নিকলীতে স্বাস্থ্য অব্যবস্থাপনা চরমে
কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায় সাতটি ইউনিয়নে বসবাস করেন দুই লাখের বেশি মানুষ। তাদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এলাকায় মোট ১৯টি কমিউনিটি ক্লিনিক থাকলেও এর মধ্যে ১৭টির অবস্থা এখন নাজুক। পুরাতন ও ফাটলধরা ভবনে বছরের পর বছর দায়িত্ব পালন করছেন সিএসসিপি স্বাস্থ্য সহকারীরা, যা সরাসরি ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করেছে।
হাওর অঞ্চলের হওয়ায় নিকলীর ক্লিনিকগুলো দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের যথাযথ নজরদারি না থাকার কারণে যেমন সময়মতো সংস্কার হচ্ছে না, তেমনিভাবে জনপ্রতিনিধিদের দিক থেকেও তেমন উদ্যোগ নেই।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী এক মাসের জন্য ঔষধ পাওয়ার কথা থাকলেও ১০–১৫ দিনের মধ্যেই তা শেষ হয়ে যায় বলে অভিযোগ করেছেন সেবা গ্রহণকারীরা। ঔষধ না পেয়ে অনেক রোগী ক্লিনিক থেকে ব্যাংকবিহীন হাতে বাড়ি ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন।
শিংপুর ইউনিয়নের ডুবি কমিউনিটি ক্লিনিক এবং ঘোড়াদিঘা কমিউনিটি ক্লিনিকে জনবল সংকট তীব্র। ফলে ওই এলাকার অসংখ্য মানুষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন না।
এ বিষয়ে নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মন্তব্য জানতে বারবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।




