মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

মহানবমীতে তিন নগরীর পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০১ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
মহানবমীতে তিন নগরীর পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে ঢাকা থেকে রংপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সামরিক বিমানে যাত্রা করেন তিনি। দিনভর রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে রাতে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তাঁর।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সফরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী রংপুরের রাধা গোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন। সেখানে পূজারি ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরে ধর্মীয় সম্প্রীতি, উৎসবের নিরাপত্তা এবং সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রেস সচিব বলেন, ‘এই সরকারের নীতি—ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।’ সারা দেশে নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজা উদ্‌যাপনের জন্য সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে বলেও জানান তিনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, পূজার বরাদ্দ ও ছুটি বাড়ানোর পাশাপাশি পূজামণ্ডপগুলোতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

সফরসূচি অনুযায়ী, সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছে সেখান থেকে রংপুরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। রাধা গোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সৈয়দপুর থেকে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

রাজশাহীতে পৌঁছে একটি মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সার্কিট হাউসে যাত্রাবিরতি করবেন তিনি। বিকেল ৩টায় হাজী মুহাম্মদ মুহসীন সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে একটি জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। জনসভা শেষে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

সফরসূচি অনুযায়ী, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চট্টগ্রামের জেএম সেন হল–রহমতগঞ্জ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন তিনি। সেখানে পূজারি ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর সার্কিট হাউসে যাত্রাবিরতি করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে রাত ৭টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। রাত ৯টা ১৫ মিনিটে তেজগাঁও বিমানবন্দরে অবতরণের মধ্য দিয়ে সফর শেষ হওয়ার কথা।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

এ ছাড়া সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধা, হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সহসভাপতি ও সংসদ সদস্য নিপুল রায় চৌধুরী, বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুণ্ড, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

এর আগে ঢাকার মহাখালী ও বনানীর পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সে সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান।

মঙ্গলবার মহানবমী উদ্‌যাপিত হচ্ছে। আগামীকাল বুধবার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব। উৎসবের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফরে পূজারিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সব ধর্মের মানুষের নিরাপদে ধর্মীয় উৎসব পালনের অধিকার নিশ্চিত করার বার্তা গুরুত্ব পাবে।

বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক জোরদারে বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩২ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক জোরদারে বৈঠক

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এবং ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে তাঁদের মধ্যে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিসর বাড়ানো, শিক্ষা ও গবেষণায় যৌথ উদ্যোগ এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়িয়ে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরির ওপরও গুরুত্ব দেন উভয় পক্ষ।

এ সময় পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ‘নলেজ করিডোর’ প্রকল্পের চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে জামায়াত আমিরকে অবহিত করেন। শিক্ষা ও গবেষণায় দুই দেশের সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনাও আলোচনায় উঠে আসে।

বৈঠকে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রাখা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তাঁরা।

আলোচনায় বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় গুরুত্ব পেলেও এসব বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট চুক্তি স্বাক্ষর বা নতুন সিদ্ধান্তের তথ্য জানানো হয়নি।

পরিবারের স্বপ্ন পূরণ হলো না, ওমানে মারা গেলেন হোসেনপুরের বিপ্লব

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
পরিবারের স্বপ্ন পূরণ হলো না, ওমানে মারা গেলেন হোসেনপুরের বিপ্লব

পরিবারের সচ্ছলতা ফেরানোর আশায় চার বছর আগে ওমানে পাড়ি জমিয়েছিলেন কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর পৌরসভার জামাইল এলাকার মনিরুজ্জামান বিপ্লব (৪৮)। সেখানে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন তিনি। নিয়মিত দেশে পরিবারের কাছে টাকা পাঠাতেন। তবে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর সেই সংগ্রামের অবসান হয়েছে হৃদরোগে। সোমবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে ওমানের একটি হাসপাতালে মারা গেছেন তিনি।

মনিরুজ্জামান বিপ্লব হোসেনপুর পৌরসভার জামাইল এলাকার প্রয়াত নূরুল ইসলামের ছেলে। দেশে তাঁর মা, স্ত্রী সোমা আক্তার, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বিপ্লবের ফুপাতো ভাই কাউসার টিটু জানান, রোববার রাতে স্ত্রীকে ফোন করে বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করার কথা জানিয়েছিলেন বিপ্লব। পরে তাঁকে ওমানের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। এক সহকর্মীর ফোনে তাঁর মৃত্যুর খবর জানতে পারে পরিবার।

কাউসার টিটু আরও বলেন, খবর পেয়ে তিনি কিশোরগঞ্জ শহর থেকে বিপ্লবের বাড়িতে ছুটে যান। কিন্তু শোকাহত পরিবারের সদস্যদের কোনোভাবেই সান্ত্বনা দেওয়া যাচ্ছে না। পরিবারের একমাত্র চাওয়া, দ্রুত যেন বিপ্লবের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা যায়।

বিপ্লবের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে তাঁর পরিবার। প্রিয়জনের মরদেহ শেষবারের মতো দেখতে এবং দেশে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফন সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তা প্রত্যাশা করছেন স্বজনেরা।

কিশোরগঞ্জের আমিরগঞ্জ বাজারে আধুনিক ভবন নির্মাণের যাত্রা শুরু

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৬ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জের আমিরগঞ্জ বাজারে আধুনিক ভবন নির্মাণের যাত্রা শুরু

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দ ইউনিয়নের আমিরগঞ্জ বাজারে (জালালপুর বাজার) ১ কোটি ৮২ লাখ ৪৯ হাজার ৫০০ টাকা ব্যয়ে দুইতলা গ্রামীণ বাজার ভবন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। চারতলা ভবন নির্মাণের উপযোগী ভিত্তির ওপর প্রাথমিকভাবে দুইতলা নির্মাণ করা হবে। পরবর্তী সময়ে ভবনটির বাকি দুইতলা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম ভবনটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নাধীন ‘দেশব্যাপী গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের’ আওতায় ভবনটি নির্মিত হচ্ছে। প্রকল্পটির চুক্তিমূল্য ১ কোটি ৮২ লাখ ৪৯ হাজার ৫০০ টাকা। নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জে. এ. ট্রেডার্স।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন মহিনন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফ এবং বাজার কমিটির নেতারা।

মহিনন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী বলেন, নতুন ভবন নির্মিত হলে আমিরগঞ্জ বাজারের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হবে। এতে ব্যবসায়ীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ার পাশাপাশি ক্রেতারাও উন্নত পরিবেশে কেনাকাটার সুযোগ পাবেন।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. আবু সাঈদ জানান, ২০২৩ সালে প্রকল্পটির বাজেট নির্ধারণ করা হলেও বাজার কমিটির সঙ্গে বিভিন্ন জটিলতার কারণে নির্মাণকাজ শুরু করতে বিলম্ব হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরুর জন্য প্রস্তুত থাকলেও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় ভবনটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।

নতুন ভবনে দোকান বরাদ্দের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান মারুফ বলেন, বাজারে আগে থেকে থাকা ১৭ জন চান্দিনা ভিটির দোকানদার বৈধ। তাঁদের নামের তালিকা এবং আগের দোকানের অবস্থানসংক্রান্ত ভিডিও সংরক্ষণ করা হয়েছে। এসব নথির ভিত্তিতে নতুন ভবনে তাঁদের আগের অবস্থান অনুযায়ী দোকান বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, নিয়ম অনুযায়ী, লিজ না নেওয়া খাসজমিতে যাঁরা দোকান পরিচালনা করছেন, তাঁরা নতুন ভবনে দোকান বরাদ্দ পাবেন না। তাঁদের উচ্ছেদের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে, নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী যোগ্য ব্যক্তিদের যথাযথ প্রক্রিয়ায় দোকান বরাদ্দ দেওয়া হবে।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে আমিরগঞ্জ বাজার কমিটির সভাপতি মো. মজলু মিয়া, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সোহরাব উদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম নয়ন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌয়েব খান, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু আহমেদসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।