বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২ ১৪৩২

হন্ডুরাসের নির্বাচনে অস্বচ্ছ হস্তক্ষেপে ফের সমালোচনায় ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
হন্ডুরাসের নির্বাচনে অস্বচ্ছ হস্তক্ষেপে ফের সমালোচনায় ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বছর লাতিন আমেরিকার রাজনীতিতে অস্বাভাবিকভাবে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। ব্রাজিলে সাবেক প্রেসিডেন্ট জেইর বলসোনারোর বিচার স্থগিত করতে চাপ প্রয়োগের চেষ্টা, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট জাভিয়ার মিলেইকে রাজনৈতিক সহায়তা এবং ভেনেজুয়েলা–কলম্বিয়া উপকূলে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচিত ‘মাদকবিরোধী অভিযান’—সব ক্ষেত্রেই তার প্রত্যক্ষ প্রভাব স্পষ্ট। তবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, হন্ডুরাসের সাম্প্রতিক নির্বাচনে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ সবচেয়ে অস্পষ্ট, বিতর্কিত এবং বিপজ্জনক।

নির্বাচনের চার দিন আগে, গত ২৬ নভেম্বর ট্রাম্প প্রকাশ্যে সমর্থন দেন ডানপন্থি ন্যাশনাল পার্টির প্রার্থী নাস্রি ‘টিটো’ আসফুরাকে। তিনি ঘোষণা করেন, তাদের যৌথ প্রচেষ্টায় ‘নার্কোকমিউনিস্টদের’ মোকাবিলা সম্ভব হবে। ২৮ নভেম্বর ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, আসফুরা ছাড়া অন্য কেউ জয়ী হলে হন্ডুরাসে মার্কিন সহায়তা বন্ধ করে দেওয়া হবে। এর পরপরই তিনি ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে মাদকচক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে ৪৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত সাবেক প্রেসিডেন্ট হুয়ান অরলান্ডো হার্নান্দেজকে ক্ষমা করে দেন। ২ ডিসেম্বর তিনি মুক্তি পান।

এই নাটকীয় পদক্ষেপ ভোটের ফলাফলে ঠিক কতটা প্রভাব ফেলেছে—তা এখনো স্পষ্ট নয়। কেউ কেউ মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে ভোটারদের একাংশ আসফুরাকে সমর্থন দিয়েছেন। আবার অনেকে হার্নান্দেজের মুক্তিকে ‘নার্কো–স্টেটের আশঙ্কা’ হিসেবে দেখেছেন এবং ন্যাশনাল পার্টির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। নির্বাচনের রাতে ৩৪ শতাংশ ভোট গণনায় আসফুরা এগিয়ে থাকলেও পরবর্তীতে ব্যবধান দ্রুত কমে যায়। ৩ ডিসেম্বর ৮০ শতাংশ ভোট গণনায় মধ্য–ডানপন্থি লিবারেল পার্টির প্রার্থী ও সাবেক টিভি উপস্থাপক সালভাদোর নাসরালা প্রায় ২০ হাজার ভোটে এগিয়ে যান। চূড়ান্ত ফল ঘোষণার জন্য নির্বাচন কমিশনের ৩০ দিন পর্যন্ত সময় রয়েছে।

হন্ডুরাসের দুর্গম এলাকায় ধীরগতির ভোট পরিবহন ও গণনা এ নির্বাচনে উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে। সেনাবাহিনীর মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যালট রাজধানীতে পৌঁছাতে সময় লাগায় প্রথমদিন শহরভিত্তিক কেন্দ্রের ফল বেশি প্রতিফলিত হয়। এই প্রক্রিয়া ঘনিষ্ঠ লড়াইয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এর ওপর ২ ডিসেম্বর নাসরালা এগিয়ে যেতেই ট্রাম্পের ‘কারচুপির’ অভিযোগ ও ‘মাশুল দিতে হবে’ ধরনের মন্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, বামঘেঁষা প্রেসিডেন্ট সিওমারা কাস্ত্রোর দল লিব্রে–র প্রতি ট্রাম্পের তীব্র বিরাগই তাঁর এমন আচরণের মূল কারণ। তিনি নাসরালাকেও ‘কমিউনিস্ট’ আখ্যা দিয়েছেন, যদিও নাসরালা দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রপন্থি রাজনীতির সমর্থক। অন্যদিকে হার্নান্দেজকে ক্ষমার ক্ষেত্রে ট্রাম্পের যুক্তি ছিল ‘যৌথ ষড়যন্ত্রের শিকার’—যা বিশেষজ্ঞদের কাছে হাস্যকর ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ডিইএ কর্মকর্তারা এ সিদ্ধান্তকে ‘অসঙ্গত’ ও ‘মাদকবিরোধী যুদ্ধের প্রতি আঘাত’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

সমালোচকেরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই হস্তক্ষেপ ও রাজনৈতিক নাটকীয়তায় হন্ডুরাসের জরুরি ইস্যু—অর্থনীতি, দুর্নীতি ও অপরাধ দমনের মতো বাস্তব সমস্যাগুলো আড়ালে চলে গেছে। তারা বলছেন, “হন্ডুরাসের জনগণের জীবন–সংগ্রাম নিয়ে ট্রাম্পের কোনো প্রকৃত আগ্রহ নেই; এটি কেবল তাঁর বৃহত্তর রাজনৈতিক নাটকের অংশ মাত্র।”

কিশোরগঞ্জের শিক্ষার্থীসহ তিন সাইবার প্রতারক গ্রেপ্তার: ফিশিংয়ে কোটি টাকার হাতবদল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩০ পূর্বাহ্ণ
কিশোরগঞ্জের শিক্ষার্থীসহ তিন সাইবার প্রতারক গ্রেপ্তার: ফিশিংয়ে কোটি টাকার হাতবদল

গত বছরের ১৭ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও এলাকার বাসিন্দা খিতিশচন্দ্র রায়ের মোবাইল ফোনে বিকাশ থেকে একের পর এক ক্যাশআউটের এসএমএস আসতে থাকে। বিকাশ অ্যাপে ব্যালেন্স চেক করে তিনি দেখতে পান, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে দুই লাখ ২২ হাজার টাকা উধাও হয়ে গেছে। সেখানে অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র ৫ হাজার ৬০০ টাকা।

ভুক্তভোগী খিতিশচন্দ্র রায় জানান, তাঁর এক ব্যাচমেটের অকাল মৃত্যুতে পরিবারের সহায়তার জন্য বন্ধুদের কাছ থেকে বিকাশে পাঠানো হয়েছিল এই অর্থ। পরে অসাবধানতাবশত একটি ফিশিং লিংকে ক্লিক করার পরই প্রতারণার শিকার হন তিনি। এ ঘটনায় তিনি তেজগাঁও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। উল্লেখ্য, খিতিশচন্দ্র রায় নিজেও পুলিশের একজন পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর)।

অভিযোগের পর বিষয়টি তদন্তে নেয় পুলিশ। পাশাপাশি র‍্যাবও প্রতারক চক্র শনাক্তে কাজ শুরু করে। তিন থেকে চার মাস ধরে শতাধিক ফোন নম্বর বিশ্লেষণের পর একটি সন্দেহজনক নম্বর শনাক্ত করে র‍্যাব। সেই সূত্র ধরে রাজধানীর শেওড়াপাড়ার একটি বাসায় অভিযান চালানো হয়।

অভিযানকালে ফ্ল্যাটের ভেতরে ও বাইরে অসংখ্য সিসিটিভি ক্যামেরা, একাধিক রাউটার ও বিভিন্ন প্রযুক্তি সরঞ্জাম দেখতে পায় র‍্যাব। বাড়ির মালিক জানান, অভিযুক্তরা নিজেদের শিক্ষার্থী ও ফ্রিল্যান্সার পরিচয়ে বাসাটি ভাড়া নিয়েছিলেন।

র‍্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় সাদমান সাকিব প্রিয়ম, তরিকুল ইসলাম ইমন ও মাহিনুর রহমান মাহি নামের তিন যুবককে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় শতাধিক জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি, অর্ধশতাধিক মোবাইল ফোন, প্রিন্টারসহ প্রতারণায় ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম।

র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত প্রিয়ম আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী। মাহি কিশোরগঞ্জের ইশাখা বিশ্ববিদ্যালয়ে এলএলবি অধ্যয়নরত। তারা ২০২২ সাল থেকে সংঘবদ্ধভাবে সাইবার প্রতারণায় জড়িয়ে পড়ে।

তদন্তে আরও জানা গেছে, তারা ফিশিং লিংকের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের মোবাইল ফোনের নিয়ন্ত্রণ নেয়। পরে বিকাশসহ বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড ও ওটিপি সংগ্রহ করে অর্থ আত্মসাৎ করে। এছাড়া ওয়াইফাই রাউটার ও সিসিটিভি ক্যামেরা হ্যাক করে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ এবং ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগও রয়েছে।

একই এনআইডি নম্বর রেখে নাম সামান্য পরিবর্তন করে বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে একাধিক ভুয়া অ্যাকাউন্ট খোলার কৌশলও তারা ব্যবহার করত বলে জানিয়েছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে তারা বিলাসবহুল জীবনযাপন করত। ঢাকায় মাসিক প্রায় ৫০ হাজার টাকা ভাড়ার ফ্ল্যাটে বসবাস, দামি মোবাইল ফোন ও ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করত তারা। এলাকাবাসীর মধ্যেও তাদের জীবনযাপন নিয়ে আগে থেকেই সন্দেহ ছিল।

এক প্রতিবেশী বলেন,
“মাঝেমধ্যে প্রাইভেট কার আসত, দামি জিনিসপত্র ব্যবহার করত। তখন বুঝিনি, এখন বোঝা যাচ্ছে টাকার উৎস কী ছিল।”

পুলিশ জানিয়েছে, প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ জব্দের জন্য আদালতে আবেদন করা হবে।

চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে মৃত বিএনপি নেতা ডাবলুর জানাজা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে মৃত বিএনপি নেতা ডাবলুর জানাজা অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে মারা যাওয়া জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় জীবননগর পৌর ঈদগাহ ময়দানে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

ডাবলুর ছোট ভাই ও মা লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বি এম তারিক-উজ-জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) মো. আনোয়ারুল কবীর, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি ও বিজিএমইএর সভাপতি এবং চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ, সিআইপি আলহাজ সাহিদুজ্জামান টরিক, চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মারুফ সারোয়ার বাবু, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার অহিদুল আলমসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান ও সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন,
‘আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এই দেশে আমরা এ ধরনের মৃত্যু প্রত্যাশা করি না। ডাবলুর মৃত্যুর সঠিক বিচার চাই। ভবিষ্যতে যেন আর কাউকে এভাবে প্রাণ দিতে না হয়।’

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,
‘জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা অত্যন্ত মর্মাহত। পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচারে পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।’

পরিবারের সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হাফিজা ফার্মেসির সামনে থেকে ডাবলুকে আটক করা হয়। পরে রাত ১২টার পর তাকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিরাপত্তাহীনতা ও লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হলে নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
নিরাপত্তাহীনতা ও লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হলে নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় লুণ্ঠিত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিতের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জনস্বার্থে এই রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান।

রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছাড়াও স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশনের সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং র‍্যাবের মহাপরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে।