বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২ ১৪৩২

ইসিতে আপিল শুনানি শেষে কিশোরগঞ্জের আরও দুই প্রার্থীর প্রার্থিতা ফিরে পেল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:০০ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ইসিতে আপিল শুনানি শেষে কিশোরগঞ্জের আরও দুই প্রার্থীর প্রার্থিতা ফিরে পেল

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল শুনানি শেষে কিশোরগঞ্জের আরও দুই প্রার্থী প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত শুনানিতে তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে বিএনপির এক প্রার্থীর বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল আবেদন খারিজ করেছে কমিশন।

আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া প্রার্থীরা হলেন— কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী–পাকুন্দিয়া) আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম এবং কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী–বাজিতপুর) আসনের বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসনাত কাইয়ুম।

এ ছাড়া কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী–বাজিতপুর) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদার বিরুদ্ধে হলফনামায় অনিয়মের অভিযোগ এনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের করা আপিল আবেদন খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন।

জানা গেছে, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির তৃতীয় দিনে নির্বাচন কমিশন মোট ৪১টি আবেদন মঞ্জুর করেছে। একই দিনে ২৪টি আবেদন নামঞ্জুর করা হয় এবং ৪টি আবেদন অপেক্ষমাণ রাখা হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে ইসির জনসংযোগ শাখার পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক এসব তথ্য জানান।

বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম বলেন, প্রাথমিক যাচাইয়ে ১০ জন ভোটারের মধ্যে ছয়জনকে পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছিল। পরবর্তীতে প্রশাসন ও পুলিশের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের তদন্তে জানা যায়, ভোটাররা ভয়ভীতি বা বিভ্রান্তির কারণে তাকে চেনেন না বলে জানিয়েছিলেন। আপিল শুনানিতে দুইজন ভোটারকে কমিশনের সামনে হাজির করা হলে কমিশন তাদের বক্তব্য যাচাই করে তার আপিল মঞ্জুর করেন।

গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আগের সরকারের সময়ের একটি মামলার তথ্যগত জটিলতার কারণে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়ন বাতিল করেছিলেন। আপিল শুনানিতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করায় নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে।

অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদা বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন ছিল। নির্বাচন কমিশন আপিল খারিজ করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া বৈধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে।

চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে মৃত বিএনপি নেতা ডাবলুর জানাজা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে মৃত বিএনপি নেতা ডাবলুর জানাজা অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে মারা যাওয়া জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় জীবননগর পৌর ঈদগাহ ময়দানে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

ডাবলুর ছোট ভাই ও মা লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বি এম তারিক-উজ-জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) মো. আনোয়ারুল কবীর, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি ও বিজিএমইএর সভাপতি এবং চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ, সিআইপি আলহাজ সাহিদুজ্জামান টরিক, চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মারুফ সারোয়ার বাবু, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার অহিদুল আলমসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান ও সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন,
‘আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এই দেশে আমরা এ ধরনের মৃত্যু প্রত্যাশা করি না। ডাবলুর মৃত্যুর সঠিক বিচার চাই। ভবিষ্যতে যেন আর কাউকে এভাবে প্রাণ দিতে না হয়।’

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,
‘জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা অত্যন্ত মর্মাহত। পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচারে পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।’

পরিবারের সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হাফিজা ফার্মেসির সামনে থেকে ডাবলুকে আটক করা হয়। পরে রাত ১২টার পর তাকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিরাপত্তাহীনতা ও লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হলে নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
নিরাপত্তাহীনতা ও লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হলে নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় লুণ্ঠিত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিতের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জনস্বার্থে এই রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান।

রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছাড়াও স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশনের সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং র‍্যাবের মহাপরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে।

জামায়াতসহ ১১ দলের আসন সমঝোতা বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৪৫ অপরাহ্ণ
জামায়াতসহ ১১ দলের আসন সমঝোতা বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন স্থগিত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের মধ্যে নির্বাচনী আসন সমঝোতা সংক্রান্ত পূর্বঘোষিত সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ২টার দিকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় ১১ দলের পক্ষ থেকে ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ১১ দলের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, অনিবার্য কারণেই সংবাদ সম্মেলনটি স্থগিত করতে হয়েছে। তিনি জানান, এখনো কিছু প্রস্তুতির কাজ বাকি রয়েছে। পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনের নতুন তারিখ জানানো হবে।

এর আগে বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক আমন্ত্রণপত্রে জানানো হয়েছিল, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের মধ্যে আসন সমঝোতা বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা দিতে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)-এর মুক্তিযোদ্ধা হলে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। ওই সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকার কথা ছিল।