মোবাইল নিষেধাজ্ঞা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অংশ’ হতে পারে: সাঈদ বিন হাবিব
চাকসুর জিএস সাঈদ বিন হাবিব বলেছেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ব্যাহত করতে পারে কি না, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে। একই সঙ্গে এ সিদ্ধান্ত কার নির্দেশে নেওয়া হয়েছে, সেটিও পরিষ্কার করার দাবি জানান তিনি।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের আজিম উদ্দিন স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে এসব কথা বলেন সাঈদ বিন হাবিব।
তিনি বলেন, দেশে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার মতো পরিস্থিতি পরিকল্পিতভাবে তৈরি করা হচ্ছে। বিরোধী পক্ষের ওপর হামলার পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগ প্রসঙ্গে সাঈদ বিন হাবিব বলেন, সারাদেশে সাধারণ শিক্ষকদের নির্বাচনী দায়িত্ব দেওয়া হলেও মাদরাসার শিক্ষকদের বঞ্চিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্যা দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি বিএনসিসি সদস্যদেরও নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে দূরে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। এসব সিদ্ধান্তের পেছনে কার নির্দেশনা রয়েছে, তা স্পষ্ট করতে ইসির প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
বাউফলে বিরোধী পক্ষের ওপর হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, সেখানে গর্ভবতী নারীসহ সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। যাদের হাতে মা-বোনেরা নিরাপদ নয়, তাদের হাতে দেশও নিরাপদ থাকতে পারে না।
সমাবেশ শেষে আজিম উদ্দিন স্কুল মাঠ থেকে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে একটি গণমিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
গণমিছিলে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ হাদী, জেলা জামায়াতের সাবেক নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মোছাদ্দেক ভূঞা, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুল মুমিন শেরজাহান, এনসিপির জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ ইকরাম হোসেন, ফয়সাল প্রিন্স, সদর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা নজরুল ইসলাম, সেক্রেটারি বোরহান উদ্দিন সুমনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।







