মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২

ছাত্র অধিকার পরিষদের জন্ম না হলে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান হতো না: আবু হানিফ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ছাত্র অধিকার পরিষদের জন্ম না হলে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান হতো না: আবু হানিফ

বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের জন্ম না হলে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হতো না বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ। তিনি বলেন, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্য দিয়েই যে ছাত্র আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল, তার ধারাবাহিকতাই পরবর্তীতে গণআন্দোলনে রূপ নেয়।

সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জ শহরের একটি রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আবু হানিফ বলেন, ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনের দাবিকে কেন্দ্র করেই সংগঠনটির জন্ম হয়েছিল। শুরুতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন হলেও পরে আওয়ামী লীগের নানা অন্যায়, অনিয়ম ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে সংগঠনটি। তিনি বলেন, “আমরা সংখ্যায় কম ছিলাম, কিন্তু আমাদের প্রতিবাদ থামেনি।”

তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় থেকেই। ২০১৮ সালের পর ধারাবাহিক আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার পতনের পাটাতন তৈরি হয়েছিল। সেই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল ছাত্র অধিকার পরিষদ। তাই ছাত্র অধিকার পরিষদের জন্ম না হলে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানও হতো না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে আবু হানিফ বলেন, কিছুদিন আগে কিশোরগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। আমরা এ হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। শুধু কিশোরগঞ্জ নয়, দেশের যেখানেই সাংবাদিকদের ওপর হামলা হবে, সেখানেই আমরা প্রতিবাদ জানাব।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে একটি নির্বাচিত সরকার রয়েছে এবং গণঅধিকার পরিষদও এ সরকারের অংশ। তাই নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে। আমরা বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে ছিলাম এবং একসঙ্গে নির্বাচনও করেছি। এখন মন্ত্রিসভায়ও গণঅধিকার পরিষদের সদস্য রয়েছে। আমরা সরকারের ভালো কাজে সহযোগিতা করব, তবে ভুল হলে অবশ্যই সমালোচনা করব।

বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সহ-সভাপতি সালমান সাকিবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কিশোরগঞ্জ জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অভি চৌধুরী, সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম, জেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি সোহাগ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক রমজান আলী, শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন ইসলামী ছাত্রশিবির কিশোরগঞ্জ জেলার সভাপতি ফকির মাহবুবুল আলম, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি তানভীর আহমেদ, কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের নেতা শরিফুল ইসলাম নিশাদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, জগলুল হাসান চয়ন, রাফিউল ইসলাম নওশাদ, জাতীয় ছাত্র শক্তি কিশোরগঞ্জ জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুর রহমান এবং বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের বায়তুল মাল সম্পাদক বরকত উল্লাহ ও নাজির হোসেন।

ইফতার মাহফিলে বিভিন্ন ছাত্র ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

কিশোরগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে সচেতনতামূলক র‍্যালি ও মহড়া অনুষ্ঠিত

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪১ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে সচেতনতামূলক র‍্যালি ও মহড়া অনুষ্ঠিত

“দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে সচেতনতামূলক র‍্যালি ও অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্প বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহরের গুরুদয়াল সরকারি কলেজ মাঠে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করা হয়।

কর্মসূচির শুরুতে গুরুদয়াল সরকারি কলেজ মাঠ থেকে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি কলেজ প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগ পরিস্থিতিতে করণীয় বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক মহড়া প্রদর্শন করা হয়।

মহড়ায় কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা দুর্যোগকালীন উদ্ধার কার্যক্রম, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন কৌশল প্রদর্শন করেন। এতে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অংশগ্রহণকারীরা দুর্যোগ মোকাবিলার বিষয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজাবে রহমত, জেলা দুর্যোগ ও ত্রাণ পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. বদরুদ্দোজা, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম এবং কিশোরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল মালেক চৌধুরী।

এছাড়া জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।

আয়োজকরা জানান, দুর্যোগ মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আগাম প্রস্তুতি জোরদার করাই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। বিশেষ করে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি দুর্যোগ-সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

কিশোরগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে গাঁজা উদ্ধার, সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৫:২৩ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে গাঁজা উদ্ধার, সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জে পৃথক অভিযানে দুইজনকে আটক ও গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-২ কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যরা। অভিযানে ২ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক এবং একটি মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, র‌্যাব-১৪, সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুর আনুমানিক ১২টা ৫ মিনিটে কিশোরগঞ্জ সদর থানার কিশোরগঞ্জ-করিমগঞ্জ সড়কে একটি অস্থায়ী চেকপোস্টে অভিযান চালায়। এ সময় মাদক কারবারি মো. ফারুক মিয়া (৪৮) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি তার হেফাজতে থাকা বাজারের ব্যাগের মধ্যে অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা থাকার কথা স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ব্যাগ তল্লাশি করে ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪০ হাজার টাকা।

এদিকে একই দিন দুপুর ১টার দিকে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-২ কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের অপর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মাইজখাপন এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় সদর থানার মামলা নং-৩৭(২)১৮, জিআর-১১১(২)১৮, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ১৯(১) সারণি ৯(ক) ধারায় ১ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি সুমন মিয়া (৩২) কে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার সুমন মিয়া সদর উপজেলার বাড়খাপন এলাকার মৃত ইদ্রিসের ছেলে।

এ বিষয়ে র‌্যাব জানিয়েছে, আটক ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত কটিয়াদীর বাচ্চুর পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪৭ অপরাহ্ণ
ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত কটিয়াদীর বাচ্চুর পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা

সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার প্রবাসী বাচ্চু মিয়ার শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর পক্ষ থেকে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন নিহতের পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দিয়েছেন।

মঙ্গলবার(১০ মার্চ) দুপুরে কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ফেকামারা গ্রামে নিহত বাচ্চু মিয়ার বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং পরিবারের খোঁজখবর নেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপ, সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন, কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মাহবুবুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান স্বপন, জসিম উদ্দিন মেনু, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জায়দুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সামসুল হক চান মিয়া, পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান সিরাজী, জালালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া শ্যামল, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাসুদুল আলম সবুজ, জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল আলম রফিক, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান মাসুদ, সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম সেতুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর মাধ্যমে নিহতের পরিবারের খোঁজখবর নিচ্ছেন। বাচ্চু মিয়ার মরদেহ দেশে আনার যাবতীয় খরচ সরকার বহন করবে এবং বিদেশ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়েরও চেষ্টা করা হবে। তিনি বলেন, প্রবাসে কর্মরত অবস্থায় দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা একজন প্রবাসীর এমন মর্মান্তিক মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। সরকার সব সময় প্রবাসী ও তাদের পরিবারের পাশে রয়েছে।

নিহত বাচ্চু মিয়ার পরিবার প্রধানমন্ত্রীর সহানুভূতি ও আর্থিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে তারা দিশেহারা হয়ে পড়লেও প্রধানমন্ত্রীর এই সহায়তা তাদের কিছুটা হলেও সান্ত্বনা ও সাহস জুগিয়েছে।

উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের নিকটবর্তী আল খারিজ এলাকায় একটি শ্রমিক ক্যাম্পে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কটিয়াদীর প্রবাসী বাচ্চু মিয়া (৩৬) নিহত হন। রোববার ইফতারের আগে আল তোয়াইক বলদিয়া কোম্পানির শ্রমিক ক্যাম্পে হামলায় বাচ্চু মিয়াসহ কয়েকজন শ্রমিক নিহত হন।