মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৭৬ সালের এই দিনে তিনি ঢাকার পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। পরে তাকে টাঙ্গাইলের সন্তোষে দাফন করা হয়।
মাওলানা ভাসানী অধিকারবঞ্চিত, অবহেলিত ও মেহনতি মানুষের অধিকার রক্ষায় আজীবন নিরবচ্ছিন্নভাবে সংগ্রাম করেছেন। জাতীয় সংকটে তিনি সবসময় জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করেছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি দেশ ও মানুষের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেন। ব্যক্তি জীবনে ছিলেন নির্মোহ, অনাড়ম্বর ও অত্যন্ত সাদাসিধে—যা তার দেশপ্রেম ও মানবপ্রেমেরই প্রতিফলন।
শোষণ ও বঞ্চনাহীন, প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনে তিনি আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। বাঙালি জাতিসত্তার বিকাশেও তার অবদান অনস্বীকার্য।
মওলানা ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পৃথক বাণী দিয়েছেন।
এ উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের আয়োজনে গতকাল ১৬ নভেম্বর সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, এবং সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও কমিটির সদস্য সচিব শামসুজ্জামান দুদু।
আজ ১৭ নভেম্বর সোমবার টাঙ্গাইলের সন্তোষে মওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত, শ্রদ্ধা নিবেদন, ফাতেহা পাঠ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।







