র্যাবের পৃথক অভিযানে হত্যা মামলার ৫ আসামিসহ গ্রেপ্তার ৭
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৪-এর ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা পৃথক তিনটি অভিযানে একটি হত্যা মামলার পাঁচ আসামিসহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছেন। গ্রেপ্তারদের মধ্যে বিশেষ ক্ষমতা আইন এবং মারাত্মক অস্ত্র দিয়ে আঘাতের মামলার দুই সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিও রয়েছেন।
শুক্রবার (২৩ জুলাই) গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কিশোরগঞ্জ, গাজীপুর ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে র্যাব-১৪ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।
র্যাব জানায়, নিহত রাসেল (৩০) কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার রামনগর এলাকার কুতুব উদ্দিনের ছেলে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, প্রধান আসামি সাইদুর রহমানের সঙ্গে অর্থনৈতিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে তার বিরোধ চলছিল।
অভিযোগে বলা হয়, গত ২২ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাসেল স্থানীয় একটি সেতুর কাছে অবস্থানকালে সাইদুর রহমান ও তার সহযোগীরা তাকে জোর করে পাশের একটি স্থানে নিয়ে যান। সেখানে তাকে হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা কুতুব উদ্দিন বাদী হয়ে করিমগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি পেনাল কোডের ১৪৩/৩৬৪/৩০২/৩৪ ধারায় দায়ের করা হয়েছে বলে র্যাব জানায়।
পরবর্তীতে ২৩ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে র্যাব-১৪-এর সিপিসি-২-এর অনুরোধে র্যাব-১-এর উত্তরা ইউনিটের সহযোগিতায় গাজীপুরের কাশিমপুর ও জিএমপি কোনাবাড়ী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলার পাঁচ আসামি—মো. মামুন (৩০), সাদ্দাম (৩৫), জাহাঙ্গীর আলম (৩০), জাকির (৩০) এবং রাকিবকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়।
একই দিন দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি মো. বিল্লাল হোসেন সুমনকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, তিনি কিশোরগঞ্জ সদর থানার মামলা নম্বর-১৪(২)/১২, জিআর-১০৮/১২-এর আসামি। তার বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার পশ্চিম তারাপাশা এলাকায়।
এ ছাড়া রাত সাড়ে ৮টার দিকে করিমগঞ্জ উপজেলার জাল্লাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মারাত্মক অস্ত্র দিয়ে আঘাতের মামলায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি আলমকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাবের ভাষ্য, তিনি করিমগঞ্জ থানার মামলা নম্বর-১৬(৩)/১৬-এর আসামি। মামলাটি পেনাল কোডের ৩২৪ ধারায় দায়ের করা হয়েছিল।
র্যাব-১৪ জানায়, গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।











Warning: Array to string conversion in /home/dkishoreganj/public_html/wp-content/plugins/gs-facebook-comments/public/class-wpfc-public.php on line 311
Array