রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

কেঁচো খুঁড়তেই বেরোল ২২ লাখ! কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে রাজস্ব আত্মসাত

মোঃ আবদুল কাদির প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৭ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কেঁচো খুঁড়তেই বেরোল ২২ লাখ! কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে রাজস্ব আত্মসাত

কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সাবেক ইনচার্জ ডা. উদয় শংকর পালের বিরুদ্ধে সরকারি রাজস্বের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। প্রাথমিকভাবে তাঁর বিরুদ্ধে প্রায় ১৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গঠিত তদন্ত কমিটির অনুসন্ধানে আত্মসাতের পরিমাণ ২২ লাখ টাকা বলে তথ্য পাওয়া গেছে বলে কমিটি-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে। একই সঙ্গে জরুরি বিভাগের একটি বছরের রেজিস্টার খাতা পাওয়া যাচ্ছে না বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।

অভিযোগের এত গুরুতর তথ্য সামনে আসার পরও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক সরকারি চাকরিতে বহাল থাকায় হাসপাতালজুড়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে তাঁর বর্তমান কর্মস্থল, দায়িত্ব এবং তাঁর বিরুদ্ধে নেওয়া প্রশাসনিক ব্যবস্থা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া জরুরি।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ডা. উদয় শংকর পাল ২০২৩ সাল থেকে প্রায় তিন বছর জরুরি বিভাগের ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময়ে জরুরি বিভাগের বিভিন্ন খাতের টিকিট, ওটি চার্জ ও কেবিন ভাড়াসহ বিভিন্ন রাজস্বের অর্থ আদায়ের সঙ্গে তাঁর দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট ছিল বলে সূত্র জানিয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব পালনকালে জরুরি বিভাগের প্রকৃত রেজিস্টার গোপন করে নতুন রেজিস্টার তৈরি করা হয়। পরবর্তী সময়ে নতুন রেজিস্টারের মাধ্যমে হিসাব মেলানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে এ অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে মূল রেজিস্টার, বিকল্প রেজিস্টার, টিকিট, রসিদ, ভাউচার, ব্যাংক চালান এবং সরকারি কোষাগারে জমার নথি যাচাই করা প্রয়োজন।

তদন্ত কমিটির বরাতে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে ১৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধান শুরু হলেও তদন্তে ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া জরুরি বিভাগের এক বছরের একটি রেজিস্টার খাতা পাওয়া যাচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি স্বীকার করেছেন। তবে শুধু রেজিস্টার না পাওয়ার বিষয়টি দিয়ে অর্থ আত্মসাতের পুরো ঘটনা প্রমাণিত হয় না; এ বিষয়ে আর্থিক নথিপত্রসহ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে।

সংশ্লিষ্ট ওই ব্যক্তি আরও বলেন, রেজিস্টার হারিয়ে যাওয়ার বিষয়ে দেওয়া ব্যাখ্যায় তদন্ত কমিটি সন্তুষ্ট হয়নি। বিষয়টি আরও যাচাই করা হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালের বিভিন্ন আর্থিক লেনদেনে ডা. উদয় শংকর পালকে সহায়তা করতেন হাসপাতালের প্রধান সহকারী শরীফুল ইসলাম। তাঁর মাধ্যমে হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের আর্থিক লেনদেনে অনিয়ম হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

সূত্র জানায়, শরীফুল ইসলাম সম্প্রতি হাসপাতাল থেকে অন্যত্র বদলি হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধেও হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ বিভিন্ন খাতে ভুয়া বা অনিয়মিত বিল-ভাউচারের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট কয়েকজন।

অভিযোগের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রশাসনিকভাবে অর্থ ফেরত নেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হতে পারে বলেও জানা গেছে।

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এবং তদন্তে আরও বেশি অর্থের গরমিলের তথ্য সামনে আসার পরও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক সরকারি চাকরিতে বহাল থাকায় প্রশ্ন তুলেছেন হাসপাতালসংশ্লিষ্ট কয়েকজন। তাঁদের দাবি, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় দ্রুত প্রশাসনিক ও আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

তবে অভিযোগ উঠলেই কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী দোষী সাব্যস্ত হন না। তদন্ত, নথিপত্র যাচাই এবং প্রযোজ্য প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে দায় নির্ধারণ করতে হবে।

কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. নূর মো. শামসুল আলমের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হলে তিনি জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে সরকারি অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য প্রাথমিকভাবে আনুষ্ঠানিক চিঠি দেওয়ার প্রক্রিয়া নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, অভিযোগের বিষয়টি প্রশাসনিকভাবে যাচাই করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হাসপাতালটির সরকারি ওয়েবসাইটেও ডা. নূর মো. শামসুল আলমকে বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতালটি কিশোরগঞ্জের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা/সদর হাসপাতাল এবং এখানে ২৪ ঘণ্টা জরুরি চিকিৎসাসেবা চালু রয়েছে।

হাসপাতালসংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি মনে করছেন, জরুরি বিভাগের রাজস্ব আদায় ও জমার হিসাব শুধু একটি রেজিস্টারের ওপর নির্ভর করে যাচাই করলে প্রকৃত চিত্র পাওয়া নাও যেতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট সময়ের সব টিকিট, রসিদ, ওটি চার্জ, কেবিন ভাড়া, রোগী ভর্তি ও ছাড়পত্রের তথ্য এবং সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া অর্থের চালান মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে হারিয়ে যাওয়া রেজিস্টারটির সন্ধান, বিকল্প রেজিস্টার ব্যবহারের কারণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বও তদন্তের আওতায় আনা দরকার বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষ হলে প্রকৃত অর্থের পরিমাণ, দায়ী ব্যক্তি এবং অর্থ আত্মসাতের পদ্ধতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

কিশোরগঞ্জ পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত এবং জুনিয়র বৃত্তি-২০২৬ অর্জনকারী কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেলে কিশোরগঞ্জ পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট, পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নাচ, গান ও অভিনয়সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। তাদের মনোজ্ঞ পরিবেশনায় অনুষ্ঠানস্থলে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, মাসুদা ইসলাম, শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম খান, নির্বাহী প্রকৌশলী, কিশোরগঞ্জ এবং কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ভালো ফলাফল অর্জনকারীদের পাশাপাশি যারা প্রত্যাশিত ফলাফল করতে পারেনি, তাদেরও হতাশ না হয়ে আরও বেশি পরিশ্রম করতে হবে। নিয়মিত অধ্যবসায় ও চেষ্টা থাকলে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতা বিকাশে শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শুধু ভালো ফলাফল অর্জনই নয়, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে শিক্ষার্থীদের নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, শুধু পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করাই শিক্ষার্থীদের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে নিজেদের একজন যোগ্য ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার চর্চার ওপর গুরুত্ব দেন।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। পরে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শেষ হয়।

কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র উদ্বোধন, মিলবে সহজে হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র উদ্বোধন, মিলবে সহজে হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা

ভূমিসেবা সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত এ কেন্দ্র থেকে জনসাধারণ বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ভূমিসেবা নিতে পারবেন।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, স্থানীয় সরকার উপপরিচালক (উপসচিব) জেবুন নাহার শাম্মী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নাজমুস সাকিব খান, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) নিলুফা আক্তার রূপা এবং জেলার ১৩টি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)।

উদ্বোধন শেষে সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলামকে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন। তিনি কেন্দ্রটির মাধ্যমে নাগরিকদের কী ধরনের ভূমিসেবা দেওয়া হবে এবং কীভাবে এসব সেবা পাওয়া যাবে, সে বিষয়ে সংসদ সদস্যকে অবহিত করেন।

জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, জেলার নাগরিকদের ভূমিসেবা সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করার লক্ষ্যে এ ভূমিসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এটি ভূমি মন্ত্রণালয়ের একটি উদ্ভাবনী উদ্যোগ। কেন্দ্রটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে জেলা প্রশাসন।

তিনি জানান, নাগরিকরা সরাসরি জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় ভূমিসেবা নিতে পারবেন। এর মাধ্যমে প্রতিদিন ভূমি উন্নয়ন কর দেওয়া, নামজারি ও জমাখারিজ, খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি এবং মৌজা ম্যাপ বা নকশা প্রাপ্তির আবেদনসহ বিভিন্ন ধরনের ভূমিসেবা পাওয়া যাবে।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত এ কেন্দ্রের মাধ্যমে এক জায়গা থেকেই নাগরিকরা প্রয়োজনীয় ভূমিসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এতে ভূমিসেবা গ্রহণে নাগরিকদের ভোগান্তি কমার পাশাপাশি সেবা প্রদানের প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও জনবান্ধব হবে।

কিশোরগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হত্যার হুমকি, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

রোববার দুপুরে শহরের সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্বর থেকে এনসিপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় নির্ধারিত স্থানে গিয়ে শেষ হয়।

এর আগে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব আহনাফ সাঈদ খান, জেলা এনসিপির আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবীর, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ ইকরাম হোসেন, ফয়সাল প্রিন্সসহ দলের অন্যান্য নেতাকর্মী।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হয়রানির ঘটনা ঘটছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ চাপে রয়েছে।

বক্তারা অবিলম্বে দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও নির্যাতন বন্ধের দাবি জানান। পাশাপাশি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

সমাবেশ শেষে একই দাবিতে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন এনসিপির নেতাকর্মীরা।