বাজিতপুর থানায় ওপেন হাউজ ডে: নির্বাচনের আগে মাদক ও অবৈধ অস্ত্র দমনের দাবি
কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর থানার উদ্যোগে ‘ওপেন হাউজ ডে’ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাজিতপুর সার্কেলের অতিরিক্ত সহকারী পুলিশ সুপার তৃপ্তি মণ্ডল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাজিতপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ এবং বাজিতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম শহিদুল্লাহ।
এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন বাজিতপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সভাপতি এহেসান কুফিয়া, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহ আলম, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জসিম মাহমুদ জসিম, জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মোবারক উল্লাহ, উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি ও দৈনিক মানবজমিন প্রতিনিধি হোসেন মাহবুবুর কামাল, সহ-সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমদ মানিক, এনসিপির আহ্বায়ক রাহাগীব আলম মান্না, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মুর্তজা আলী জাহাঙ্গীর, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাহরিয়ার শামীমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বাজিতপুর উপজেলায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান জোরদার করতে হবে। তারা অভিযোগ করেন, বর্তমানে এলাকায় মাদকের প্রভাব বেড়ে যাওয়ায় যুবসমাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যুবসমাজকে রক্ষায় প্রশাসনের কঠোর ভূমিকার পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন।
বাজিতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম শহিদুল্লাহ তার বক্তব্যে মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশকে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন বলেন, “দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে স্বৈরাচারী শাসনে জনগণ অবহেলিত ছিল। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ঐক্য দেশকে রক্ষা করেছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাতে জনগণ সুষ্ঠুভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, সে জন্য রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।”
অনুষ্ঠান শেষে বক্তারা বলেন, ওপেন হাউজ ডে-এর মাধ্যমে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।







