বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩১ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩১ ১৪৩২

সংস্কারের নামে লক্ষ্যভ্রষ্ট অন্তর্বর্তী সরকার, আট অধ্যাদেশ নিয়ে টিআইবির প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
সংস্কারের নামে লক্ষ্যভ্রষ্ট অন্তর্বর্তী সরকার, আট অধ্যাদেশ নিয়ে টিআইবির প্রশ্ন

সংস্কারের অংশ হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রণীত আটটি অধ্যাদেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন,
‘সংস্কারের নামে যতটুকু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা প্রায় সব ক্ষেত্রেই বাস্তবায়নে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার কার্যত আমলাতন্ত্রের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। কেন এই আত্মসমর্পণ হলো, দুর্বলতাটা কোথায়—সেটাই মূল প্রশ্ন। তবে সরকারের অভ্যন্তরে কীভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সে বিষয়ে সরাসরি অভিজ্ঞতা না থাকায় নির্দিষ্ট উত্তর আমার কাছে নেই।’

সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবির কার্যালয়ে আয়োজিত ‘অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ প্রণয়নে সংস্কার বিমুখতা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, সরকারি হিসাব নিরীক্ষা অধ্যাদেশ, রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ এবং জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ নিয়ে টিআইবির পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়।

টিআইবির সার্বিক পর্যবেক্ষণে বলা হয়,
‘সংস্কারের জন্য খাত বা প্রতিষ্ঠান নির্ধারণে কোনো সুস্পষ্ট কৌশল অনুসরণ করা হয়েছে—এমন বিবেচনার সুযোগ নেই। ১১টি কমিশন ও কমিটির বাইরে শিক্ষা, কৃষি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যবসার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাত বাদ পড়েছে, যার কোনো ব্যাখ্যা নেই। গণভোটের সিদ্ধান্ত ছাড়া সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের কোনো কর্মকৌশল প্রণীত হয়নি।’

এতে আরও বলা হয়,
‘শুরু থেকেই সংস্কারবিরোধী মহলকে চিহ্নিত করে প্রতিহত করার প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করা হয়নি। বরং এই অপশক্তির কাছে আত্মসমর্পণের ফলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ বাতিল হয়েছে এবং সংস্কারবিরোধী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।’

পর্যবেক্ষণে আরও উল্লেখ করা হয়, অধিকাংশ ক্ষেত্রে অংশীজনদের সম্পৃক্ত না করেই অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে খসড়া অধ্যাদেশ স্বল্প সময়ের জন্য ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে দায়সারা দায় এড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

আমলাতন্ত্রের কাছে সরকারের নতি স্বীকারের উদাহরণ তুলে ধরে বলা হয়,
‘দুদক, পুলিশ কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, সাইবার সুরক্ষা ও উপাত্ত সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলোতে জাতীয় স্বার্থের তুলনায় আমলাতান্ত্রিক ও ক্ষমতাসীনদের একচ্ছত্র কর্তৃত্ব বজায় রাখার সুযোগ রাখা হয়েছে।’

পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে টিআইবি বলেছে,
‘যেভাবে অধ্যাদেশটি প্রণীত হয়েছে, তাতে স্বাধীন পুলিশ কমিশনের স্বপ্ন ধুলিস্যাৎ হয়েছে। এটি বাস্তবে পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধের বদলে তা সুরক্ষিত করার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।’

মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ নিয়েও সমালোচনা করে বলা হয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অংশীজনদের মতামত উপেক্ষা করে এতে আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।

দুদক সংস্কার প্রসঙ্গে টিআইবির অভিযোগ,
‘অন্য অংশীজনদের সম্পৃক্ত না করে দুদক ও আমলাতন্ত্রের একচ্ছত্র কর্তৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ বাদ দেওয়া হয়েছে, যা দুদকের স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের পরিপন্থী।’

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন,
‘উপদেষ্টা পরিষদ বা মন্ত্রিপরিষদ থাকলেও বাস্তবে অপারেশনাল সিদ্ধান্ত সেখানে হয় না। কোন সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে, কোন ধারা থাকবে বা বাদ যাবে—এসব নির্ধারণ করে রাষ্ট্রযন্ত্রের ভেতরের কিছু প্রভাবশালী মহল।’

তিনি আরও বলেন,
‘রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত শক্তিগুলোই সংস্কারকে বাধাগ্রস্ত করছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রশাসনের একটি অংশ পর্দার আড়াল থেকে উপদেষ্টাদের চেয়েও বেশি প্রভাব বিস্তার করছে।’

সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির উপদেষ্টা নির্বাহী ব্যবস্থাপনা অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের, পরিচালক মুহাম্মদ বদিউজ্জামানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

হোসেনপুরে বিএনপি সভাপতির ওপর হামলার অভিযোগ, ভোটের মাধ্যমে জবাব দেওয়ার ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে বিএনপি সভাপতির ওপর হামলার অভিযোগ, ভোটের মাধ্যমে জবাব দেওয়ার ঘোষণা

হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জহিরুল ইসলাম মুবিনের ওপর স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম খান চুন্নুর ভাই মনোয়ার জিনারী ইউনিয়নের বোর্ড বাজার এলাকায় অতর্কিত হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বোর্ড বাজার এলাকায় অবস্থানকালে হঠাৎ করেই এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে জহিরুল ইসলাম মুবিন শারীরিকভাবে আহত হন। ঘটনার পর তিনি মানসিকভাবেও গভীরভাবে মর্মাহত হন বলে জানা গেছে।

হামলার পরপরই স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান। এ ঘটনার জেরে এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই এ হামলা চালানো হয়েছে। তারা দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

ঘটনার বিষয়ে প্রতিক্রিয়ায় জহিরুল ইসলাম মুবিন বলেন, “আমি এই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। আমরা সহিংসতায় বিশ্বাস করি না। ভোটের মাধ্যমেই এর উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।”

এদিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম বলেন, “এ ধরনের হামলা গণতন্ত্র ও নির্বাচনী পরিবেশের জন্য হুমকি। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

তবে অভিযুক্ত পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


বিদ্রোহী প্রার্থী ও জোটের দ্বন্দ্বে অস্বস্তি: কিশোরগঞ্জ–১ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ
বিদ্রোহী প্রার্থী ও জোটের দ্বন্দ্বে অস্বস্তি: কিশোরগঞ্জ–১ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ–১ (সদর–হোসেনপুর) আসনে দলের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীকে ঘিরে দুশ্চিন্তায় পড়েছে বিএনপি। ধানের শীষ প্রতীকের বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে রয়েছেন দলেরই এক ‘বিদ্রোহী’ নেতা। অন্যদিকে, প্রচারণা শেষ হলেও ঐক্য প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় স্বস্তিতে নেই ১১-দলীয় জোট। জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী প্রত্যাহার করলেও জোটের অন্য দুই শরিক দলের প্রার্থীরা কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। ফলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস মনোনীত দুই প্রার্থীই নিজেদের জোটের প্রার্থী দাবি করে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।

এ আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম খান (চুন্নু) স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোরগ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে নেমেছেন। তিনি এর আগে নৌকার বিপরীতে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছিলেন। দুই প্রার্থীই সদর ও হোসেনপুর উপজেলায় ভোটারদের কাছে উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন।

১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অংশ হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোসাদ্দেক ভূঁইয়া প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হেদায়েতুল্লাহ হাদী এবং খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আহমদ আলী কাসেমী কেউই সরে দাঁড়াননি। দুজনই নিজ নিজভাবে জোটের প্রার্থী দাবি করে মাঠে দৌড়ঝাঁপ চালাচ্ছেন। বিষয়টি সমাধানে কেন্দ্রীয় পর্যায়েও সমঝোতা সম্ভব হয়নি।

রিকশা প্রতীকের প্রার্থী হেদায়েতুল্লাহ হাদীর পক্ষে স্থানীয় জামায়াত সমর্থন জানালেও দেয়াল ঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী আহমদ আলী কাসেমী তা মেনে নিতে নারাজ। আহমদ আলীর দাবি, তিনিও জোটের বৈধ প্রার্থী, সে কারণেই তিনি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে রয়েছেন। এই দ্বন্দ্বের কারণে জামায়াতের মধ্যেও দেখা দিয়েছে বিভ্রান্তি—কাকে সমর্থন দেওয়া হবে, তা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েছেন সমর্থকেরা।

১১-দলীয় ঐক্যের কারণে জামায়াতের গোছানো সাংগঠনিক মাঠ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জোটের দুই প্রার্থীর টানাপোড়েনে জামায়াতের ভোটারদের মধ্যে হযবরল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যা বিরোধীদের জন্য সুবিধাজনক হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১১-দলীয় জোটের এই অস্বস্তির সুযোগে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বিএনপি। ফলে ধানের শীষ ও মোরগ প্রতীকের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মিলছে। বিএনপি প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম দলীয় কোন্দল অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছেন। দলীয় ভাবমূর্তি রক্ষা এবং বহিষ্কারের আশঙ্কায় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বও তাঁর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করছেন।

মনোনয়ন নিয়ে শুরুতে কিছু বিরোধিতা থাকলেও শেষ সময়ে দলের একাংশ নেতা-কর্মী তাঁর পক্ষে এককাট্টা হয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে ধানের শীষের প্রার্থীই জয়ী হবেন বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।

অন্যদিকে, বিদ্রোহী প্রার্থী রেজাউল করিম খান এলাকার পরিচিত মুখ। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে তিনি অল্প সময়ের প্রচারণায় ব্যাপক সাড়া পেয়েছিলেন। সে সময়ের নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় তিনি পরাজিত হলেও এবার ব্যক্তিগত ইমেজের কারণে চমক দেখাতে পারেন বলে মনে করছেন ভোটারদের একাংশ।

ধানের শীষের প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম বলেন, ভোটার ও নেতা-কর্মীদের মধ্যে যে জাগরণ তৈরি হয়েছে, তাতে তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন বলে শতভাগ আশাবাদী।

অন্যদিকে, বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী রেজাউল করিম খান বলেন, দলমত নির্বিশেষে সব শ্রেণির মানুষ তাঁর সঙ্গে রয়েছেন এবং মোরগ প্রতীক নিয়েই তিনি বিজয়ের হাসি হাসবেন।

এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ। অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন—বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতীকের মো. এনামুল হক, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্ক্সবাদী) কাঁচি প্রতীকের আলাল মিয়া, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আম প্রতীকের তারেক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মই প্রতীকের মো. মাসুদ মিয়া।

সাংবাদিক মুনিরুজ্জামান খান চৌধুরী সোহেলের পিতার ইন্তেকাল

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:১৫ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক মুনিরুজ্জামান খান চৌধুরী সোহেলের পিতার ইন্তেকাল

গাজী টিভি ও আমার দেশ পত্রিকার কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মুনিরুজ্জামান খান চৌধুরী সোহেলের পিতা আসাদুজ্জামান খান চৌধুরী আজ মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা সোয়া একটার দিকে জেলা শহরের নগুয়া এলাকার ‘জামান ম্যানশন’-এ বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর।

তিনি নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলার গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি একমাত্র ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

আজ বাদ এশা শহীদী মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে হয়বতনগর সাহেববাড়ি গোরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হবে।

এদিকে তাঁর মৃত্যুতে জাতীয় দৈনিক সকালবেলা ও আঞ্চলিক দৈনিক কিশোরগঞ্জ পত্রিকার সম্পাদক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।

সাংবাদিক মুনিরুজ্জামান খান চৌধুরী সোহেলের পিতার ইন্তেকালে কিশোরগঞ্জের সাংবাদিক সমাজসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন।