সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩

কিশোরগঞ্জ-১ আসনে দেয়ালঘড়ি ও রিক্সা উভয় প্রার্থী সক্রিয়, জোট সমর্থন নিয়ে মাঠ গরম

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:১৯ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কিশোরগঞ্জ-১ আসনে দেয়ালঘড়ি ও রিক্সা উভয় প্রার্থী সক্রিয়, জোট সমর্থন নিয়ে মাঠ গরম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনে দুটি ইসলামী দলের মনোনীত প্রার্থীরা মাঠে সক্রিয়ভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন। খেলাফত মজলিসের দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী শায়খুল হাদিস মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী বলেন, তিনি নির্বাচন থেকে সরে যাননি এবং অপপ্রচারকে অস্বীকার করেছেন। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কিশোরগঞ্জ শহরের পুরানথানাস্থ দলের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিসের জেলা সহ-সভাপতি মো. মজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা এমদাদুল্লাহ, সহ-সাধারণ সম্পাদক শামিম আহমদ, প্রচার সম্পাদক মাসউদুল হাসান, বায়তুল মাল সম্পাদক অলিউর রহমান, সদর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মুফতি মাও শফিকুল ইসলাম খান, শহর শাখার সহ-সভাপতি আব্দুল হাফিজ, জেলার সমাজকল্যাণ সম্পাদক আহমদ ফারুক, শ্রমিক মজলিসের জেলা সভাপতি মাওলানা শরীফুল ইসলাম ফরহাদ প্রমুখ।

মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী যশোদল ইউনিয়নের কালিকাবাড়ী গ্রামের পৈতৃক নিবাসী। যদিও তাঁর কর্মজীবনের বড় অংশ ঢাকায় কেটেছে। দাওয়াতি ও শিক্ষা কার্যক্রম এবং মিডিয়া কেন্দ্রিক দায়িত্বের পাশাপাশি নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক গভীর। ভোটাররা তার কাছে একজন দায়িত্বশীল আলেম হিসেবে সংসদে পাঠানোর জন্য প্রস্তুত। সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রধানত তার বড় ছেলে আবু হানিফা নুমানের ২০১৩ সালে গুম হওয়া এবং ২০১৪–২০১৫ সালে কারাবরণ ও নির্যাতনের ঘটনাগুলো এখনো গভীর প্রভাব ফেলছে।

অন্যদিকে, ১১ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর চূড়ান্ত সমর্থন নিয়ে রিকশা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি হেদায়াতুল্লাহ হাদীও নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ মোসাদ্দেক ভূঁইয়াকে প্রত্যাহার করে মুফতি হেদায়াতুল্লাহকে একক প্রার্থী হিসেবে সমর্থন দেওয়া হয়েছে।

মুফতি হেদায়াতুল্লাহ হাদী জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের সকল শরিক দল সমন্বিতভাবে তাঁর পক্ষে প্রচারণা চালাবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমীর মাওলানা ক্বারী নজরুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের সদর উপজেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল মোমেন শেরজাহান, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব রেজাউল হাসনাত নাহিদ, সহ সাংগঠনিক কর্মকর্তা ফয়সাল প্রিন্সসহ স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কিশোরগঞ্জ-১ আসনে ইসলামী দলগুলোর মধ্যে সমন্বয় এবং বাস্তবভিত্তিক ঐক্য তৈরি না হলে দুই প্রার্থীই শক্ত অবস্থান হারাবেন।

উদ্ধারকৃত চোরাই মোবাইল হস্তান্তর জেলা পুলিশের

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
উদ্ধারকৃত চোরাই মোবাইল হস্তান্তর জেলা পুলিশের

কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ গত এক মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করা প্রায় ৫০টি চোরাই মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেছে। সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ১১টায় জেলা পুলিশ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব মোবাইল হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কিশোরগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার ড. এস. এম. ফরহাদ হোসেন। তিনি বলেন, প্রযুক্তির সহায়তায় চোরাই মোবাইল উদ্ধারে জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।

পুলিশ সুপার এ ধরনের সফল অভিযানে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট সকল পুলিশ সদস্যকে ধন্যবাদ জানান। বিশেষ করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) এর নেতৃত্বে পরিচালিত কার্যক্রমের প্রশংসা করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভুক্তভোগীরা তাদের হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মুকিত সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান তালুকদারসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য সদস্য এবং উদ্ধার হওয়া মোবাইলের প্রকৃত মালিকরা।

লিবিয়ার উপকূলে বাংলাদেশিসহ ১৭ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ
লিবিয়ার উপকূলে বাংলাদেশিসহ ১৭ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির পশ্চিমাঞ্চলীয় উপকূল থেকে গত কয়েক দিনে অন্তত ১৭ জন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

রোববার (১৯ এপ্রিল) লিবিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ‘ইমার্জেন্সি মেডিসিন অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টার’ (Emergency Medicine and Support Center) এ তথ্য নিশ্চিত করে। সংস্থাটি জানায়, ত্রিপোলি থেকে প্রায় ১১৭ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত Zuwara Coast এলাকা থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত ১৭ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত একজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে, যিনি বাংলাদেশের নাগরিক। তার মরদেহ ত্রিপোলিতে বসবাসরত পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বাকি মরদেহগুলোর মধ্যে ১৪ জনকে যথাযথ ধর্মীয় ও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দাফন করা হয়েছে। অন্য দুই জনের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। সংস্থাটি তাদের ফেসবুক পেজে উদ্ধার অভিযানের কিছু ছবি প্রকাশ করেছে, যেখানে স্বাস্থ্যকর্মীদের মরদেহ উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সে তুলতে দেখা যায়।

লিবিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার পথে নৌকাডুবি অথবা দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রায় খাদ্য ও পানির সংকটের কারণে এসব অভিবাসীর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে লিবিয়া ইউরোপগামী অবৈধ অভিবাসীদের জন্য একটি প্রধান ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশসহ এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের হাজারো মানুষ উন্নত জীবনের আশায় দালালচক্রের মাধ্যমে এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ বেছে নিচ্ছেন। প্রতিবছরই এই রুটে বহু অভিবাসীর প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।

আগামীকাল শুরু এসএসসি, কিশোরগঞ্জে কালবৈশাখীর বিদ্যুৎ সংকটে দুশ্চিন্তায় পরীক্ষার্থীরা

রেজাউল হক প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ণ
আগামীকাল শুরু এসএসসি, কিশোরগঞ্জে কালবৈশাখীর বিদ্যুৎ সংকটে দুশ্চিন্তায় পরীক্ষার্থীরা

“এসো হে বৈশাখ, এসো এসো”—এই আহ্বানে নতুন বছরকে বরণ করলেও ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের শুরুতেই কিশোরগঞ্জবাসীর জীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ। বিশেষ করে আসন্ন এসএসসি পরীক্ষাকে সামনে রেখে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে পড়েছে জেলার হাজারো শিক্ষার্থী।

আগামীকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সারাদেশে শুরু হতে যাচ্ছে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। এর ঠিক আগে টানা ৩–৪ দিন ধরে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন গ্রামীণ জনপদের মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

জানা গেছে, বাংলা নববর্ষের প্রথম রাতেই কিশোরগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যায়। এতে পল্লী বিদ্যুতের লাইনের ওপর গাছ পড়ে অসংখ্য স্থানে তার ছিঁড়ে যায়। কোথাও ভেঙে পড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটি, কোথাও লাইনের ওপর পড়ে থাকে গাছগাছালি।

এর ফলে জেলার কিশোরগঞ্জ সদর, হোসেনপুর, পাকুন্দিয়া, কটিয়াদী, করিমগঞ্জ, তাড়াইল, নিকলী, বাজিতপুর, ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন থাকে।

প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ফ্রিজে রাখা পচনশীল খাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, দেখা দিয়েছে তীব্র পানির সংকট। মোবাইল ফোনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি চার্জের অভাবে অচল হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানান, দিনের বেলা তীব্র গরমে ঘরে থাকা দায় হয়ে পড়েছে, আর রাতের অন্ধকারে বাড়ছে চুরি ও নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কা।

সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। বিদ্যুৎ না থাকায় তাদের প্রস্তুতিতে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে।

সদর উপজেলার মহিনন্দ ইউনিয়নের বাসিন্দা বিল্লাল হোসেন বলেন, “আমাদের এলাকায় তিন দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই। পানির সংকটও তীব্র। আমার ছোট বোন এসএসসি পরীক্ষার্থী—পড়াশোনার ক্ষতি হওয়ায় তাকে শহরে আত্মীয়ের বাসায় পাঠিয়েছি।”

হোসেনপুরের আল-আমীন বলেন, “আমার ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থী। বিদ্যুৎ না থাকায় পড়াশোনায় সমস্যা হচ্ছে। মোমবাতি বা হারিকেনে পড়া এখনকার ছেলেমেয়েদের জন্য খুব কষ্টকর।”

এসএসসি পরীক্ষার্থী মুকিম বলেন, “মোমবাতির আলোয় পড়তে খুব অসুবিধা হয়। সামনে পরীক্ষা—এভাবে প্রস্তুতি নেওয়া কঠিন।”

অন্য পরীক্ষার্থী সানজিদা জানায়, “ছোটবেলা থেকে কখনো হারিকেন দেখিনি। মোমবাতি দিয়ে পড়লে বাইরের বাতাসে আলো দুলে যায়, তাই বাবা হারিকেন নিয়ে আসছে। দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদ্যুৎ চলে গেলে যখন আইপিএস লাইটের চার্জ শেষ হয়ে যায়, তখন তা ব্যবহার করি।”

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জেসমিন আক্তার জানান, “এ বছর জেলায় ৭৫টি কেন্দ্রে প্রায় ৩০ হাজার পরীক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।”

গাইটাল এলাকার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান জানান, “আমার মেয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী। শনিবার আমি পিডিবির লাইন ব্যবহার করলেও পল্লী বিদ্যুতের মতো আমার বাসায় বিদ্যুৎ ছিল না। কিন্তু আমার পাশের মহল্লাতেই বিদ্যুৎ ছিল। ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনা ও বাসার ভাড়াটিয়াসহ সবাই পানির কষ্টে ছিলাম।”

কিশোরগঞ্জ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, “কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতের কারণে বিদ্যুৎ লাইনে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে শনিবার যশোদল সাব-স্টেশনের ৩৩ কেভি ব্রেকার নষ্ট হওয়ায় অনেক এলাকা দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন ছিল।”

তিনি আরও বলেন, “এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিষয়টি আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। প্রকৃতির ওপর নিয়ন্ত্রণ না থাকলেও আমাদের সক্ষমতার মধ্যে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”

কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. আতিকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, “পহেলা বৈশাখের রাতে ঝড়ে লাইনের ওপর গাছ পড়ে তার ছিঁড়ে যাওয়ায় সমস্যা তৈরি হয়। পরবর্তী ঝড়েও কিছু ক্ষতি হয়েছে। দ্রুত সংস্কারকাজ চালিয়ে অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়েছে। নতুন করে ক্ষতি হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, “পরীক্ষার্থীরা আমাদেরই সন্তান। তাদের কথা বিবেচনায় রেখে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”

এসএসসি পরীক্ষার ঠিক আগে এমন বিদ্যুৎ সংকটে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। দ্রুত বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।