ভোটের আগে নাশকতার আশঙ্কা, বাড়তি সতর্কতা
ফাইল ফটো
জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে চোরাগোপ্তা হামলা, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার ও নাশকতার আশঙ্কা আরও প্রবল হচ্ছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছে। পাশাপাশি যানবাহন ও নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত স্থাপনায় অগ্নিসংযোগ করে আতঙ্ক তৈরির চেষ্টাও হতে পারে—এমন তথ্যও পেয়েছে পুলিশ।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে মাঠপর্যায়ের সদস্যদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মাঠপর্যায় থেকেও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে সম্ভাব্য ঝুঁকির বিষয়ে বার্তা পাঠানো হয়েছে। সর্বশেষ গতকাল শনিবার রাতে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) দেশের সব বিভাগের রেঞ্জ ডিআইজি ও মহানগর পুলিশের কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে নির্বাচনকেন্দ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও করণীয় বিষয়ে আলোচনা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিন শুক্রবার দিনের বেলায় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির ওপর গুলির ঘটনাকে সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছে সরকার। ওই ঘটনার পর রাতেই রাজধানীর বাড্ডায় একটি বাসে এবং লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এছাড়া গতকাল বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত রাজধানীর শান্তিনগর, মৌচাক ও মিরপুর এলাকায় চারটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনাকে একই সূত্রে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
পুলিশ ও র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যে একটি গোষ্ঠী নাশকতা ও সহিংসতার মাধ্যমে ভীতি সৃষ্টি করতে পারে। তাদের লক্ষ্য হতে পারে নির্বাচনী কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটানো এবং ভোটার উপস্থিতি কমিয়ে দেওয়া। এ বিষয়ে দেশে-বিদেশে পলাতক একটি অংশের অনলাইন যোগাযোগের তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে এসেছে। একটি যোগাযোগ অ্যাপে আলোচনায় ঢাকা ও চট্টগ্রামকে বিশেষ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বলেও জানা গেছে। এ পরিস্থিতিতে সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতা নিয়ে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।







