করিমগঞ্জ–তাড়াইলে এনসিপির প্রার্থী খায়রুল কবির
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ–৩ (করিমগঞ্জ–তাড়াইল) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন খায়রুল কবির। তিনি বর্তমানে এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) এবং কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ পৌর এলাকার আশুতিয়াপাড়ার টেকের বাড়ি তাঁর জন্মস্থান। উদীয়মান তরুণ রাজনীতিক খায়রুল কবির করিমগঞ্জ সরকারি পাইলট মডেল উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি, করিমগঞ্জ সরকারি মহাবিদ্যালয় থেকে এইচএসসি এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (IER) থেকে শিক্ষা বিষয়ে স্নাতক এবং শিক্ষা ও প্রশাসন বিষয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
শিক্ষাজীবনের প্রতিটি পর্যায়ে প্রথম বিভাগ পাওয়া খায়রুল কবির শিক্ষা বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি (ডি-ফিল) অর্জনের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। কর্মজীবনে তিনি সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা এবং শিক্ষা গবেষণায় বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার প্রকল্পে কাজ করেছেন।
রাজনীতি–সচেতন পরিবারের সন্তান খায়রুল কবির জীবনের প্রথম বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিয়ে প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক—সবগুলোতেই কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ার পরও কোটা বৈষম্যের কারণে চাকরি পাননি। ফলে তিনি ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনে যুক্ত হন। পরবর্তীতে কোটা আন্দোলনের নেতাদের উদ্যোগে গঠিত রাজনৈতিক দল গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটিতে প্রতিষ্ঠাতা সহকারী সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেন।
২০২১ সালে গুজরাটের কসাইখ্যাত নরেন্দ্র মোদীর আগমনের বিরোধিতা করে শান্তিপূর্ণ মিছিল থেকে আটক হয়ে তিনি ছয় মাস কারাবরণ করেন। ২০২৪ সালে দ্বিতীয় ধাপে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে জুলাই অভ্যুত্থানে সরাসরি নেতৃত্ব দেন।
বর্তমানে জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম সারির নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটিতে উত্তরাঞ্চলের সংগঠক ও কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন, মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ—সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং তারুণ্যনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করার জন্য তিনি করিমগঞ্জ–তাড়াইলবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।




