রবিবার, ৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩

৩১ দফার বার্তা ঘরে ঘরে— ভিপি সোহেলের পথসভায় জনতার উচ্ছ্বাস

রেজাউল হক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:০৪ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
৩১ দফার বার্তা ঘরে ঘরে— ভিপি সোহেলের পথসভায় জনতার উচ্ছ্বাস

রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা বাস্তবায়নকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ইশতেহারের সমরূপ মনে করা হচ্ছে। এই দফাসমূহকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার রামপুর বাজারে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) এক বিশাল পথসভা ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন কিশোরগঞ্জ-হোসেনপুরের জনমানুষের নেতা, বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী, রাজপথের লড়াকু সৈনিক খালেদ সাইফুল্লাহ (ভিপি সোহেল)

দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার রাষ্ট্রের প্রায় সব অঙ্গ ধীরে ধীরে দুর্বল করে ফেলে। এই প্রেক্ষাপটে ২০২৩ সালের ১২ জুলাই রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক ঐতিহাসিক জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন ১৩ জুলাই দলটি ঘোষণা করে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা কর্মপরিকল্পনা, যা দেশের রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও বিচার কাঠামো সংস্কারের মানচিত্র হিসেবে বিবেচিত হয়।

পরবর্তীতে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হয় বিতর্কিত ‘পুতুল নির্বাচন’। এর কয়েক মাস পর ছাত্রদের কোটা আন্দোলন গণ-আন্দোলনে রূপ নেয়। একপর্যায়ে আন্দোলন ১ দফায় ‘সরকার পতনের’ দাবিতে রূপ নেয়। অবশেষে ৫ আগস্ট ২০২৪, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন।

দেশের সংকট মুহূর্তে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। এক বছরেরও বেশি সময় পর, ২০২৫ সালের নভেম্বরে যখন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ঘনিয়ে এসেছে, তখনও বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা ঘোষণার আড়াই বছর পর তা দেশের পুনর্গঠনের মূল ভিত্তি হিসেবে আলোচনায় রয়েছে।

এই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় হোসেনপুর উপজেলাধীন রামপুর বাজারে অনুষ্ঠিত হয় বিএনপির এক পথসভা। ভিপি সোহেলের উপস্থিতির খবরে জনতার ঢল নামে। দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ উচ্ছ্বাসে তাকে ঘিরে ধরে। সভাস্থলে লিফলেট বিতরণ করা হয়, যেখানে ৩১ দফার প্রতিটি মূল দিক তুলে ধরা হয়— রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক কাঠামো পুনর্গঠন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, দুর্নীতি দমন ও প্রশাসনিক সংস্কারের মতো বিষয়গুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভিপি সোহেল বলেন—

“যেই বাংলাদেশে তারেক রহমানের মা, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, সেই বাংলাদেশে হাসিনার অত্যাচারের কারণে তিনি থাকতে পারেননি। সেই মানুষটিকে আমাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে। তাই তোমরা যত স্লোগান আমার নামে দাও, তার চেয়ে বেশি স্লোগান তার নামেই দাও।”

তার বক্তব্য শেষে উপস্থিত নেতা-কর্মীরা স্লোগানে ফেটে পড়ে—
“তারেক রহমান বীরের বেশে, আসবে ফিরে বাংলাদেশে।”
মুহূর্তেই রামপুর বাজার এলাকা প্রকম্পিত হয়ে ওঠে।

পথসভায় বিন্নাটী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইব্রাহীম মোল্লা বলেন—

“কিশোরগঞ্জ কাকে চায়? হোসেনপুর কাকে চায়?
খালেদা জিয়া কাকে চায়? তারেক রহমান কাকে চায়?
ধানের শীষে কাকে চাই? রাজপথে ভুলি নাই!
সুখে দুখে কাকে পাই, সংগ্রামে কাকে পাই,
কারাগারে কাকে পাই, সুসময়েও তাকেই চাই!”

তার স্লোগানের জবাবে জনতা একসঙ্গে গর্জে ওঠে—
“সোহেল ভাই! সোহেল ভাই!”

স্লোগান, করতালি ও সমর্থনের জোয়ারে পথসভাটি একপর্যায়ে মহাসমাবেশের রূপ নেয়।

কর্মসূচিতে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষও ভিপি সোহেলের প্রতি গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন। অনেকেই বলেন, “কিশোরগঞ্জ-হোসেনপুরের মানুষ তার লড়াকু নেতৃত্বে আশার আলো দেখে।”

সভা শেষে কর্মীরা লিফলেট বিতরণ অব্যাহত রাখেন এবং রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার বার্তা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

বিএনপির স্থানীয় নেতৃত্বের ভাষ্যে—

“রাষ্ট্র সংস্কারের এই ৩১ দফাই দেশের পুনর্গঠনের রূপরেখা—
এটি এখন কেবল একটি ঘোষণা নয়, বরং আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির ইশতেহারের প্রতীক।”

কটিয়াদীতে জমকালো আয়োজনে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল ফাইনাল

কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১১:১৬ অপরাহ্ণ
কটিয়াদীতে জমকালো আয়োজনে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল ফাইনাল

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ (উপজেলা পর্যায়)-এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। মাঠজুড়ে ছিল দর্শকদের উচ্ছ্বাস, আর খেলোয়াড়দের প্রাণবন্ত পারফরম্যান্সে জমে ওঠে পুরো আয়োজন।

শুক্রবার (১ মে) বিকেলে কটিয়াদী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই ফাইনাল খেলায় বালক ও বালিকা—উভয় বিভাগেই দেখা যায় দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা।

বালক বিভাগে ৫-১ গোলের দাপুটে জয়ে লোহাজুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পরাজিত করে কাঁঠালতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

অন্যদিকে বালিকা বিভাগে ৪-২ গোলের ব্যবধানে চরপুক্ষিয়া ১নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে হারিয়ে বেথইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিরোপা জিতে নেয়।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানা, কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপ, সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন, সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান সজল সরকার, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. জুহর লাল সাহা, সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান স্বপন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফুলু ও শামসুল হক চাঁন মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান ও হাজী মোহাম্মদ আলী, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম মাসুদ, সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম সেতু, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মো. জিল্লুর রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. ইলিয়াস আলী, সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম সেলিম, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তসরিফুল হাসিবসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

টুর্নামেন্টের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম তালুকদার।

খেলা শেষে বিজয়ী দলগুলোর হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। প্রাণবন্ত এই আয়োজনকে ঘিরে খেলোয়াড়, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে বিরাজ করে উৎসবের আমেজ ও ব্যাপক উচ্ছ্বাস।

ভৈরবে কাভার্ডভ্যান ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত চালক

ভৈরব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ
ভৈরবে কাভার্ডভ্যান ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত চালক

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভৈরবে প্রাণ-আরএফএল কোম্পানির একটি কাভার্ডভ্যান ও যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে শহরের জগন্নাথপুর-লক্ষ্মীপুর রেলক্রসিং সংলগ্ন ওভারব্রিজের ওপর এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এতে কাভার্ডভ্যানের চালক জাবেদ মিয়াসহ কয়েকজন যাত্রী আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় চালক জাবেদ মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, আহত জাবেদ মিয়া সিলেটের মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার হামিদপুর গ্রামের মৃত হোসেন আলীর ছেলে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে হাইওয়ে পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও কাভার্ডভ্যান জব্দ করে থানায় নেওয়া হচ্ছে।

ভৈরব হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুমন কুমার চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত কাভার্ডভ্যান চালক জাবেদ মিয়াকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত দুটি যানবাহন থানা হেফাজতে আনা হয়েছে। দুর্ঘটনার পরও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

হোসেনপুরে চুরি যাওয়া ট্রাক্টর সুনামগঞ্জ থেকে উদ্ধার, মালিকের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

সঞ্জিত চন্দ্র শীল, হোসেনপুর প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে চুরি যাওয়া ট্রাক্টর সুনামগঞ্জ থেকে উদ্ধার, মালিকের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

অবশেষে সন্ধান মিলল হোসেনপুর পৌরসভা ভবনের সামনে থেকে চুরি যাওয়া সেই আলোচিত আইশার ট্রাক্টরের। কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর থেকে চুরি হওয়ার প্রায় এক সপ্তাহ পর সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর এলাকা থেকে ট্রাক্টরটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

গত ২৩ এপ্রিল ২০২৬ রাতে হোসেনপুর পৌর ভবনের পূর্ব দিকে শহীদ মিনার সংলগ্ন ফাঁকা জায়গা থেকে ৯ লাখ ৫ হাজার টাকা মূল্যের আইশার ট্রাক্টরটি চুরি হয়। এ ঘটনায় ট্রাক্টরের মালিক মোঃ কামরুজ্জামান কাঞ্চন হোসেনপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগের পর পুলিশ ও সাংবাদিকদের তৎপরতায় বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। প্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (১ মে) সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ট্রাক্টরটি উদ্ধার করা হয়। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।

ট্রাক্টর ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত মালিক মোঃ কামরুজ্জামান কাঞ্চন বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ। প্রথমে মহান আল্লাহর নিকট লাখো কোটি শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি। এলাকাবাসীর দোয়া, সাংবাদিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার ভাই-বন্ধু এবং প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় আমার ট্রাক্টরটি পাওয়া গেছে। আমি সকলের প্রতি এর জন্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি।”

তিনি আরও বলেন, চুরির ঘটনার পর আমি দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম। পত্রিকায় নিউজ হওয়ার পর পুলিশ আরও তৎপর হয়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আজ আমার সম্পদ ফিরে পেলাম।

হোসেনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম জানান, চুরি যাওয়া ট্রাক্টরটি সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। চোর চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি আন্তঃজেলা চোরচক্রের কাজ। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

পৌর ভবনের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানের সামনে থেকে ট্রাক্টর চুরির ঘটনায় হোসেনপুর পৌরবাসীর মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছিল। দ্রুত সময়ের মধ্যে ট্রাক্টরটি উদ্ধার হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এলাকাবাসী পুলিশ প্রশাসন ও সংবাদকর্মীদের দ্রুত পদক্ষেপের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ২৯ এপ্রিল “প্রশাসনের নাকের ডগায় ট্রাক্টর চুরি, উদ্বেগ হোসেনপুর পৌরবাসীর” শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।