বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২ ১৪৩২

কুয়েতের চাকরির নামে প্রতারণা: জাল ভিসায় সর্বস্ব হারাল পাঁচ পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:০০ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কুয়েতের চাকরির নামে প্রতারণা: জাল ভিসায় সর্বস্ব হারাল পাঁচ পরিবার

কুয়েতের চাকরির ভিসা পাওয়ার আশায় জমি বিক্রি করেছেন, ধারদেনা করেছেন, সাজিয়েছেন স্বপ্ন। কিন্তু সবকিছু শেষ হয়ে গেছে এক দালালের প্রতারণায়। জাল ভিসার ফাঁদে পড়ে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার লাইমপাশা গ্রামের পাঁচ দিনমজুর পরিবার হারিয়েছে মোট সাড়ে ৩২ লাখ টাকা। বর্তমানে পরিবারগুলো চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে।

ভুক্তভোগীরা হলেন—শরীফ মিয়া, মোশাররফ হোসেন, বাবলু মিয়া, লুসা মিয়া ও সানাউল করিম। করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের দালাল হেলাল উদ্দিন সাধি তাদের কুয়েতের একটি অয়েল কোম্পানিতে চাকরির প্রলোভন দেখান। তার কথায় বিশ্বাস করে একে একে তারা সাড়ে ৩২ লাখ টাকা তুলে দেন।

হেলাল উদ্দিন প্রথমে তাদের কিশোরগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে তিন দিনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। পাশাপাশি জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসে ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়া হয়। এতে ভুক্তভোগীরা নিশ্চিত হন, সবকিছু বৈধভাবেই হচ্ছে।

গত ৭ জুলাই কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া এলাকার কানিকাটা এলাকায় হেলালের ভাড়া বাসায় তাকে নগদ টাকা পরিশোধ করা হয়। এরপর থেকেই শুরু হয় তাদের দুঃস্বপ্ন।

সময় গড়ানোর পর তারা জানতে পারেন, ভিসাগুলো সম্পূর্ণ জাল। কুয়েতে তাদের জন্য কোনো চাকরি নেই। টাকা ফেরত চাইলে হেলাল তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। অভিযোগ রয়েছে, টাকা চাইতে গেলে উল্টো হামলার শিকার হন ভুক্তভোগীরা। এক ঘটনায় হেলালের ছেলে রিয়ান প্রভাব খাটিয়ে শরীফ মিয়াকে মারধর ও জোরপূর্বক টাকা ছিনিয়ে নেন। এমনকি ডিবি পুলিশের ভয় দেখানোর অভিযোগও উঠেছে।

ভিসার কপি যাচাই করে প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হলে পাঁচ পরিবার চরম হতাশায় ভেঙে পড়ে। বিদেশে যাওয়ার আশায় জমি, গরু-ছাগল বিক্রি ও ধারদেনা করে তারা এখন পুরোপুরি নিঃস্ব।

ভুক্তভোগী শরীফ মিয়া বলেন,
“জীবনের সব সঞ্চয় দিয়ে ভিসা নিয়েছিলাম। এখন ঘরে খাবার নেই। পরিবার না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। টাকা না পেলে বাঁচার আর কোনো পথ নেই।”

অপর ভুক্তভোগী মোশাররফ হোসেন বলেন,
“হেলালকে বিশ্বাস করাই ছিল আমাদের সবচেয়ে বড় ভুল। আমরা গরিব বলে এখন কেউ আমাদের কথা শুনছে না।”

বাবলু মিয়া বলেন,
“সরকারি প্রশিক্ষণ ও ফিঙ্গার নেওয়ায় বুঝতেই পারিনি প্রতারণা হচ্ছে। এখন সব শেষ।”

লাইমপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সাইদুর রহমান বলেন,
“এই পাঁচ পরিবার পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে গেছে। তাদের সামনে আর দাঁড়ানোর কোনো পথ নেই।”

এদিকে অভিযুক্ত হেলাল উদ্দিন সাধি পলাতক রয়েছেন। তার ছেলে রিয়ানের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি ‘রং নম্বর’ বলে ফোন কেটে দেন।

কিশোরগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ জাভেদ রহিম বলেন,
“পাসপোর্ট থাকলেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ভিসা যাচাই আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। কেউ এই সুযোগ নিয়ে প্রতারণা করলে তা আমাদের জানার উপায় নেই।”

জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের কর্মকর্তা আলী আকবর বলেন,
“ভিসা যাচাই করা আমাদের কাজ নয়। আমরা শুধু ফিঙ্গারপ্রিন্ট গ্রহণ করি। প্রতারণার শিকার হলে অভিবাসন আইনে মামলা করাই করণীয়।”

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ণ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন বাসসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত বছরের ১৩ জুন যুক্তরাজ্যের লন্ডন সফরকালে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তারেক রহমানের প্রথম একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সে সময় তারেক রহমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছিলেন। লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেলে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকের পর উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা যৌথ বিবৃতি দেন।

যুক্তরাজ্যে ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। এরপর গত ৩০ ডিসেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তীতে ৯ জানুয়ারি বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেন তারেক রহমান। বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে তাঁকে দলের সর্বোচ্চ পদে নির্বাচিত করা হয়।

বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আজই প্রথমবারের মতো অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন তারেক রহমান।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে সংস্কার ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন প্রশ্নে একটি গণভোটও অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

জানা গেছে, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠকে দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে আপিল শুনানি: ষষ্ঠ দিনের কার্যক্রম শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ণ
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে আপিল শুনানি: ষষ্ঠ দিনের কার্যক্রম শুরু

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল শুনানির ষষ্ঠ দিনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনের অডিটোরিয়ামে এই শুনানি শুরু হয়।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আজ ক্রমিক নম্বর ৩৮১ থেকে ৪৮০ পর্যন্ত আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে পূর্ণাঙ্গ কমিশন দুপুরে এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই শুনানি গ্রহণ করবেন।

এর আগে গতকাল বুধবার শুনানির পঞ্চম দিনে ১০০টি আপিলের শুনানি শেষে ৭৩টি মঞ্জুর, ১৭টি নামঞ্জুর এবং ১০টি আপিল অপেক্ষমাণ রাখা হয়।

ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, গত পাঁচ দিনে (শনিবার থেকে বুধবার) মোট ৩৮০টি আপিলের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ২৭৭টি আপিল মঞ্জুর করা হয়েছে। নামঞ্জুর বা বাতিল হয়েছে ৮১টি। আর বিভিন্ন কারণে অপেক্ষমাণ রয়েছে ২৩টি আপিল।

কমিশনের সময়সূচি অনুযায়ী, আগামীকাল ১৬ জানুয়ারি (শুক্রবার) জুমার নামাজের পর বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ৪৮১ থেকে ৫১০ নম্বর এবং অপেক্ষমাণ আপিলের শুনানি হবে। এরপর ১৭ জানুয়ারি (শনিবার) ৫১১ থেকে ৬১০ নম্বর এবং ১৮ জানুয়ারি (রোববার) শেষ দিনে ৬১১ থেকে ৬৪৫ নম্বর ও অবশিষ্ট অপেক্ষমাণ আপিল নিষ্পত্তির মধ্য দিয়ে এই কার্যক্রম শেষ হবে।

এবারের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাতিল ও গ্রহণের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে মোট ৬৪৫টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে।

গত ৪ জানুয়ারি বাছাইয়ের শেষ দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩শ’ নির্বাচনী এলাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তা বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মোট ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৭২৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করেন।

হোসেনপুরে ওয়াজ মাহফিলে জনসমুদ্র: হেলিকপ্টারে আসলো বক্তা

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:২৪ পূর্বাহ্ণ
হোসেনপুরে ওয়াজ মাহফিলে জনসমুদ্র: হেলিকপ্টারে আসলো বক্তা

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার গাবরগাঁও ঐতিহাসিক শাহী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৬) অনুষ্ঠিত হয়েছে ৭ম বার্ষিক বিশাল ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল। দিনব্যাপী এই ধর্মীয় আয়োজন ঘিরে সৃষ্টি হয় অভূতপূর্ব জনসমাগম। হোসেনপুর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লির উপস্থিতিতে পুরো এলাকা রূপ নেয় এক বিশাল ধর্মীয় মিলনমেলায়।

মাহফিলের অন্যতম আকর্ষণ ছিল দেশের জনপ্রিয় ইসলামী বক্তাদের অংশগ্রহণ। বিশেষ করে নন্দিত ওয়ায়েজ মুফতি শাহ্ আহমাদুল্লাহকে হেলিকপ্টারে করে মাহফিল প্রাঙ্গণে আনা হয়, যা উপস্থিত মুসল্লিদের মাঝে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রবাসী সমাজের সহায়তায় এবং বিশেষ উদ্যোগে এই ব্যবস্থার আয়োজন করা হয়েছে।

মাহফিলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সৌদি আরব আলরুইস কমিটির সভাপতি এবং হোসেনপুর উপজেলার ১নং জিনারী ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ আজহারুল ইসলাম। স্থানীয়রা জানান, তাঁর সার্বিক সহযোগিতা, অর্থায়ন ও তত্ত্বাবধানেই এত বড় পরিসরে শান্তিপূর্ণভাবে মাহফিল আয়োজন সম্ভব হয়েছে।

সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া মাহফিলে দিনের বেলায় প্রধান বক্তা হিসেবে বয়ান পেশ করেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও শাইখুল হাদিস আল্লামা মুফতি সায়্যিদ ড. মুহাম্মদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী ওয়া সিদ্দিকী (পীর সাহেব, জৈনপুরী)। তিনি কোরআন-হাদিসের আলোকে ঈমান, তাকওয়া ও নৈতিক জীবন গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সকাল ১১টায় বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে বয়ান রাখেন মুফতি শাহ্ আহমাদুল্লাহ (খতিব, রূপায়ন টাউন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, নারায়ণগঞ্জ)। তাঁর হৃদয়স্পর্শী বক্তব্যে মুসল্লিদের মাঝে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয় এবং অনেকে আত্মশুদ্ধির আহ্বানে সাড়া দেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহেষকুড়া আলিম মাদরাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ক্বারী মোঃ আঃ হালিম উদ্দিন। বিশেষ আলোচক হিসেবে বয়ান রাখেন গাবরগাঁও শাহী জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি আলী হুসাইন নূরী এবং বাজিতপুরের নাজিম ভূঁইয়া জামে মসজিদের খতিব মুফতি আবু বকর হোসেনপুরী।

মাহফিলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন মোঃ মামিনুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মুফতি নোমান বিন আব্দুল হাই ও মাওলানা মোঃ মাজহারুল ইসলাম শফিকুল।

শেষ পর্বে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। আয়োজক কমিটি মাহফিল সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন এবং অংশগ্রহণকারী সকল মুসল্লি ও সহযোগীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।