বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

সাংবাদিক আলিফ হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের আশ্বাস দিলেন তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
সাংবাদিক আলিফ হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের আশ্বাস দিলেন তথ্যমন্ত্রী

নেত্রকোণায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। তিনি বলেছেন, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান।

বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে ভোলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনলাইনে অপপ্রচার ও ভুয়া তথ্য ছড়ানো বন্ধের বিষয়ে ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমের মালিক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চলছে। সাইবারকেন্দ্রিক সংকট শুধু বাংলাদেশের নয়, এটি বৈশ্বিক সমস্যা বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে খুব শিগগিরই একটি সুসংগঠিত ও পরিপক্ব সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

সারাদেশে শারদীয় দুর্গোৎসবের সার্বিক পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, জাতীয়তাবাদী সরকার সব মতের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও সামাজিক সহাবস্থানে বিশ্বাসী। বাংলাদেশ এমন একটি সম্প্রীতির দেশ, যেখানে হিন্দু-মুসলিমসহ সব ধর্মের মানুষ আন্তরিকতার সঙ্গে পাশাপাশি বসবাস করেন এবং নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করেন।

তিনি বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে সব ধর্মের মানুষের নির্বিঘ্নে উৎসব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।

পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতারা, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সমাজের গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নির্বাচনের সুযোগ দিতে হবে: স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২০ অপরাহ্ণ
সমাজের গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নির্বাচনের সুযোগ দিতে হবে: স্পিকার

সমাজের গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করে গেছে, যেখানে সমাজের ভালো মানুষের পক্ষে নির্বাচনে অংশ নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমান সরকারের আমলে এ অবস্থার অবসান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে স্পিকার এসব কথা বলেন।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘নির্বাচনব্যবস্থার আমূল সংস্কার প্রয়োজন। সমাজের গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে নির্বাচনের সুযোগ দেওয়া উচিত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের বক্তব্য থেকে অনুধাবন করা যায়, আগামী নির্বাচনগুলো অবশ্যই সুষ্ঠু হবে। নির্বাচনগুলো নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হওয়া উচিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আশা করি, এ অবস্থার অবসান হবে। বর্তমান সরকার সবেমাত্র ক্ষমতায় এসেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল, কিন্তু নেয়নি।’

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সরাসরি যোগাযোগ থাকে। তাই এ স্তরের নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া জরুরি।

অতীতের নির্বাচনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো সুষ্ঠু হয়নি। তবে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের ওপর তাঁর আস্থা রয়েছে। তাঁর মতে, ইতিমধ্যে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অতীতের যেকোনো নির্বাচনের তুলনায় সুষ্ঠু হয়েছে।

এর আগে বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় নিজ সংসদীয় আসনে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্পিকার বলেছিলেন, ‘সমাজের নিকৃষ্ট যে লোকটা, সেটাই এমপি-মন্ত্রী হয়।’ তিনি জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের কর্মকাণ্ডের ওপর ভিত্তি করেই তিনি এ মন্তব্য করেছেন।

ভোলার প্রাকৃতিক গ্যাস নিয়েও কথা বলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, দ্বীপজেলা ভোলা প্রাকৃতিক গ্যাসে সমৃদ্ধ। আপাতদৃষ্টিতে দেশের মোট গ্যাসের মজুতের সমপরিমাণ গ্যাস ইতিমধ্যে ভোলায় পাওয়া যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। সেখানে আরও বিপুল গ্যাসের ভাণ্ডার রয়েছে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

স্পিকার বলেন, ভোলার গ্যাস কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে সরকার এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। এ বিষয়ে সরকার বিদেশে যোগাযোগ করছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সহজ সম্ভাবনা ভোলাতেই রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ভোলার গ্যাস ভোলাবাসীর ন্যায্য অধিকার।’

এ সময় ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ কাওছার, জেলা পরিষদের প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীর, ভোলা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রাইসুল আলমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কুমিল্লায় নিখোঁজের তিন দিন পর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১১ অপরাহ্ণ
কুমিল্লায় নিখোঁজের তিন দিন পর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

কুমিল্লার দেবীদ্বারে নিখোঁজের তিন দিন পর ডোবা থেকে আব্দুল খালেক (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার ধামতী ইউনিয়নের দক্ষিণখার গ্রামের আলী আজ্জমের বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত আব্দুল খালেক ওই গ্রামের মৃত জুনাব আলীর ছেলে। তাঁর বাবার নাম জমিরউদ্দীন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে পথচারীরা আলী আজ্জমের বসতঘরের পাশের ডোবায় মানুষের মতো কিছু একটা ভাসতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে দেবীদ্বার থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। দেবীদ্বার থানার ওসি (তদন্ত) ইমাম হাসান ও উপপরিদর্শক (এসআই) সাগর বড়ুয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল উদ্ধারকাজে অংশ নেয়।

নিহতের ছেলে সোহাগ মিয়া মরদেহটি তাঁর বাবার বলে শনাক্ত করেন। তিনি জানান, গত সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাঁর বাবা নশু মার্কেটে গ্রাম্য চিকিৎসক আলমের ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হন। তিন দিন পর বৃহস্পতিবার তাঁর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হলো।

দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, মরদেহ উদ্ধারের সময় আব্দুল খালেকের হাতের মুঠোয় একটি টর্চলাইট পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি ডোবায় পড়ে মারা যেতে পারেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

পুলিশ মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

কিশোরগঞ্জে জামায়াতের রুকন সম্মেলন, গোপন ব্যালটে আমির নির্বাচন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০৭ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে জামায়াতের রুকন সম্মেলন, গোপন ব্যালটে আমির নির্বাচন

কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর রুকন সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে আগামী দুই বছরের জন্য জেলা আমির নির্বাচনে গোপন ব্যালটে ভোট দিয়েছেন সংগঠনটির আট শতাধিক পুরুষ ও নারী রুকন (সদস্য)। তবে ভোটগ্রহণ শেষে তাৎক্ষণিকভাবে ফল ঘোষণা করা হয়নি। কেন্দ্রীয়ভাবে পরবর্তী সময়ে ফলাফল ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় কিশোরগঞ্জের নেহাল গ্রিন পার্কের মিলনায়তনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াতের আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য অধ্যাপক মো. রমজান আলী। সম্মেলন পরিচালনা করেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা নাজমুল ইসলাম।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য কর্নেল (অব.) ডা. জেহাদ খান, জেলা জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা অধ্যক্ষ মো. তৈয়বুজ্জামান ও অধ্যাপক আব্দুস সালাম, জেলা নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আজিজুল হক, ঢাকা মহানগরী উত্তরের শূরা সদস্য অ্যাডভোকেট রোকন রেজা শেখ এবং ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ওয়ারী থানা জামায়াতের আমির মাহবুবুর রহমান মাহফুজ। এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও সাংগঠনিক থানা শাখার দায়িত্বশীল নেতারা সম্মেলনে অংশ নেন।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরুর আগে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন অধ্যাপক মো. রমজান আলী। পরে দলীয় নিয়ম অনুযায়ী তিনি নির্বাচন পরিচালকদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন এবং সভাপতির আসন ছেড়ে সাধারণ রুকনদের সারিতে বসেন। এরপর আট শতাধিক পুরুষ ও নারী রুকন গোপন ব্যালটে জেলা আমির নির্বাচনে ভোট দেন। ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।

নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কাজী সাইফুল্লাহ। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সহকারী সেক্রেটারি শামসুল আলম সেলিম ও মাওলানা এস এম ইউসূফ।

সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ছাড়া জাতির ভাগ্যের পরিবর্তন হবে না। তাঁর দাবি, গত ১৭ বছরে জামায়াতে ইসলামী সবচেয়ে বেশি জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর একটি বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী জুলাই সনদে বিশ্বাস করে না—এমন বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও এরশাদের শাসনামলে বিভিন্ন সময়ে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

১৯৯৬ সালের রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর কোনো জোট হয়নি; বরং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে দল দুটি একসঙ্গে আন্দোলন করেছিল।

তিনি আরও বলেন, জনগণ প্রতারণার জবাব দেবে। জামায়াতে ইসলামী সরকার পরিচালনার সুযোগ পেলে বিএনপির চেয়ে ‘৫০ গুণ ভালোভাবে’ দেশ পরিচালনা করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। আগামী দিনে জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন দলটির এই কেন্দ্রীয় নেতা।