বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২ ১৪৩২

বিয়ে করলেই নিশ্চিত নয় গ্রিন কার্ড, স্বপ্নভঙ্গের নতুন আতঙ্ক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
বিয়ে করলেই নিশ্চিত নয় গ্রিন কার্ড, স্বপ্নভঙ্গের নতুন আতঙ্ক

স্বপ্নের দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের আশায় অনেকেই বিয়ের পথ বেছে নেন। ধারণা থাকে— কোনো দেশের নাগরিককে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেলে গ্রিন কার্ড পাওয়া সহজ হয়ে যায়। কিন্তু বাস্তবতা এখন আর আগের মতো সরল নেই। কেবল বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেই যে কাঙ্ক্ষিত গ্রিন কার্ড মিলবে, তার নিশ্চয়তা আর নেই।

মাঝরাতে হঠাৎ দরজায় কড়া নাড়তে পারে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা। যদি তারা দেখতে পান স্বামী-স্ত্রী একই ছাদের নিচে বসবাস করছেন না, তাহলে মুহূর্তেই ভেস্তে যেতে পারে দীর্ঘদিনের সব পরিকল্পনা। এমনকি বৈধ বিয়ের কাগজপত্র থাকলেও একসঙ্গে না থাকার কারণে বাতিল হয়ে যাচ্ছে বহু গ্রিন কার্ড আবেদন।

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড পাওয়ার দীর্ঘদিনের তুলনামূলক সহজ পথটি এখন পরিণত হয়েছে কঠিন এক পরীক্ষায়। সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের অধীনে দেশটির নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা (ইউএসসিআইএস) স্বামী-স্ত্রীর একত্রে বসবাসকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে বিবেচনা করছে।

৩০ বছরের অভিজ্ঞ অভিবাসন আইনজীবী ব্র্যাড বার্নস্টাইন জানান, পড়াশোনা বা চাকরির প্রয়োজনে আলাদা থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তা গ্রহণ করছেন না। তাদের মূল প্রশ্ন— দম্পতিরা প্রকৃত অর্থে দাম্পত্য জীবন যাপন করছেন কি না।

কড়াকড়ি এখানেই শেষ নয়। গ্রিন কার্ডপ্রত্যাশীদের ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ কমিয়ে ১৮ মাস করা হয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তাজনিত অজুহাতে ১৯টি তথাকথিত ‘উদ্বেগজনক’ দেশের নাগরিকদের গ্রিন কার্ড আবেদন পুনরায় পর্যালোচনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বহুল প্রত্যাশিত ডিভি লটারি কর্মসূচিও।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড পেতে হলে কেবল আইনি বিয়ে যথেষ্ট নয়; সম্পর্কের গভীরতা, একসঙ্গে বসবাস এবং বাস্তব দাম্পত্য জীবন প্রমাণ করাও অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে আবেদন করার আগে অভিজ্ঞ অভিবাসন আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে মৃত বিএনপি নেতা ডাবলুর জানাজা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে মৃত বিএনপি নেতা ডাবলুর জানাজা অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে মারা যাওয়া জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় জীবননগর পৌর ঈদগাহ ময়দানে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

ডাবলুর ছোট ভাই ও মা লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বি এম তারিক-উজ-জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) মো. আনোয়ারুল কবীর, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি ও বিজিএমইএর সভাপতি এবং চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ, সিআইপি আলহাজ সাহিদুজ্জামান টরিক, চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মারুফ সারোয়ার বাবু, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার অহিদুল আলমসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান ও সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন,
‘আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এই দেশে আমরা এ ধরনের মৃত্যু প্রত্যাশা করি না। ডাবলুর মৃত্যুর সঠিক বিচার চাই। ভবিষ্যতে যেন আর কাউকে এভাবে প্রাণ দিতে না হয়।’

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,
‘জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা অত্যন্ত মর্মাহত। পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচারে পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।’

পরিবারের সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হাফিজা ফার্মেসির সামনে থেকে ডাবলুকে আটক করা হয়। পরে রাত ১২টার পর তাকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিরাপত্তাহীনতা ও লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হলে নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
নিরাপত্তাহীনতা ও লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হলে নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় লুণ্ঠিত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিতের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জনস্বার্থে এই রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান।

রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছাড়াও স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশনের সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং র‍্যাবের মহাপরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে।

জামায়াতসহ ১১ দলের আসন সমঝোতা বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৪৫ অপরাহ্ণ
জামায়াতসহ ১১ দলের আসন সমঝোতা বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন স্থগিত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের মধ্যে নির্বাচনী আসন সমঝোতা সংক্রান্ত পূর্বঘোষিত সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ২টার দিকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় ১১ দলের পক্ষ থেকে ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ১১ দলের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, অনিবার্য কারণেই সংবাদ সম্মেলনটি স্থগিত করতে হয়েছে। তিনি জানান, এখনো কিছু প্রস্তুতির কাজ বাকি রয়েছে। পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনের নতুন তারিখ জানানো হবে।

এর আগে বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক আমন্ত্রণপত্রে জানানো হয়েছিল, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের মধ্যে আসন সমঝোতা বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা দিতে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)-এর মুক্তিযোদ্ধা হলে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। ওই সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকার কথা ছিল।