা আমিনুল ইসলাম এনায়েতের ওপর এই হামলা করা হয়েছে।’ তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জুলি সুলতানা ঋতু। তাঁর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। পরে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আনীত সব অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট।’
কিশোরগঞ্জ মডেল থানা সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।














Warning: Array to string conversion in /home/dkishoreganj/public_html/wp-content/plugins/gs-facebook-comments/public/class-wpfc-public.php on line 311
Array