কিশোরগঞ্জের ১৩ উপজেলায় ডাক্তার সংকট প্রকট, ভোগান্তিতে রোগীরা
কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর, কুলিয়ারচর, নিকলী, ভৈরব, অষ্টগ্রাম, ইটনা, মিঠামইনসহ জেলায় মোট ১৩টি উপজেলায় রোগীর তুলনায় চিকিৎসকের সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফলে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে সেবা নিতে গিয়ে রোগীরা প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, বেশ কয়েকটি উপজেলা হাসপাতাল ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক এখনো পদায়ন হয়নি। যেখানে কমপক্ষে ১০–১২ জন চিকিৎসক থাকার কথা, সেখানে অধিকাংশ হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকের সংখ্যা মাত্র ২–৩ জন। এতে চিকিৎসা সেবা পুরোপুরি ব্যাহত হচ্ছে।
সোমবার সকালে বাজিতপুর সরকারি হাসপাতাল ও কুলিয়ারচর হাসপাতালে সরেজমিনে দেখা যায়, রোগীদের জন্য নির্ধারিত খাবার স্যালাইন ও পুষ্টিকর স্যালাইনের যথেষ্ট মজুদ নেই। বাধ্য হয়ে রোগী ও স্বজনদের বাহির থেকে এসব স্যালাইন কিনে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব হাসপাতালে প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোনো প্রয়োজনীয় ওষুধও পাওয়া যায় না।
এছাড়া রোগীদের খাবারের মান অত্যন্ত নিম্ন এবং হাসপাতালগুলোর পয়নিষ্কাশন ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে নাজুক অবস্থায় পড়ে আছে। বাজিতপুর সরকারি হাসপাতালের পেছনের নর্দমা ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত থাকায় পাশের পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ও চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে বাজিতপুর সরকারি হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজমুস সালেহীন জানান,
“অচিরেই ডাক্তার সংকটের সমাধান হবে। সমস্যাগুলো সমাধানে সংশ্লিষ্ট দফতরের সঙ্গে আলোচনা চলছে।”







