মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ ১৪৩২

কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে বোরো মৌসুমের শুরুতেই তীব্র সার সংকট

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৫:০০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে বোরো মৌসুমের শুরুতেই তীব্র সার সংকট

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রামে বোরো মৌসুমের শুরুতেই তীব্র সার সংকট দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় প্রায় অর্ধেক সার বরাদ্দ পাওয়ায় বোরো ও ভুট্টা আবাদ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। প্রয়োজনীয় ইউরিয়া ও অন্যান্য সার না পেয়ে অনেক কৃষক চড়া দামে বাজার থেকে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে উৎপাদন খরচ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, বিসিআইসি ও বিআরডিসি সংশ্লিষ্ট কিছু ডিলার কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করছেন। একই সঙ্গে বিএডিসির উন্নত মানের ধানবীজেরও তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, যা হাওরের প্রধান ফসল বোরো উৎপাদনকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

সময়মতো সার ও বীজ না পাওয়ায় জমি প্রস্তুত ও চারা রোপণে বিলম্ব হচ্ছে। এতে চলতি মৌসুমে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

এদিকে, সার সংকটের মধ্যেই মিঠামইন উপজেলার কেওয়ারজোর ইউনিয়নে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে সার পাচারের একটি ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে একটি ব্রিজের নিচে দীর্ঘক্ষণ একটি মালবোঝাই ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে ট্রাকচালক চাকার বেয়ারিং ভেঙে যাওয়ার কথা বললেও ট্রাকে কী মাল রয়েছে বা কোথায় নেওয়া হচ্ছে—এসব প্রশ্নের কোনো সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। পরে ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবতাব উদ্দিন ভূয়াকে ঘটনাস্থলে ডাকা হলে তাকে দেখে ট্রাকচালক ও তার সহযোগী পালিয়ে যান।

স্থানীয়দের সহায়তায় ট্রাকের ত্রিপল খুলে দেখা যায়, এতে ৮০ বস্তা সরকারি সার রয়েছে। কেওয়ারজোর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মাসুদ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, এলাকায় ডিলার থাকা সত্ত্বেও কৃষকরা নিয়মিত সার পান না। তাহলে এসব সার কোথায় যাচ্ছে—সেটাই বড় প্রশ্ন।

সাবেক চেয়ারম্যান আবতাব উদ্দিন ভূয়া জানান, তিনি বিষয়টি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। পরে কৃষি কর্মকর্তা ও পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সারগুলো জব্দ করে একটি দোকানে সংরক্ষণ করেন। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, অজ্ঞাত কারণে ট্রাক, চালক ও সহযোগীদের জব্দ না করেই ছেড়ে দেওয়া হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওয়াবাইদুল ইসলাম খান অপু বলেন, মালিক শনাক্ত না হওয়ায় সারগুলো জব্দ করা হয়েছে। উপজেলা সার বণ্টন কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসব সার সরকার নির্ধারিত মূল্যে প্রান্তিক কৃষকদের কাছে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লিয়াকত আলী জানান, কৃষি কর্মকর্তা ও ইউএনওর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম আব্দুল্লাহ বিন শফিক বলেন, জব্দকৃত সার ৪০ জন প্রান্তিক কৃষকের মাঝে সরকারি মূল্যে বিতরণ করা হবে। তিনি ট্রাক ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ অস্বীকার করেন।

স্থানীয় কৃষকদের দাবি, এটি একটি সংঘবদ্ধ কালোবাজারি সিন্ডিকেটের কাজ। তারা অবিলম্বে দোষীদের আইনের আওতায় এনে হাওরাঞ্চলের কৃষকদের জন্য ন্যায্যমূল্যে সার নিশ্চিত করতে সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।


মারিয়ায় জমি দখলের বিরোধে ভাই-ভাবীর হামলায় নারী ও শিশুসহ আহত তিন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
মারিয়ায় জমি দখলের বিরোধে ভাই-ভাবীর হামলায় নারী ও শিশুসহ আহত তিন

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মারিয়া ইউনিয়নের পূর্ব কাতিয়ারচর এলাকায় পারিবারিক জমি বিরোধের জেরে সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ তিনজন আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই ঘটনায় বসতঘর ভাঙচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

আহতরা হলেন মো. শিপন মিয়া (৪০), তাঁর স্ত্রী নূরুন্নাহার (৩৫) এবং তাঁদের মেয়ে সোনালী (১০)। গুরুতর আহত স্ত্রী ও কন্যা বর্তমানে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ভুক্তভোগী শিপন মিয়া কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে জানান, তাঁর দুই ভাই মো. খোকন (৪৫), মো. সাদেক (২২) এবং ভাবি মোছা তানজিনাসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তানজিনা ইট দিয়ে শিপন মিয়ার পায়ে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। এ সময় স্ত্রী নূরুন্নাহার বাধা দিতে গেলে তাঁর চুল ধরে ফেলে দিয়ে লোহার রড দিয়ে চোখের পাশে আঘাত করা হয়। তাঁদের কন্যা সোনালী এগিয়ে এলে মো. সাদেক ধারালো দা দিয়ে কোপ দিলে শিশুটির গালে গুরুতর জখম হয়।

একপর্যায়ে হামলাকারীরা দা, লাঠি ও লোহার রড দিয়ে বসতঘরের দরজা, জানালা ও টিনের বেড়া ভাঙচুর করে এবং ঘরের আসবাবপত্র নষ্ট করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসা শেষে শিপন মিয়া থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, অভিযুক্তরা এখনো তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।

ভুক্তভোগী শিপন মিয়া বলেন, তাঁর পৈতৃক সম্পত্তির পরিমাণ কম হওয়ায় তা বিক্রি করার ইচ্ছা প্রকাশ করলে বড় ভাই খোকন ওই জমি নেওয়ার আগ্রহ দেখান। পরে টাকা না দিয়েই জমি দখলের চেষ্টা করেন। টাকা ছাড়া জমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভাই ও ভাবি তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি ও নির্যাতন করতে থাকেন। তিনি আরও জানান, একমাত্র কন্যা সোনালীর নামে জমি লিখে দেওয়ার কথা বলার পর থেকে তাঁর অনুপস্থিতিতে স্ত্রী ও সন্তানের সঙ্গে খারাপ আচরণ শুরু হয়। আগেও দুই দফা হামলার ঘটনা ঘটলেও সর্বশেষ ঘটনায় তারা মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হয়েছেন।

তিনি প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করেন।

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ মডেল থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তারেক রহমানের ভালোবাসার প্রমাণ ভোটের মাঠে দেখতে চান আব্দুস সালাম

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের ভালোবাসার প্রমাণ ভোটের মাঠে দেখতে চান আব্দুস সালাম

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির প্রচারণা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, তারেক রহমানকে ভালোবাসলে ভোটের মাঠে তার প্রমাণ দিতে হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে ঢাকা-১৭ আসন বিএনপির প্রধান কার্যালয়ে সিএনজি ও অটোরিকশা চালকদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আবদুস সালাম বলেন, তারেক রহমানই বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য সবচেয়ে যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য নেতা। দেশ ও জনগণের কল্যাণে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনা ছাড়া বিকল্প নেই। শুধু মনে মনে চাইলে হবে না, মাঠে কাজ করতে হবে। কাজ না করলে ফল পাওয়া যাবে না। যারা সত্যিকার অর্থে তারেক রহমানকে ভালোবাসেন, তাদের ভোটের মাঠেই তা প্রমাণ করতে হবে।

সিএনজি, অটোরিকশা, রিকশা ও প্রাইভেটকার চালকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার শুরু হবে। আপনারা নিজ নিজ গাড়িতে আমাদের স্টিকার ও লিফলেট লাগান, কিংবা নিজ হাতে লিখে লিখে লাগান ‘তারেক রহমানের জন্য ভোট চাই’। ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই।

তিনি আরও বলেন, একটি মহল অর্থের বিনিময়ে ভোট নষ্ট করার জন্য প্ররোচনা দিচ্ছে। টাকার লোভে পড়ে ঈমান নষ্ট করবেন না। তারা এক বা দুইটি আসনে ভোট নষ্ট করে বিএনপির অগ্রযাত্রা থামিয়ে দিতে চায়। এ বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে হবে।

ঢাকা-১৭ আসনের চারটি থানার প্রতিটি এলাকায় পরিকল্পিতভাবে প্রচারণা চালানোর নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, বস্তি এলাকা, শ্রমজীবী মানুষ এবং সিএনজি ও রিকশা শ্রমিকদের আবাসিক এলাকাগুলোতে অবশ্যই যেতে হবে। এটি দলের পক্ষ থেকে বাধ্যতামূলক দায়িত্ব।

তিনি বলেন, বিএনপি সবসময় দুঃসময়ে মানুষের পাশে ছিল, আছে এবং থাকবে। তারেক রহমান ছাড়া এই দেশে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মতো যোগ্য নেতা আর কেউ নেই।

প্রতারকদের হাতে দেশ তুলে দেওয়া হবে না: মির্জা আব্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
প্রতারকদের হাতে দেশ তুলে দেওয়া হবে না: মির্জা আব্বাস

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, দেশ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কাজ করে যাব, ইনশাআল্লাহ। তবে কোনো প্রতারক, ধান্দাবাজ ও কসাইদের হাতে দেশকে তুলে দেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিএনপি।

সভায় দুইটি দলের নেতাকর্মীদের প্রতি ইঙ্গিত করে মির্জা আব্বাস বলেন, “ওরা যেভাবে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে, আমি ধৈর্য ধরে রাখতে পারছি না। আমার বাড়ি ঢাকা ও শাহজাহানপুরে। আমার ঠিকানা আছে। যারা ঠিকানাবিহীন, তারা বলে আমার বাড়ি অমুক জায়গায়। আমি ঠিকানাবিহীন লোক নই, এটা মাথায় রাখতে হবে।”

দেশের প্রয়োজনে রাজপথে থাকার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, “আমি এই দেশের একজন কর্মী। দেশকে স্বাধীন করা থেকে শুরু করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যা কিছু করা প্রয়োজন, সবকিছু করেছি এবং জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত করব, ইনশাআল্লাহ। তবে কোনো প্রতারক, ধান্দাবাজ ও কসাইদের হাতে এই দেশকে পড়তে দেব না।”

নতুন প্রজন্মের রাজনীতিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমরা কলেজে পড়েছি, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছি, কিন্তু লোভ করিনি। তোমরা আজ লোভ করছো। এত পাগল হওয়ার কী আছে? বয়স কম, রাজনীতি শেখো। ধীরে ধীরে রাজনীতি করো, দেশের উন্নতি করো, এটাই আমরা চাই। রাজনীতি করার জন্য তোমাদের রাস্তায় ফুল বিছিয়ে দেব। কিন্তু অপকর্ম করলে তার জবাব দিতে আমরা সক্ষম, ইনশাআল্লাহ।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু এবং চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ দলের শীর্ষ নেতারা।