শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

প্রয়াত বিএনপি নেতার মার্কেটের জমি নিয়ে বিরোধ, দখলচেষ্টার অভিযোগ বহিষ্কৃত মনিরের বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
প্রয়াত বিএনপি নেতার মার্কেটের জমি নিয়ে বিরোধ, দখলচেষ্টার অভিযোগ বহিষ্কৃত মনিরের বিরুদ্ধে

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর বাজারে প্রয়াত বিএনপি নেতা এ. কে. আমিনুল হকের প্রতিষ্ঠিত ‘লায়লা আঞ্জুমান আরা বেগম সুপার মার্কেট’-এর ১৪ শতাংশ জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জমির মালিকানা দাবি করা প্রয়াত নেতার পরিবার নিরাপত্তা ও সম্পত্তি সুরক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রয়াত এ. কে. আমিনুল হকের স্ত্রী লায়লা আঞ্জুমান আরা বেগম অভিযোগ করেন, গত ৩ নভেম্বর রাতে মার্কেটের প্রবেশপথে থাকা তাঁদের মালিকানাসংবলিত সাইনবোর্ড এবং হাইকোর্টের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ-সংক্রান্ত নোটিশবোর্ড খুলে নেওয়া হয়েছে। পরে সেখানে অন্য পক্ষের মালিকানা দাবি করে একটি ব্যানার টাঙানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে লায়লা আঞ্জুমান আরা বেগম দাবি করেন, ১৯৯৩ সাল থেকে ১৪ শতাংশ জমিটির বৈধ মালিকানা ও দখল তাঁদের পরিবারের। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জালিয়াতির অভিযোগে ২০২৩ সালে কিশোরগঞ্জের আদালতে ১৫২/২০২৩ নম্বর মামলা করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

তিনি আরও জানান, জমির মালিকানা-সংক্রান্ত বিরোধে হাইকোর্টে দায়ের করা সিভিল রিভিশন মামলা ৩৭৩৭/২০২৬-এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ সেপ্টেম্বর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ বহাল রয়েছে। আদালতের এ আদেশ থাকা সত্ত্বেও মার্কেটের প্রবেশপথ থেকে সাইনবোর্ড ও নিষেধাজ্ঞার নোটিশবোর্ড খুলে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লায়লা বেগম পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জমির মালিকানা সুরক্ষা এবং আদালতের আদেশ বাস্তবায়নে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এ সময় তাঁর ছেলে এ কে এম আরিফুল হক রনি, সাবেক অধ্যাপক তোফাজ্জল হোসেন বাদলসহ মার্কেটের ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, জমি দখলচেষ্টার অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মনিরুজ্জামান মনিরের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জমির মালিকানা নিয়ে মামলা বিচারাধীন থাকায় বিষয়টি আদালতের আইনি প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ

রেজাউল হক প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় কিশোরগঞ্জ পুরাতন স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ খেলায় সহযোগিতা করে জেলা ক্রীড়া সংস্থা, জেলা পরিষদ ও কিশোরগঞ্জ পৌরসভা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইশতিয়াক আহম্মেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরীফুল ইসলাম, জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. ইসরাইল মিয়া এবং কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান মারুফ। এ ছাড়া বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও ক্রীড়াপ্রেমীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেন, খেলাধুলা শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি সমাজে ঐক্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। খেলাধুলার চর্চা বাড়লে মাদক, চুরি ও ছিনতাইয়ের মতো সামাজিক অপরাধ থেকে তরুণদের দূরে রাখা সম্ভব।

তাঁরা আরও বলেন, জাতীয় দিবসকে কেন্দ্র করে এ ধরনের আয়োজন তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ঘিরে দর্শক ও ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।

মূল ঘটনা আড়াল, বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে মেজর আখতারের মিথ্যা মামলার অভিযোগ

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
মূল ঘটনা আড়াল, বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে মেজর আখতারের মিথ্যা মামলার অভিযোগ

শারীরিক প্রতিবন্ধী কলেজছাত্রকে মারধর এবং সাবেক সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের ছেলে শাহরিয়ার জামানের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা। তাঁদের দাবি, ব্যক্তিগত ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে নিরপরাধ নেতাকর্মীদের মামলায় জড়ানো হয়েছে। এ ঘটনায় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান ও তাঁর ছেলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তাঁরা। একই সঙ্গে মামলা প্রত্যাহার এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কটিয়াদী উপজেলার সহশ্রাম-ধূলদিয়া ইউনিয়নের সহশ্রাম ছাইমুন্নেছা ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ধূলদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া। তিনি বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাকে রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা ও বানোয়াট দাবি করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে অবিলম্বে মামলা থেকে নির্দোষ নেতাকর্মীদের অব্যাহতির দাবি করেন।

লিখিত বক্তব্যে জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া অভিযোগ করেন, গত ৪ নভেম্বর রাত আনুমানিক ৭টার দিকে গচিহাটা বাজারে গচিহাটা কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ও শারীরিক প্রতিবন্ধী মোহাম্মদ আফতাব উদ্দিন জয়কে মারধরের ঘটনা ঘটে। মাদক সেবনের সন্দেহে শাহরিয়ার জামান রানা তাঁকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়। মারধরের শিকার হয়ে জয় বাড়িতে ফিরে বিষয়টি তাঁর চাচা মো. তাজুল শাহকে জানান। পরে ভাতিজাকে মারধরের কারণ জানতে এবং ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে তাজুল শাহ গচিহাটা বাজারে যান। সেখানে শাহরিয়ার জামান রানার সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাজুল শাহের ছুরিকাঘাতে শাহরিয়ার জামান আহত হন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ থাকলে তা প্রচলিত আইন অনুযায়ী তদন্ত ও বিচারের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হবে। কিন্তু এ ঘটনায় প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের আগেই স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের একাধিক নেতাকর্মীর নাম জড়িয়ে মামলা করা হয়েছে বলে তাঁরা অভিযোগ করেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কাউকে হয়রানি করা গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তাঁরা।

বক্তারা বলেন, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী আফতাব উদ্দিন জয়কে মারধরের অভিযোগ এবং শাহরিয়ার জামানের ওপর হামলার ঘটনা- দুটিরই নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে মামলায় অন্তর্ভুক্ত নিরপরাধ ব্যক্তিদের নাম প্রত্যাহার করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী আফতাব উদ্দিন জয়ের বড় বোন আফিমা বেগম বলেন, “আমার ছোট ভাই দৃষ্টি ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী। আখতারুজ্জামান স্যারের ছেলে শাহরিয়ার জামান রানা অন্যায়ভাবে চড় মেরে তাকে আহত করেছেন। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই। এটা রাজনৈতিক কোনো বিষয় নয়। রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে।”

এ সময় বক্তব্য দেন সহশ্রাম-ধূলদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, সহসভাপতি ও কিশোরগঞ্জ জেলা যুবদলের সহ-কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক মো. আশরাফ উদ্দিন, কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. আজাদ রহমান মিশর, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. আহসান উদ্দিন দয়াল, সিনিয়র সহসভাপতি এস এম মোজাম্মেল হক ইমন এবং সাবেক ইউপি সদস্য আলী হোসেন শাহ।

এ সময় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য আফিমা বেগম, শাহিনসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্য এবং ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি নেতা মো. আজাদ রহমান মিশর শাহরিয়ার জামানের ওপর হামলার ঘটনারও নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তিনি বলেন, হামলার সঙ্গে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নির্দোষ ব্যক্তিদের নাম মামলা থেকে প্রত্যাহারের আহ্বান জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে নেতারা আরও বলেন, ব্যক্তিগত বিরোধ বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তিকে হয়রানি করা উচিত নয়। তাঁরা পুরো ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

অষ্টগ্রামে নানা আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

আলী রহমান খান প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
অষ্টগ্রামে নানা আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাথী দাসের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আনিসুর রহমানের সঞ্চালনায় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।

আলোচনা সভায় বক্তারা ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য দেন। তাঁরা দিবসটির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং দেশের জাতীয় জীবনে এর গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রুকনুজ্জামান, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আব্দুল হালিম, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. শাহ আলম, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিজামুল হক নজরুল, উপজেলা যুবদলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. আলী রহমান খান।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন অষ্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি দেবপদ চক্রবর্তী, অষ্টগ্রাম উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলাম সাগর ও সহসভাপতি অজিত দত্তসহ অন্যরা।

অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অষ্টগ্রামে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচি পালিত হয়।