নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ময়দা দিয়ে নকল ওষুধ তৈরি: এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ময়দা দিয়ে নকল ওষুধ তৈরি ও বাজারজাত করার অভিযোগে রব্বানী ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। সোমবার দুপুরে কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বড় বাজেডুমরিয়া এলাকার সরকারপাড়ায় জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যৌথ অভিযানে এ জরিমানা করা হয়। অভিযানে সহায়তা করে আনসার ব্যাটালিয়নের একটি দল।
ভোক্তা-অধিদপ্তর সূত্র জানায়, রব্বানী ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়িতে ময়দা ব্যবহার করে বিভিন্ন নামী-দামি প্রতিষ্ঠানের নামে নকল ওষুধ তৈরি করে বাজারে বিক্রি করতেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত মেশিন, সরঞ্জাম ও প্রায় ৫ লাখ টাকার নকল ওষুধ জব্দ করা হয়। পরে অনিরাপদ খাদ্য ও নকল ওষুধ পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
জেলা জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সামসুল হক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ময়দা দিয়ে তৈরি নকল ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে। জব্দ করা অনিরাপদ খাদ্য ও ওষুধ ধ্বংস করা হয়েছে এবং অভিযুক্তকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
জেলা ঔষধ প্রশাসনের ওষুধ তত্ত্বাবধায়ক মিতা রায় বলেন, রব্বানী ইসলাম তাঁর বাড়িতে ময়দা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের নকল ওষুধ তৈরি করে বাজারজাত করতেন। অভিযানে এসব নকল ওষুধ ও সরঞ্জাম জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে।










