বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২ ১৪৩২

কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে বোরো মৌসুমের শুরুতেই তীব্র সার সংকট

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৫:০০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে বোরো মৌসুমের শুরুতেই তীব্র সার সংকট

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রামে বোরো মৌসুমের শুরুতেই তীব্র সার সংকট দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় প্রায় অর্ধেক সার বরাদ্দ পাওয়ায় বোরো ও ভুট্টা আবাদ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। প্রয়োজনীয় ইউরিয়া ও অন্যান্য সার না পেয়ে অনেক কৃষক চড়া দামে বাজার থেকে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে উৎপাদন খরচ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, বিসিআইসি ও বিআরডিসি সংশ্লিষ্ট কিছু ডিলার কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করছেন। একই সঙ্গে বিএডিসির উন্নত মানের ধানবীজেরও তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, যা হাওরের প্রধান ফসল বোরো উৎপাদনকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

সময়মতো সার ও বীজ না পাওয়ায় জমি প্রস্তুত ও চারা রোপণে বিলম্ব হচ্ছে। এতে চলতি মৌসুমে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

এদিকে, সার সংকটের মধ্যেই মিঠামইন উপজেলার কেওয়ারজোর ইউনিয়নে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে সার পাচারের একটি ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে একটি ব্রিজের নিচে দীর্ঘক্ষণ একটি মালবোঝাই ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে ট্রাকচালক চাকার বেয়ারিং ভেঙে যাওয়ার কথা বললেও ট্রাকে কী মাল রয়েছে বা কোথায় নেওয়া হচ্ছে—এসব প্রশ্নের কোনো সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। পরে ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবতাব উদ্দিন ভূয়াকে ঘটনাস্থলে ডাকা হলে তাকে দেখে ট্রাকচালক ও তার সহযোগী পালিয়ে যান।

স্থানীয়দের সহায়তায় ট্রাকের ত্রিপল খুলে দেখা যায়, এতে ৮০ বস্তা সরকারি সার রয়েছে। কেওয়ারজোর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মাসুদ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, এলাকায় ডিলার থাকা সত্ত্বেও কৃষকরা নিয়মিত সার পান না। তাহলে এসব সার কোথায় যাচ্ছে—সেটাই বড় প্রশ্ন।

সাবেক চেয়ারম্যান আবতাব উদ্দিন ভূয়া জানান, তিনি বিষয়টি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। পরে কৃষি কর্মকর্তা ও পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সারগুলো জব্দ করে একটি দোকানে সংরক্ষণ করেন। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, অজ্ঞাত কারণে ট্রাক, চালক ও সহযোগীদের জব্দ না করেই ছেড়ে দেওয়া হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওয়াবাইদুল ইসলাম খান অপু বলেন, মালিক শনাক্ত না হওয়ায় সারগুলো জব্দ করা হয়েছে। উপজেলা সার বণ্টন কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসব সার সরকার নির্ধারিত মূল্যে প্রান্তিক কৃষকদের কাছে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লিয়াকত আলী জানান, কৃষি কর্মকর্তা ও ইউএনওর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম আব্দুল্লাহ বিন শফিক বলেন, জব্দকৃত সার ৪০ জন প্রান্তিক কৃষকের মাঝে সরকারি মূল্যে বিতরণ করা হবে। তিনি ট্রাক ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ অস্বীকার করেন।

স্থানীয় কৃষকদের দাবি, এটি একটি সংঘবদ্ধ কালোবাজারি সিন্ডিকেটের কাজ। তারা অবিলম্বে দোষীদের আইনের আওতায় এনে হাওরাঞ্চলের কৃষকদের জন্য ন্যায্যমূল্যে সার নিশ্চিত করতে সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।


ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে আপিল শুনানি: ষষ্ঠ দিনের কার্যক্রম শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ণ
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে আপিল শুনানি: ষষ্ঠ দিনের কার্যক্রম শুরু

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল শুনানির ষষ্ঠ দিনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনের অডিটোরিয়ামে এই শুনানি শুরু হয়।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আজ ক্রমিক নম্বর ৩৮১ থেকে ৪৮০ পর্যন্ত আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে পূর্ণাঙ্গ কমিশন দুপুরে এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই শুনানি গ্রহণ করবেন।

এর আগে গতকাল বুধবার শুনানির পঞ্চম দিনে ১০০টি আপিলের শুনানি শেষে ৭৩টি মঞ্জুর, ১৭টি নামঞ্জুর এবং ১০টি আপিল অপেক্ষমাণ রাখা হয়।

ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, গত পাঁচ দিনে (শনিবার থেকে বুধবার) মোট ৩৮০টি আপিলের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ২৭৭টি আপিল মঞ্জুর করা হয়েছে। নামঞ্জুর বা বাতিল হয়েছে ৮১টি। আর বিভিন্ন কারণে অপেক্ষমাণ রয়েছে ২৩টি আপিল।

কমিশনের সময়সূচি অনুযায়ী, আগামীকাল ১৬ জানুয়ারি (শুক্রবার) জুমার নামাজের পর বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ৪৮১ থেকে ৫১০ নম্বর এবং অপেক্ষমাণ আপিলের শুনানি হবে। এরপর ১৭ জানুয়ারি (শনিবার) ৫১১ থেকে ৬১০ নম্বর এবং ১৮ জানুয়ারি (রোববার) শেষ দিনে ৬১১ থেকে ৬৪৫ নম্বর ও অবশিষ্ট অপেক্ষমাণ আপিল নিষ্পত্তির মধ্য দিয়ে এই কার্যক্রম শেষ হবে।

এবারের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাতিল ও গ্রহণের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে মোট ৬৪৫টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে।

গত ৪ জানুয়ারি বাছাইয়ের শেষ দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩শ’ নির্বাচনী এলাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তা বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মোট ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৭২৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করেন।

কিশোরগঞ্জে ছাত্রাবাস থেকে নিখোঁজ নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নোওয়াফ, থানায় জিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:০০ পূর্বাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে ছাত্রাবাস থেকে নিখোঁজ নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নোওয়াফ, থানায় জিডি

কিশোরগঞ্জে ছাত্রাবাস থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়েছেন নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় তার বাবা কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

নিখোঁজ শিক্ষার্থীর নাম মোঃ নোওয়াফ হোসেন (১৬)। তিনি কিশোরগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং কিশোরগঞ্জ মডেল থানাধীন আলোর মেলা এলাকায় অবস্থিত বিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসে থেকে পড়াশোনা করতেন।

জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ১১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ বিকাল আনুমানিক ৪টার দিকে নোওয়াফ হোসেন কাউকে কিছু না জানিয়ে ছাত্রাবাস থেকে বের হয়ে যান। এরপর থেকে তিনি আর ছাত্রাবাস কিংবা বাড়িতে ফিরে আসেননি। নিখোঁজের চার দিন পেরিয়ে গেলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজ শিক্ষার্থীর বাবা খায়রুল আলম জানান, ছেলেকে উদ্ধারের আশায় আত্মীয়স্বজনসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। খোঁজ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

নোওয়াফ হোসেনের গায়ের রং ফর্সা, উচ্চতা আনুমানিক ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, মুখমণ্ডল গোলাকার এবং শারীরিক গঠন মাঝারি। তিনি কিশোরগঞ্জের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেন।

পরবর্তীতে বিষয়টি আইনগতভাবে নথিভুক্ত ও ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণের জন্য কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, জিডির ভিত্তিতে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কিশোরগঞ্জের শিক্ষার্থীসহ তিন সাইবার প্রতারক গ্রেপ্তার: ফিশিংয়ে কোটি টাকার হাতবদল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩০ পূর্বাহ্ণ
কিশোরগঞ্জের শিক্ষার্থীসহ তিন সাইবার প্রতারক গ্রেপ্তার: ফিশিংয়ে কোটি টাকার হাতবদল

গত বছরের ১৭ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও এলাকার বাসিন্দা খিতিশচন্দ্র রায়ের মোবাইল ফোনে বিকাশ থেকে একের পর এক ক্যাশআউটের এসএমএস আসতে থাকে। বিকাশ অ্যাপে ব্যালেন্স চেক করে তিনি দেখতে পান, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে দুই লাখ ২২ হাজার টাকা উধাও হয়ে গেছে। সেখানে অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র ৫ হাজার ৬০০ টাকা।

ভুক্তভোগী খিতিশচন্দ্র রায় জানান, তাঁর এক ব্যাচমেটের অকাল মৃত্যুতে পরিবারের সহায়তার জন্য বন্ধুদের কাছ থেকে বিকাশে পাঠানো হয়েছিল এই অর্থ। পরে অসাবধানতাবশত একটি ফিশিং লিংকে ক্লিক করার পরই প্রতারণার শিকার হন তিনি। এ ঘটনায় তিনি তেজগাঁও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। উল্লেখ্য, খিতিশচন্দ্র রায় নিজেও পুলিশের একজন পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর)।

অভিযোগের পর বিষয়টি তদন্তে নেয় পুলিশ। পাশাপাশি র‍্যাবও প্রতারক চক্র শনাক্তে কাজ শুরু করে। তিন থেকে চার মাস ধরে শতাধিক ফোন নম্বর বিশ্লেষণের পর একটি সন্দেহজনক নম্বর শনাক্ত করে র‍্যাব। সেই সূত্র ধরে রাজধানীর শেওড়াপাড়ার একটি বাসায় অভিযান চালানো হয়।

অভিযানকালে ফ্ল্যাটের ভেতরে ও বাইরে অসংখ্য সিসিটিভি ক্যামেরা, একাধিক রাউটার ও বিভিন্ন প্রযুক্তি সরঞ্জাম দেখতে পায় র‍্যাব। বাড়ির মালিক জানান, অভিযুক্তরা নিজেদের শিক্ষার্থী ও ফ্রিল্যান্সার পরিচয়ে বাসাটি ভাড়া নিয়েছিলেন।

র‍্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় সাদমান সাকিব প্রিয়ম, তরিকুল ইসলাম ইমন ও মাহিনুর রহমান মাহি নামের তিন যুবককে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় শতাধিক জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি, অর্ধশতাধিক মোবাইল ফোন, প্রিন্টারসহ প্রতারণায় ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম।

র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত প্রিয়ম আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী। মাহি কিশোরগঞ্জের ইশাখা বিশ্ববিদ্যালয়ে এলএলবি অধ্যয়নরত। তারা ২০২২ সাল থেকে সংঘবদ্ধভাবে সাইবার প্রতারণায় জড়িয়ে পড়ে।

তদন্তে আরও জানা গেছে, তারা ফিশিং লিংকের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের মোবাইল ফোনের নিয়ন্ত্রণ নেয়। পরে বিকাশসহ বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড ও ওটিপি সংগ্রহ করে অর্থ আত্মসাৎ করে। এছাড়া ওয়াইফাই রাউটার ও সিসিটিভি ক্যামেরা হ্যাক করে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ এবং ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগও রয়েছে।

একই এনআইডি নম্বর রেখে নাম সামান্য পরিবর্তন করে বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে একাধিক ভুয়া অ্যাকাউন্ট খোলার কৌশলও তারা ব্যবহার করত বলে জানিয়েছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে তারা বিলাসবহুল জীবনযাপন করত। ঢাকায় মাসিক প্রায় ৫০ হাজার টাকা ভাড়ার ফ্ল্যাটে বসবাস, দামি মোবাইল ফোন ও ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করত তারা। এলাকাবাসীর মধ্যেও তাদের জীবনযাপন নিয়ে আগে থেকেই সন্দেহ ছিল।

এক প্রতিবেশী বলেন,
“মাঝেমধ্যে প্রাইভেট কার আসত, দামি জিনিসপত্র ব্যবহার করত। তখন বুঝিনি, এখন বোঝা যাচ্ছে টাকার উৎস কী ছিল।”

পুলিশ জানিয়েছে, প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ জব্দের জন্য আদালতে আবেদন করা হবে।