শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২

তামিমের বিশ্বরেকর্ডে দাপুটে জয় টাইগারদের

শাহীন আলম প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৯:২১ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
তামিমের বিশ্বরেকর্ডে দাপুটে জয় টাইগারদের

সিরিজের প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খেয়েছিল বাংলাদেশ। আয়ারল্যান্ডের কাছে হেরে লিটন দাসের দল পিছিয়ে পড়ে ১–০ ব্যবধানে। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে জিতেই সমতা ফেরায় টাইগাররা। আর শেষ ম্যাচে ব্যাটে–বলে দাপুটে পারফরম্যান্সে আইরিশদের উড়িয়ে সিরিজ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ।

চট্টগ্রামে টস জিতে আগে ব্যাট করে ১৯ ওভার ৫ বলে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১১৭ রান তোলে আয়ারল্যান্ড। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৮ রান আসে পল স্টার্লিংয়ের ব্যাট থেকে। জবাবে ১৩ ওভার ৪ বলেই ২ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।

ছোট লক্ষ্য তাড়ায় চমৎকার সূচনা করেন তানজিদ তামিম ও সাইফ হাসান। ওপেনিং জুটিতে দুজন মিলে যোগ করেন ৩৮ রান। ১৪ বলে ১৯ রান করে সাইফ ফিরলে ভাঙে সেই জুটি। তিনে নেমে ব্যর্থ হন অধিনায়ক লিটন দাস—৬ বল খেলে করেন মাত্র ৭ রান।

তবে তৃতীয় উইকেট জুটিতে দলের বিপর্যয় সামলে জয়ের পথ সহজ করে দেন তানজিদ তামিম ও পারভেজ ইমন। ফিল্ডিংয়ে দুর্দান্ত ছিলেন তামিম। একাই নিয়েছেন ৫টি ক্যাচ—টেস্ট খেলুড়ে দেশের মধ্যে আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টিতে এটি এক ম্যাচে কোনো ফিল্ডারের সর্বোচ্চ ক্যাচ ধরা। দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ের পর ব্যাট হাতে ৩৬ বলে অপরাজিত ৫৫ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ইমন অপরাজিত থাকেন ২৬ বলে ৩৩ রানে।

এর আগে শুরুতে বাংলাদেশের বোলিং ভালো হয়নি। প্রথম ওভারে মেহেদী হাসান দেন ১৩ রান। চতুর্থ ওভারের শেষ বলে শরিফুল ইসলামের শিকার হওয়ার আগে টিম টেক্টর ১৭ রান করেন। পঞ্চম ওভারের শেষে হ্যারি টেক্টরের সিঙ্গেলে পঞ্চাশে পৌঁছায় আয়ারল্যান্ড।

মুস্তাফিজুর রহমান বল হাতে এসেই দ্বিতীয় ডেলিভারিতে উইকেট নেন। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে অদ্ভুতভাবে আউট হন হ্যারি (৫)। ব্যাটে লেগে সামনে পড়া বল সরাতে গিয়ে পা ঠেকালেও শেষ পর্যন্ত স্টাম্পে লেগে যায়। মুস্তাফিজের ওই ওভারে আসে মাত্র ১ রান। পাওয়ার প্লে শেষে আয়ারল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ৫১।

ভালো শুরুর পরও মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি আইরিশরা। একপ্রান্তে স্টার্লিং লড়ে গেলেও অন্যপ্রান্তে ব্যাটারদের আসা–যাওয়ার মিছিল দেখা যায়। লরকান টাকার ও কুর্তিস ক্যাম্পার কেউই দুই অঙ্কে যেতে পারেননি। শেষদিকে জর্জ ডকরেল (১৯) ও গ্যারেথ ডেলানি (১০) কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও বড় ইনিংস খেলা হয়নি কারও।

পানি কমায় চালু হলো কিশোরগঞ্জের বালিখোলা ও শান্তিপুর ফেরি

শাহীন আলম প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
পানি কমায় চালু হলো কিশোরগঞ্জের বালিখোলা ও শান্তিপুর ফেরি

দীর্ঘ ছয় মাস বন্ধ থাকার পর শেষ পর্যন্ত চালু হয়েছে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ রক্ষায় নদীর ওপর স্থাপিত দুটি ফেরি।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে করিমগঞ্জ উপজেলার সূতারপাড়া ইউনিয়নের ধনু নদীতে বালিখলা ফেরি এবং মিঠামইন উপজেলা সদরসংলগ্ন ঘোড়াউত্রা নদীতে শান্তিপুর ফেরির চলাচল পুনরায় শুরু হয়।

ফেরি চলাচল উদ্বোধনের সময় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং ইজারাদারের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ জানায়, ফেরিগুলো মূলত শুকনো মৌসুমে চলাচল করে। প্রতি বছর প্রায় ছয় মাস হাওরের সাবমার্জিবল সড়ক পানির নিচে তলিয়ে থাকার কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। পানি নেমে সড়ক ভেসে উঠতেই ফেরি আবার চলতে শুরু করে।

এই রুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় করিমগঞ্জের বালিখলা হয়ে হাওরের তিন উপজেলার সঙ্গে জেলা সদরের যোগাযোগে স্বস্তি ফিরেছে। প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই পথ দিয়ে যাতায়াত করেন।

তাড়াইলে ডা. জেহাদ খানের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে দুই শতাধিক মানুষের চিকিৎসাসেবা

শাহীন আলম প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
তাড়াইলে ডা. জেহাদ খানের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে দুই শতাধিক মানুষের চিকিৎসাসেবা

দেশের প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও কিশোরগঞ্জ–৩ (করিমগঞ্জ–তাড়াইল) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক ডা. কর্নেল (অব.) জেহাদ খানের উদ্যোগে তাড়াইল–সাচাইল ইউনিয়নের পাইকপাড়ায় আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে স্থানীয় মানুষের ব্যাপক সাড়া মিলেছে।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকে পাইকপাড়া হোসাইনিয়া বাবুলউলুম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ ক্যাম্পে দুই শতাধিক নারী–পুরুষ মেডিসিন, হৃদরোগ, চর্মরোগ, গাইনি ও স্ত্রীরোগসহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, ‘এ ধরনের ক্যাম্পের কারণে এলাকার মানুষের জন্য চিকিৎসা পাওয়া সহজ হয়েছে। যারা সময়মতো ডাক্তার দেখাতে পারেন না, তারা আজ সুবিধা পেয়েছেন।’
চিকিৎসা নিতে আসা শাহানারা বেগম বলেন, ‘হৃদরোগের পরীক্ষা করতে আগে দূরে যেতে হতো। আজ ক্যাম্পে এসে চেকআপ করিয়ে স্বস্তি পেয়েছি।’

হাফিজুল ইসলাম জানান, তিনি দীর্ঘদিন চর্মরোগে ভুগছিলেন। ক্যাম্পে এসে চিকিৎসকদের কাছ থেকে সময় নিয়ে পরামর্শ নিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় ওষুধও পেয়েছেন।
রুবিনা আক্তার বলেন, ‘আমরা গ্রামের মানুষ। গাইনি সমস্যায় চিকিৎসা পেতে কষ্ট হত। আজ একদম বিনা খরচে সেবা পেয়েছি।’

ডা. কর্নেল (অব.) জেহাদ খানের নেতৃত্বে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন ডা. ফয়সাল আহমেদ। ক্যাম্পে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুসলেহ উদ্দিন সুমন, তাড়াইল উপজেলা আমির হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া, তাড়াইল–সাচাইল ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা আবু সাইদ, দিগদাইড় ইউনিয়ন সভাপতি শরিফুল, ধলা ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুল বাতেন, সাবেক সভাপতি খায়রুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতারা।
পুরো আয়োজনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন তাড়াইল উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মাওলানা রবিউল ইসলাম।

‘দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে দেশ, বাদ নেই কিশোরগঞ্জ–হোসেনপুর’ — হেদায়েতুল্লাহ হাদী

শাহীন আলম প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:১২ অপরাহ্ণ
‘দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে দেশ, বাদ নেই কিশোরগঞ্জ–হোসেনপুর’ — হেদায়েতুল্লাহ হাদী

কিশোরগঞ্জ–১ (সদর ও হোসেনপুর) আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হেদায়েতুল্লাহ হাদী বলেছেন, “দেশজুড়ে দুর্নীতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। আমার নির্বাচনী এলাকা কিশোরগঞ্জ এবং হোসেনপুরও এর বাইরে নয়। এমপি থেকে শুরু করে পৌরসভা, উপজেলা এমনকি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যপর্যন্ত দুর্নীতির বিস্তার দেখা যায়। এই দুর্নীতিবিরোধী লড়াইয়ের অংশ হিসেবেই আমি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি।”

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের জনশক্তি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাদী এ মন্তব্য করেন।

সভায় জেলা শাখার সভাপতি মুহাম্মদ মোকাররম হুসাইনের সভাপতিত্ব এবং সহসভাপতি মুহাম্মদ মুযাক্কির হুসাইনের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান।

প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ। বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মোল্লা মুহাম্মদ খালিদ সাইফুল্লাহ।

এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুল আহাদ, কেন্দ্রীয় আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক মুহাম্মাদ আশিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুহাম্মদ দিদারুল ইসলাম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মুহাম্মদ শাহরিয়ার আলম।