বাজিতপুরে ১৭৫ প্রতিবন্ধী শিশু পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ
filter: 0; jpegRotation: 0; fileterIntensity: 0.000000; filterMask: 0; module:1facing:0; hw-remosaic: 0; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: Night; cct_value: 0; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 57.0; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0;
বাজিতপুর উপজেলার পিরিজপুর ইউনিয়নের বিলপাড়–ডুয়াইগাঁও এলাকায় অবস্থিত মৃত্তিকা প্রতিবন্ধী শিশু পাঠশালা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের উদ্যোগে ১৭৫টি অতিদরিদ্র প্রতিবন্ধী শিশু পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে ডা. নুরুন্নাহার মেহেরুল ফাউন্ডেশন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহায়তায় আয়োজিত ‘ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ–২০২৬’ অনুষ্ঠানে এ সহায়তা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ–৫ (বাজিতপুর–নিকলী) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মৃত্তিকা প্রতিবন্ধী শিশু পাঠশালার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও দৈনিক দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর স্টাফ রিপোর্টার নাসরুল আনোয়ার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মৃত্তিকা প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও পিএইচডি গবেষক ম. মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া।
এ সময় স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকেরা জানান, উপকারভোগী প্রতিটি পরিবারকে একটি করে প্যাকেট দেওয়া হয়। প্রতিটি প্যাকেটে ছিল তেল, পোলাও চাল, ডাল, চিনি, লবণ, আটা, পেঁয়াজ, রসুন, ওয়াশিং পাউডার, সাবান, সেমাই, নুডলস, দুধের প্যাকেট ও আলুসহ মোট ১৪টি নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও ব্যবহার্য সামগ্রী।
প্রতিষ্ঠানটির সংরক্ষিত উপকারভোগী তালিকায় প্রতিবন্ধী শিশু, প্রতিষ্ঠান-সংশ্লিষ্ট প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং অতিদরিদ্র পরিবারের সদস্যদের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান বলেন, “প্রতিবন্ধী শিশুরা সমাজের বোঝা নয়। যথাযথ শিক্ষা ও সহায়তা পেলে তারাও কর্মক্ষম মানুষে পরিণত হতে পারে।” তিনি তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে প্রতিবন্ধী শিশুদের কল্যাণে পাঁচ লাখ টাকা অনুদানের ঘোষণা দেন। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির এমপিওভুক্তির বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন।
বিশেষ অতিথি মনিরুজ্জামান মনির বলেন, “বাজিতপুরের মধ্যে একটি ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিষ্ঠান হলো মৃত্তিকা স্কুল। আমরা সব সময় এর পাশে আছি।”
সভাপতির বক্তব্যে নাসরুল আনোয়ার বলেন, “প্রায় ১০ বছর ধরে ১৭ জন স্টাফ সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাশ্রমে এ প্রতিষ্ঠানে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।”
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান শিক্ষক জন নূরে-হায়াত আফসানা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরেন। শেষে প্রধান ও বিশেষ অতিথি প্রতিবন্ধী শিশু পরিবারের সদস্যদের হাতে ঈদ উপহার সামগ্রীর প্যাকেট তুলে দেন।




