বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৮ ১৪৩২
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৮ ১৪৩২

রাজনৈতিক টানাপোড়েনে ‘হাসির দেশ’ থাইল্যান্ডে আজ নির্বাচন ও গণভোট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
রাজনৈতিক টানাপোড়েনে ‘হাসির দেশ’ থাইল্যান্ডে আজ নির্বাচন ও গণভোট

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। একই সপ্তাহে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ‘হাসির দেশ’ হিসেবে পরিচিত থাইল্যান্ডেও আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

থাইল্যান্ডে আজ সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি দেশটির সংবিধান সংস্কার প্রশ্নে একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, দেশটিতে ইতোমধ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বরে থাইল্যান্ড প্রতিবেশী দেশ কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে, যা রাজনৈতিক অস্থিরতাকে আরও ঘনীভূত করে।

থাইল্যান্ডের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল হঠাৎ করেই আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেন। তিনি গত তিন বছরের মধ্যে দেশটির তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০১৭ সালে সামরিক শাসনের অধীনে প্রণীত সংবিধানে অনির্বাচিত সিনেট সদস্যদের অতিরিক্ত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যা দেশটির গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

এবারের নির্বাচনকে মূলত দুটি দলের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। দল দুটি হলো—রক্ষণশীল ও সেনা-সমর্থিত ভূমজাইথাই পার্টি এবং তরুণ সংস্কারপন্থী পিপলস পার্টি। যদিও দুটি দলই বর্তমানে ক্ষমতাসীন জোট সরকারের অংশ, তবে ধারণা করা হচ্ছে কোনো দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারবে না।

নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় আরও রয়েছে ফেউ থাই পার্টি। তবে দলটির সাবেক নেতা পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা একটি ফাঁস হওয়া ফোনালাপের ঘটনায় পদচ্যুত হওয়ার পর দলটি রাজনৈতিক প্রভাব হারিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

উল্লেখ্য, থাইল্যান্ডে সর্বশেষ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২৩ সালে। সে সময় নির্বাচিত প্রতিনিধিদের চার বছর দায়িত্ব পালনের কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই সংসদ ভেঙে দিয়ে এবার নতুন নির্বাচনের আয়োজন করা হয়।

কেন হচ্ছে আগাম নির্বাচন:

মে ২০২৫: প্রতিবেশী দেশ কম্বোডিয়ার সঙ্গে থাইল্যান্ডের সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। সংঘর্ষে এক থাই সেনা নিহত হন।

জুন ২০২৫: উত্তেজনার মধ্যেই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা আলোচনার জন্য কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেনকে ফোন করেন। ফোনালাপে তিনি হুন সেনকে ‘আংকেল’ সম্বোধন করেন এবং নিজ দেশের সেনাবাহিনীর সমালোচনা করেন। ফোনালাপটি ফাঁস হলে দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

এই ঘটনার পর ফেউ থাই পার্টির প্রধান জোটসঙ্গী ভূমজাইথাই পার্টি জোট ছাড়ার ঘোষণা দেয়। ফলে সরকার সংকটে পড়ে।

আগস্ট ২০২৫: থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালত প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রার বিরুদ্ধে নৈতিকতা লঙ্ঘনের অভিযোগে রায় দেন। এর ফলে তার প্রধানমন্ত্রিত্ব বাতিল হয়।

সেপ্টেম্বর ২০২৫: পরবর্তীতে সংসদের দ্বিতীয় বৃহৎ দল ভূমজাইথাই পার্টির নেতা আনুতিন চার্নভিরাকুল পিপলস পার্টির সঙ্গে জোট গঠন করে প্রধানমন্ত্রী হন। তবে শর্ত দেওয়া হয় সংসদ ভেঙে দিয়ে আগাম নির্বাচন আয়োজনের।

ডিসেম্বর ২০২৫: শর্ত অনুযায়ী সংসদ ভেঙে দেওয়া হলে থাইল্যান্ডে নতুন সাধারণ নির্বাচনের পথ উন্মুক্ত হয়।

কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে ধানক্ষেতে উদ্ধার সদ্যোজাত কন্যাশিশু

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৮:১০ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে ধানক্ষেতে উদ্ধার সদ্যোজাত কন্যাশিশু

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় ময়মনসিংহ–কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের পাশের ধানক্ষেত থেকে সদ্যোজাত এক কন্যাশিশুকে উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাত ৮টার দিকে উপজেলার ঈশ্বরগঞ্জ ইউনিয়নের খৈরাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর মহাসড়কের পাশের একটি ধানক্ষেত থেকে নবজাতকের কান্নার শব্দ শুনতে পান এক পথচারী। পরে বিষয়টি স্থানীয় অটোচালক হালিম মিয়াকে জানালে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে নতুন কাপড় পরিয়ে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং পুলিশকে খবর দেন।

খবর পেয়ে ঈশ্বরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে নবজাতকটিকে উদ্ধার করে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। উদ্ধারকালে শিশুটির শরীরে রক্তের চিহ্ন ছিল। চিকিৎসকদের ধারণা, শিশুটিকে জন্মের তিন থেকে চার ঘণ্টার মধ্যেই ধানক্ষেতে ফেলে রাখা হয়েছিল।

অটোচালক হালিম মিয়া জানান, সন্ধ্যা ৭টার দিকে শিশুটিকে ধানক্ষেতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। মানবিক কারণে তিনি শিশুটিকে নিজের বাড়িতে নিয়ে পরিচর্যা করেন এবং পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।

খবর পেয়ে উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা রহমান হাসপাতালে গিয়ে নবজাতকের খোঁজখবর নেন। তিনি শিশুটির চিকিৎসা, খাবার ও প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন। বর্তমানে নবজাতকটি সুস্থ রয়েছে।

ঈদ উপলক্ষে কটিয়াদীর সাড়ে ৪ হাজার পরিবারের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ শুরু

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩২ অপরাহ্ণ
ঈদ উপলক্ষে কটিয়াদীর সাড়ে ৪ হাজার পরিবারের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ শুরু

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলাজালালপুর ইউনিয়নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ভিজিএফ কর্মসূচির চাল বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের ৪ হাজার ৫৩৯টি কার্ডধারী দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে জনপ্রতি ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হবে।

এ উপলক্ষে জালালপুর ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডের জন্য মোট ৪৫ দশমিক ৩৯ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১২ মার্চ) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আগত ভিজিএফ কার্ডধারীদের মাঝে সুশৃঙ্খলভাবে জনপ্রতি ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল আলম রফিক, ট্যাগ অফিসারের দায়িত্বে থাকা কটিয়াদী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম রবিন, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা লিটন চন্দ্র পাল, কটিয়াদী প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব ও কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মাইনুল হক মেনু, ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মোহাম্মদ নাজমুল হক, প্যানেল চেয়ারম্যান আবদুল মতিন আসাদ, ইউপি সদস্য মো. দিদারুল ইসলাম, মো. শাহাদাৎ হোসেন, মো. খোকন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মনোয়ারা বেগমসহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা।

জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল আলম রফিক জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের ৪ হাজার ৫৩৯টি কার্ডধারী দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে জনপ্রতি ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। প্রথম দিনে ইউনিয়নের ১, ২, ৩, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কার্ডধারীদের মাঝে সুশৃঙ্খলভাবে চাল বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনে ৪, ৫, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কার্ডধারীদের মাঝে চাল বিতরণ করা হবে।

উন্নয়ন ও বরাদ্দের খোলামেলা হিসাব: নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইঙ্গিত

রেজাউল হক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
উন্নয়ন ও বরাদ্দের খোলামেলা হিসাব: নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইঙ্গিত

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, সরকারি বরাদ্দ এবং বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা করেছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। তার এই উদ্যোগ সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেক নাগরিক ও সাংবাদিক মনে করছেন, রাজনীতিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার একটি নতুন সংস্কৃতির সূচনা হতে পারে এমন উদ্যোগের মাধ্যমে।

সম্প্রতি এক লাইভ উপস্থাপনায় তিনি নিজের নির্বাচনী এলাকা কুমিল্লা–৪ (দেবিদ্বার) আসনের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, সরকারি বরাদ্দ এবং সেই অর্থ ব্যয়ের খাতসমূহ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। উন্নয়ন কার্যক্রমের বাস্তব অগ্রগতি, চলমান প্রকল্প এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি তথ্যভিত্তিক ব্যাখ্যা দেন।

এই উপস্থাপনা দেখে অনেক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মন্তব্য করেছেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে এমন স্বচ্ছ ও তথ্যসমৃদ্ধ উপস্থাপনা খুব কমই দেখা যায়। তাদের মতে, একজন জনপ্রতিনিধি যদি নিজেই তার এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পূর্ণ হিসাব জনগণের সামনে তুলে ধরেন, তাহলে ভোটারদের মধ্যে আস্থা বাড়ে এবং গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা শক্তিশালী হয়।

কিশোরগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও এনটিভির নিজস্ব প্রতিবেদক মারুফ আহমেদ তার ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণে  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেন, “হাসনাত আব্দুল্লাহর পুরো প্রেজেন্টেশনটি আমি মনোযোগ দিয়ে একাধিকবার দেখেছি। নিজের নির্বাচনী এলাকার চলমান উন্নয়ন প্রকল্প, সরকারি বরাদ্দ ও ব্যয়ের বিষয়ে তার পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা দেখে আমিও অনেক কিছু নতুন করে জানতে পেরেছি। এতে নিজের সংসদীয় এলাকা নিয়েও একইভাবে জানার আগ্রহ তৈরি হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন কার্যক্রমের অর্থ কোথা থেকে আসে, কীভাবে ব্যয় হয় এবং সেই কাজের অগ্রগতি কী—এসব তথ্য জানা সাধারণ ভোটারদের অধিকার। একজন জনপ্রতিনিধি যখন স্বেচ্ছায় এসব তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরেন, তখন তা গণতান্ত্রিক চর্চাকে শক্তিশালী করে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা দাবি-দাওয়া থাকলেও সেগুলোর বিস্তারিত আর্থিক হিসাব জনসমক্ষে খুব কমই উপস্থাপন করা হয়। ফলে সাধারণ মানুষ প্রকল্পের প্রকৃত অবস্থা বা বরাদ্দের পরিমাণ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পান না।

এই প্রেক্ষাপটে হাসনাত আব্দুল্লাহর তথ্যভিত্তিক উপস্থাপনাকে অনেকেই একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, একজন জনপ্রতিনিধি যদি তার এলাকার প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি, ব্যয় এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জনগণের সামনে তুলে ধরেন, তাহলে তা অন্য জনপ্রতিনিধিদের জন্যও একটি উদাহরণ হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, গণতন্ত্রে জনগণ শুধু ভোটার নয়, বরং রাষ্ট্রীয় সম্পদের মালিক। তাই জনগণের অর্থ দিয়ে পরিচালিত উন্নয়ন প্রকল্পের হিসাব জনগণের কাছে তুলে ধরা রাজনৈতিক দায়িত্বের অংশ।

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের মতে, যদি দেশের অন্যান্য সংসদ সদস্যরাও নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও সরকারি বরাদ্দের বিস্তারিত তথ্য এভাবে জনগণের সামনে উপস্থাপন করেন, তাহলে রাজনীতিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী হবে।

তাদের ভাষায়, “হাসনাত আব্দুল্লাহ হয়তো একটি নতুন ধারা শুরু করেছেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অন্যরাও যদি একইভাবে জনগণের সামনে তাদের কাজের হিসাব তুলে ধরেন, তাহলে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তনের সূচনা ঘটতে পারে।”