কিশোরগঞ্জে ৩০ বিএনপি নেতার পর ২৭ যুবদল নেতা বহিষ্কার
কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী–বাজিতপুর) সংসদীয় আসনে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপির ৩০ নেতাকে বহিষ্কারের পর তৃতীয় ধাপে নিকলী ও বাজিতপুর উপজেলার ২৭ জন যুবদল নেতাকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় যুবদল।
বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন নিকলী উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান এবং বাজিতপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. মোস্তফা আলী জাহাঙ্গীরসহ মোট ২৭ জন নেতা।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের নির্দেশে এ বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদার ধানের শীষ প্রতীকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে এবং বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের হাঁস প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় সংশ্লিষ্ট নেতাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিকলী ও বাজিতপুর উপজেলার ১৩ জন বিএনপি নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রকাশ করা হয়, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরও আগে, গত ২৬ জানুয়ারি একই দুই উপজেলার ১৭ জন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
আসন্ন সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে এ পর্যন্ত মোট ৩০ জন বিএনপি নেতা এবং তৃতীয় ধাপে ২৭ জন যুবদল নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মতে, স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নেওয়া শতাধিক দলীয় নেতার মধ্যে বহিষ্কারের আতঙ্ক বিরাজ করলেও অনেকে এখনো স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের হাঁস প্রতীক নিয়ে মাঠে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয় নেতারা ধারণা করছেন, নির্বাচনের আগে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কৃত নেতার সংখ্যা ৫৭ ছাড়িয়ে শতাধিক হতে পারে।







