ইসিতে আপিল শুনানি শেষে কিশোরগঞ্জের আরও দুই প্রার্থীর প্রার্থিতা ফিরে পেল
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল শুনানি শেষে কিশোরগঞ্জের আরও দুই প্রার্থী প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত শুনানিতে তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে বিএনপির এক প্রার্থীর বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল আবেদন খারিজ করেছে কমিশন।
আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া প্রার্থীরা হলেন— কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী–পাকুন্দিয়া) আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম এবং কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী–বাজিতপুর) আসনের বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসনাত কাইয়ুম।
এ ছাড়া কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী–বাজিতপুর) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদার বিরুদ্ধে হলফনামায় অনিয়মের অভিযোগ এনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের করা আপিল আবেদন খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন।
জানা গেছে, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির তৃতীয় দিনে নির্বাচন কমিশন মোট ৪১টি আবেদন মঞ্জুর করেছে। একই দিনে ২৪টি আবেদন নামঞ্জুর করা হয় এবং ৪টি আবেদন অপেক্ষমাণ রাখা হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে ইসির জনসংযোগ শাখার পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক এসব তথ্য জানান।
বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম বলেন, প্রাথমিক যাচাইয়ে ১০ জন ভোটারের মধ্যে ছয়জনকে পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছিল। পরবর্তীতে প্রশাসন ও পুলিশের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের তদন্তে জানা যায়, ভোটাররা ভয়ভীতি বা বিভ্রান্তির কারণে তাকে চেনেন না বলে জানিয়েছিলেন। আপিল শুনানিতে দুইজন ভোটারকে কমিশনের সামনে হাজির করা হলে কমিশন তাদের বক্তব্য যাচাই করে তার আপিল মঞ্জুর করেন।
গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আগের সরকারের সময়ের একটি মামলার তথ্যগত জটিলতার কারণে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়ন বাতিল করেছিলেন। আপিল শুনানিতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করায় নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে।
অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদা বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন ছিল। নির্বাচন কমিশন আপিল খারিজ করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া বৈধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে।








Warning: Array to string conversion in /home/dkishoreganj/public_html/wp-content/plugins/gs-facebook-comments/public/class-wpfc-public.php on line 311
Array