সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৮ ১৪৩২
সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৮ ১৪৩২

কিশোরগঞ্জ–৬ আসনে শেষ সময়ে তুঙ্গে বিএনপি প্রার্থী শরীফুল আলমের প্রচারণা

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৫৫ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কিশোরগঞ্জ–৬ আসনে শেষ সময়ে তুঙ্গে বিএনপি প্রার্থী শরীফুল আলমের প্রচারণা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচারণার শেষ পর্যায়ে কিশোরগঞ্জ–৬ (ভৈরব–কুলিয়ারচর) আসনে নির্বাচনী তৎপরতা তীব্র আকার ধারণ করেছে। ভোটগ্রহণের আর মাত্র তিন দিন বাকি থাকায় মাঠ পর্যায়ে প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। এ প্রেক্ষাপটে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরীফুল আলম কাকডাকা ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও কর্মীসভায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি প্রতিদিন ভৈরব ও কুলিয়ারচর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন, পৌরসভা ও ওয়ার্ডভিত্তিক এলাকায় ধারাবাহিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। স্থানীয় বাজার, গ্রামাঞ্চল, পাড়া-মহল্লা ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে গিয়ে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন। পাশাপাশি ভোটারদের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শুনে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও দলীয় কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করছেন।

গণসংযোগকালে শরীফুল আলম বলেন, “এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জনসেবামুখী কার্যক্রম বাস্তবায়নে আমি কাজ করতে চাই। জনগণের প্রত্যাশা পূরণই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নে খাল খনন কর্মসূচি এবং ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

উঠান বৈঠক ও কর্মীসভায় তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে মাঠে কাজ করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে প্রচারণা পরিচালনা এবং ভোটের দিন ভোরে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে দিকনির্দেশনা দেন।

প্রতিটি কর্মসূচিতে উপজেলা ও পৌর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং নির্বাচনী বার্তা পৌঁছে দিতে আলাদা আলাদা টিম গঠন করে কাজ করছেন বলেও দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজন ভোটার জানান, নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের সরাসরি এলাকায় এসে কথা বলা একটি ইতিবাচক দিক। তারা অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা, কৃষি সহায়তা ও কর্মসংস্থান নিয়ে নিজেদের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।

হোসেনপুরে ধানের শীষে জনস্রোত, মাঠে নেমেছে হাজারো সমর্থক

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:০৯ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে ধানের শীষে জনস্রোত, মাঠে নেমেছে হাজারো সমর্থক

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ–১ (সদর–হোসেনপুর) আসনে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা। এরই ধারাবাহিকতায় ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থনে জেলা বিএনপির উদ্যোগে একটি বিশাল নির্বাচনী গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পৌর এলাকার ঢেকিয়া খেলার মাঠ থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে হাসপাতাল চৌরাস্তায় গিয়ে শেষ হয়।

হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারের অংশগ্রহণে মিছিলটি উত্তাল জনস্রোতে পরিণত হয়। ব্যানার, ফেস্টুন ও দলীয় পতাকা হাতে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো পৌর এলাকা। অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগানে বলেন— “আমরা সবাই একজোট, ধানের শীষে দেব ভোট”, “তারেক জিয়ার সালাম নিন, ধানের শীষে ভোট দিন।”

মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশের মানুষ আবার ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। তিনি বলেন, “ধানের শীষ শুধু একটি দলের প্রতীক নয়; এটি দেশবাসীর আবেগ, আশা ও প্রত্যাশার প্রতীক।” তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিজয় নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

নজিরবিহীন এ বিশাল মিছিলে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি খালেদ সাইফুল্লাহ (ভিপি সোহেল)। তিনি বক্তব্যের একপর্যায়ে জনতার উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন— “ভোট দেবো কীসে?” জবাবে উপস্থিত জনতা আশপাশের বাতাস কাঁপিয়ে সমস্বরে স্লোগান দেন— “ধানের শীষে।”

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী ইসরাঈল মিয়া, জেলা যুবদলের সভাপতি খসরুজ্জামান শরীফ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আবু নাসের সুমন এবং সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শিল্পপতি মো. জহিরুল ইসলাম মবিন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. রফিকুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইসলাম জুয়েল, শফিকুল ইসলাম কাঞ্চন, মনিরুল হক রাজন, মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, আবুল হাসিম সবুজ, আবুবকর সিদ্দিক বাক্কার, ফরিদ উদ্দিন, এ আই খান শিবলু, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. সাফায়াতুল হাসান সম্রাট, পৌর বিএনপির সভাপতি শফিকুল হক শফিক, সাধারণ সম্পাদক মানছুরুল হক রবিন, উপজেলা বিএনপির সদস্য অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলমসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।

কিশোরগঞ্জ–১ আসনে নির্বাচনী উত্তাপ তুঙ্গে, বিদ্রোহী প্রার্থী চুন্নুর বিশাল মিছিল

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জ–১ আসনে নির্বাচনী উত্তাপ তুঙ্গে, বিদ্রোহী প্রার্থী চুন্নুর বিশাল মিছিল

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ সদর–হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ–১) আসনে নির্বাচনী মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। বিভিন্ন দলের জোরালো প্রচারণায় পুরো এলাকায় তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। ১১ দলীয় জোট থেকে জামায়াতে ইসলামী কোনো প্রার্থী না থাকায় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রেজাউল করিম খান চুন্নু বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পর কিশোরগঞ্জ শহরের রেলস্টেশন এলাকা থেকে রেজাউল করিম খান চুন্নুর নেতৃত্বে একটি বিশাল নির্বাচনী মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় রেলস্টেশন এলাকায় এসে শেষ হয়। এতে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়, যা এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।

এবারের নির্বাচনে রেজাউল করিম খান চুন্নু বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে “মোরগ” প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর আগে তিনি দুই দফা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সাবেক বিভাগীয় স্পেশাল জজ হিসেবেও পরিচিত।

মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে রেজাউল করিম খান চুন্নু বলেন, “কিশোরগঞ্জ আমার জন্মভূমি। এখানকার মানুষ, মাটি, সংস্কৃতি ও ইতিহাস আমাদের গর্বের অংশ। কিন্তু এই আসন কি তার সম্ভাবনা অনুযায়ী উন্নয়ন পেয়েছে—সে প্রশ্ন আজও রয়ে গেছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমি শুধু প্রতিশ্রুতি দিতে আসিনি, বাস্তবভিত্তিক পরিবর্তন আনতেই মাঠে নেমেছি। একটি সমৃদ্ধ, কর্মচঞ্চল, বৈষম্যহীন ও শান্তিপূর্ণ কিশোরগঞ্জ গড়াই আমার লক্ষ্য।”

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ‘মোরগ’ প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের সমর্থন পেলে একটি আধুনিক ও উন্নত কিশোরগঞ্জ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

কটিয়াদীতে ধানের শীষের শেষ নির্বাচনী জনসভায় জনসমুদ্র

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪০ অপরাহ্ণ
কটিয়াদীতে ধানের শীষের শেষ নির্বাচনী জনসভায় জনসমুদ্র

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ–সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে ধানের শীষ প্রতীকের সর্বশেষ নির্বাচনী জনসভায় জনতার ঢল নেমেছে। জনসভা শুরুর অনেক আগেই সভাস্থল পরিণত হয় জনসমুদ্রে।

সোমবার বিকেল ৩টা থেকেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে দলে দলে মানুষ কটিয়াদী সরকারি কলেজের খেলার মাঠে এসে জড়ো হতে থাকেন। ধানের শীষের স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে কটিয়াদী বাজার ও আশপাশের এলাকা। অনেকেই জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে সমাবেশে অংশ নেন।

বিকেলে অনুষ্ঠিত জনসভায় কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কিশোরগঞ্জ–২ (কটিয়াদী–পাকুন্দিয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেন, “আজ আমাদের দেশ দুটি ধারায় বিভক্ত। একদিকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বিএনপি, অন্যদিকে স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী একটি শক্তি, যারা ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।”

তিনি আরও বলেন, “গত ১৭ বছরে কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়ায় কাঙ্ক্ষিত কোনো উন্নয়ন হয়নি। এখানকার মানুষ এখনো মৌলিক সেবা থেকে বঞ্চিত। বিএনপি ক্ষমতায় এলে রাস্তাঘাট উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা ও সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম নতুন করে শুরু করা হবে—ইনশাআল্লাহ।”

ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “একটি দল ধর্মকে ভোটের হাতিয়ার বানিয়ে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে মা–বোনদের বিভ্রান্ত করছে। এ এলাকার জনগণ ইতোমধ্যে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।”

তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন সবাইকে সকালেই ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি অন্যদের ভোট দিতে উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানান।

জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহসভাপতি রুহুল আমিন আকিল, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আশফাক আহমেদ জুন, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুজ্জামান কাকন, পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. তৌফিকুল ইসলামসহ জেলা, উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এছাড়া কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ মিছিল নিয়ে জনসভায় অংশগ্রহণ করেন। বিশাল উপস্থিতিতে জনসভাস্থল ও আশপাশের সড়ক জনসমুদ্রে পরিণত হয়।