বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

৩১ দফার বার্তা ঘরে ঘরে— ভিপি সোহেলের পথসভায় জনতার উচ্ছ্বাস

রেজাউল হক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:০৪ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
৩১ দফার বার্তা ঘরে ঘরে— ভিপি সোহেলের পথসভায় জনতার উচ্ছ্বাস

রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা বাস্তবায়নকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ইশতেহারের সমরূপ মনে করা হচ্ছে। এই দফাসমূহকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার রামপুর বাজারে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) এক বিশাল পথসভা ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন কিশোরগঞ্জ-হোসেনপুরের জনমানুষের নেতা, বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী, রাজপথের লড়াকু সৈনিক খালেদ সাইফুল্লাহ (ভিপি সোহেল)

দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার রাষ্ট্রের প্রায় সব অঙ্গ ধীরে ধীরে দুর্বল করে ফেলে। এই প্রেক্ষাপটে ২০২৩ সালের ১২ জুলাই রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক ঐতিহাসিক জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন ১৩ জুলাই দলটি ঘোষণা করে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা কর্মপরিকল্পনা, যা দেশের রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও বিচার কাঠামো সংস্কারের মানচিত্র হিসেবে বিবেচিত হয়।

পরবর্তীতে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হয় বিতর্কিত ‘পুতুল নির্বাচন’। এর কয়েক মাস পর ছাত্রদের কোটা আন্দোলন গণ-আন্দোলনে রূপ নেয়। একপর্যায়ে আন্দোলন ১ দফায় ‘সরকার পতনের’ দাবিতে রূপ নেয়। অবশেষে ৫ আগস্ট ২০২৪, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন।

দেশের সংকট মুহূর্তে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। এক বছরেরও বেশি সময় পর, ২০২৫ সালের নভেম্বরে যখন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ঘনিয়ে এসেছে, তখনও বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা ঘোষণার আড়াই বছর পর তা দেশের পুনর্গঠনের মূল ভিত্তি হিসেবে আলোচনায় রয়েছে।

এই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় হোসেনপুর উপজেলাধীন রামপুর বাজারে অনুষ্ঠিত হয় বিএনপির এক পথসভা। ভিপি সোহেলের উপস্থিতির খবরে জনতার ঢল নামে। দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ উচ্ছ্বাসে তাকে ঘিরে ধরে। সভাস্থলে লিফলেট বিতরণ করা হয়, যেখানে ৩১ দফার প্রতিটি মূল দিক তুলে ধরা হয়— রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক কাঠামো পুনর্গঠন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, দুর্নীতি দমন ও প্রশাসনিক সংস্কারের মতো বিষয়গুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভিপি সোহেল বলেন—

“যেই বাংলাদেশে তারেক রহমানের মা, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, সেই বাংলাদেশে হাসিনার অত্যাচারের কারণে তিনি থাকতে পারেননি। সেই মানুষটিকে আমাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে। তাই তোমরা যত স্লোগান আমার নামে দাও, তার চেয়ে বেশি স্লোগান তার নামেই দাও।”

তার বক্তব্য শেষে উপস্থিত নেতা-কর্মীরা স্লোগানে ফেটে পড়ে—
“তারেক রহমান বীরের বেশে, আসবে ফিরে বাংলাদেশে।”
মুহূর্তেই রামপুর বাজার এলাকা প্রকম্পিত হয়ে ওঠে।

পথসভায় বিন্নাটী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইব্রাহীম মোল্লা বলেন—

“কিশোরগঞ্জ কাকে চায়? হোসেনপুর কাকে চায়?
খালেদা জিয়া কাকে চায়? তারেক রহমান কাকে চায়?
ধানের শীষে কাকে চাই? রাজপথে ভুলি নাই!
সুখে দুখে কাকে পাই, সংগ্রামে কাকে পাই,
কারাগারে কাকে পাই, সুসময়েও তাকেই চাই!”

তার স্লোগানের জবাবে জনতা একসঙ্গে গর্জে ওঠে—
“সোহেল ভাই! সোহেল ভাই!”

স্লোগান, করতালি ও সমর্থনের জোয়ারে পথসভাটি একপর্যায়ে মহাসমাবেশের রূপ নেয়।

কর্মসূচিতে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষও ভিপি সোহেলের প্রতি গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন। অনেকেই বলেন, “কিশোরগঞ্জ-হোসেনপুরের মানুষ তার লড়াকু নেতৃত্বে আশার আলো দেখে।”

সভা শেষে কর্মীরা লিফলেট বিতরণ অব্যাহত রাখেন এবং রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার বার্তা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

বিএনপির স্থানীয় নেতৃত্বের ভাষ্যে—

“রাষ্ট্র সংস্কারের এই ৩১ দফাই দেশের পুনর্গঠনের রূপরেখা—
এটি এখন কেবল একটি ঘোষণা নয়, বরং আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির ইশতেহারের প্রতীক।”

প্রথম আঘাত ইংল্যান্ডের, শেষ হাসি আর্জেন্টিনার

ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:১৬ পূর্বাহ্ণ
প্রথম আঘাত ইংল্যান্ডের, শেষ হাসি আর্জেন্টিনার

প্রথমে গোল হজম, এরপর একচেটিয়া আধিপত্য। পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ৫৫ মিনিটে অ্যান্টনি গর্ডনের গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্টিনেজের গোলে নাটকীয় জয় নিশ্চিত করেন লিওনেল মেসিরা।

সেমিফাইনালের প্রথম এক ঘণ্টা পর্যন্ত ম্যাচে এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। তবে সেই গোল যেন উল্টো আর্জেন্টিনাকে আরও ক্ষুধার্ত করে তোলে। গোল হজমের পর থেকেই বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা আক্রমণের পর আক্রমণ চালিয়ে ইংল্যান্ডকে নিজেদের অর্ধেই আটকে রাখে। কার্যত হাফলাইন পেরিয়ে আক্রমণে ওঠার সুযোগই পায়নি ‘থ্রি লায়ন্স’।

৮৫ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে অসাধারণ দূরপাল্লার শটে সমতা ফেরান মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। সমতায় ফিরেই আক্রমণের গতি আরও বাড়ায় আর্জেন্টিনা।

নির্ধারিত সময়ের দুই মিনিট আগে লিওনেল মেসির নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে জয়সূচক গোল করেন লাউতারো মার্টিনেজ। সেই গোলেই ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে ফাইনালের টিকিট কাটে আলবিসেলেস্তেরা।

আগামী রোববার বাংলাদেশ সময় রাত ১ টায় শিরোপার লড়াইয়ে স্পেনের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল রুদ্ধশ্বাস ও শারীরিক লড়াইয়ে ভরপুর। শুরু থেকেই দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা।

  • প্রথম ১০ মিনিটেই হয় ৭টি ফাউল, যার মধ্যে ৪টিই করে আর্জেন্টিনা।
  • প্রথমার্ধ শেষে মোট ১৯টি ফাউল নথিভুক্ত হয়। এর মধ্যে আর্জেন্টিনা ১২টি এবং ইংল্যান্ড ৭টি ফাউল করে।
  • মাঝেমধ্যেই দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়।
  • প্রথমার্ধে উভয় দলই দুটি করে শট নেয়। ইংল্যান্ডের একটি শট লক্ষ্যভেদী ছিল।

প্রথমার্ধ থেকেই আর্জেন্টিনার আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তাঁর নিখুঁত পাস, বল নিয়ন্ত্রণ ও টার্ন ইংল্যান্ডের রক্ষণকে বারবার চাপে ফেলে। দ্বিতীয়ার্ধে সেই চাপ আরও বাড়িয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় আর্জেন্টিনা।

গোল হজমের পর যেভাবে পুরো ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে ইংল্যান্ডকে রক্ষণাত্মক খেলতে বাধ্য করেছে, তা বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের মানসিক দৃঢ়তা ও আক্রমণাত্মক ফুটবলেরই প্রমাণ। শেষ পর্যন্ত এনজো ও লাউতারোর দুই গোলেই স্বপ্নের ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে মেসির দল।

মিঠামইনে গাছকাণ্ডে পদ স্থগিত সেই বিএনপি সভাপতি সন্ত্রাসী হামলায় নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৬ পূর্বাহ্ণ
মিঠামইনে গাছকাণ্ডে পদ স্থগিত সেই বিএনপি সভাপতি সন্ত্রাসী হামলায় নিহত

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলা বিএনপির পদ স্থগিত সভাপতি জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীরকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলা সদরের বেড়িবাঁধ এলাকার নিজ বাড়ির সামনে দুর্বৃত্তদের হামলায় তিনি নিহত হন। হামলায় তার সঙ্গে থাকা বিএনপি কর্মী হাদিস মিয়াও গুরুতর আহত হয়েছেন।

মিঠামইন উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক মো. আব্দুল আওয়াল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রাতে মিঠামইন বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীরের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় অজ্ঞাতপরিচয় তিন থেকে চারজন। হামলাকারীরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা বিএনপি কর্মী হাদিস মিয়াকেও কুপিয়ে আহত করা হয়।

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীরকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত হাদিস মিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে।

এর আগে গত ফেব্রুয়ারীতে কামালপুর বেড়িবাঁধের মেহগনি গাছ কাটার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। ওই মামলায় তিনি গ্রেপ্তার হন এবং পরে জামিনে মুক্তি পান। দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে কেন্দ্রীয় বিএনপি জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীরের প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব পর্যায়ের পদ স্থগিত করে।

হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি পুলিশ। ব্যক্তিগত বিরোধ, রাজনৈতিক কারণ বা অন্য কোনো বিষয় এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করার তথ্য পাওয়া যায়নি।

কটিয়াদীতে পঁচা গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে ব্যবসায়ীকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ
কটিয়াদীতে পঁচা গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে ব্যবসায়ীকে জরিমানা

সংগ্রহীত ছবি

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পঁচা গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে এক মাংস ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে দোকান থেকে জব্দ করা প্রায় দুই বস্তা পঁচা গরুর মাংস জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি এড়াতে মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কটিয়াদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাবনী আক্তার তারানার নেতৃত্বে উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে প্রশাসনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও অংশ নেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি দোকানে নিম্নমানের ও পঁচা গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে—এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালায়। অভিযানের সময় দোকানে সংরক্ষিত মাংস পরীক্ষা করে তা পচনশীল এবং মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

এ সময় বাসস্ট্যান্ড এলাকার মাংস ব্যবসায়ী শারফিন কসাইয়ের দোকান থেকে প্রায় দুই বস্তা পঁচা গরুর মাংস জব্দ করা হয়। পরে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে জব্দ করা মাংস জনস্বার্থে মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়, যাতে তা কোনোভাবেই বাজারে ফিরে যেতে না পারে।

অভিযান শেষে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সাধারণ মানুষকে অস্বাস্থ্যকর, ভেজাল বা সন্দেহজনক খাদ্য বিক্রির তথ্য দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়।

অভিযানের সময় উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ওই দোকানের মাংসের মান নিয়ে নানা অভিযোগ ছিল। অনেক ক্রেতা মাংস থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ার অভিযোগ করলেও এতদিন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রশাসনের অভিযানে পঁচা মাংস জব্দ ও ধ্বংস করায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাবনী আক্তার তারানা বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে পঁচা গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং উদ্ধার করা মাংস ধ্বংস করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বা প্রতারণা বরদাশত করা হবে না। ভেজাল, নিম্নমানের ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্য বিক্রির বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে। কেউ আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41