বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২ ১৪৩২

ফেসবুকে সরকারবিরোধী পোস্টসহ নানা অভিযোগে অভিযুক্ত প্রশিক্ষক অন্তর

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৬:৩০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ফেসবুকে সরকারবিরোধী পোস্টসহ নানা অভিযোগে অভিযুক্ত প্রশিক্ষক অন্তর

কিশোরগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি)-এর ইলেকট্রিক্যাল ট্রেডের খণ্ডকালীন প্রশিক্ষক শাহরিয়ার রশিদ অন্তরের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ফেসবুক পোস্ট, সার্টিফিকেট বাণিজ্য, প্রশিক্ষণার্থীদের ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানে নিয়ে গিয়ে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা, দায়িত্বহীনতা, কাঁচামাল সংক্রান্ত অনিয়ম, প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সিনিয়র কর্মকর্তাদের প্রতি অসৌজন্যমূলক আচরণসহ একাধিক অভিযোগ উঠেছে।

এ সম্পর্কিত অভিযোগের বিষয়ে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ তাকে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বললেও তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) করিমগঞ্জ উপজেলা যুগ্ম সমন্বয়কারী পরিচয়ে উল্টো টিটিসির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাভেদ রহিমের প্রতি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলে জানা গেছে।

প্রতিষ্ঠান সূত্র জানায়, গত ১৫ অক্টোবর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের পরিদর্শনকালে অন্তর বিনা অনুমতিতে কর্মস্থল ত্যাগ করেন। এছাড়া ২০২৪–২৫ অর্থবছরে ইলেকট্রিক্যাল ট্রেডের প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য কাঁচামাল ক্রয় ও সরবরাহসংক্রান্ত ব্যয়ে অফিসিয়াল ইমেইলে মিথ্যা তথ্য প্রচারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের ও কর্মকর্তাদের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ফলাফলের নথিতে দেখা যায়, এপ্রিল–জুন ২০২৫ সেশনে অন্তরের ট্রেডে ২৯ জনের মধ্যে কম্পিটেন্ট হয়েছে মাত্র ৯ জন—যা প্রতিষ্ঠানের গড় মানের তুলনায় অনেক কম। টিটিসির একজন সিনিয়র প্রশিক্ষক মন্তব্য করেন, এমন কম্পিটেন্সি রেট শুধু প্রশিক্ষণার্থীদের নয়, প্রশিক্ষকের দক্ষতা ও মনোযোগকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।

শাহরিয়ার রশিদ অন্তর ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রেরিত একটি ইমেইলে ইলেকট্রিক্যাল ট্রেডের ইনস্ট্রাক্টর ও ট্রেড ইনচার্জ মিজানুর রহমানকে যোগ্যতাহীন, মানহীন, অদক্ষ বলাসহ গালিগালাজ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভেতরে এমন ভাষা ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মন্তব্য করেছেন।

সাম্প্রতিক প্রশিক্ষণ শেষ করা রবিউল আউয়াল বলেন, “আমি এখানে প্রশিক্ষণে আসলে অন্তর স্যার ১০ হাজার টাকা দাবি করে বলেন—কিছুই করতে হবে না, তিনি সার্টিফিকেটের ব্যবস্থা করে দেবেন। এছাড়া তাঁর ব্যক্তিগত একটি প্রশিক্ষণ সেন্টারে ভর্তি হতে জোর করেন। পরে আমি রাজি হইনি।”

কাটাবড়িয়া এলাকার হোটেল ব্যবসায়ী আ. রাশিদ বলেন, “অন্তর টিটিসিতে চাকরির সুবাদে পাসপোর্ট দালালি, সার্টিফিকেট বাণিজ্য, নিজের ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণার্থীদের নিয়ে যাওয়ার মতো কাজ করছে। এতে টিটিসির মতো সরকারি প্রতিষ্ঠানের বড় ক্ষতি হচ্ছে।”

অন্য এক স্থানীয় জানান, “অন্তর এনসিপির নেতা। অধ্যক্ষ, পরিচালক তার কাছে কিছুই না। সে প্রকাশ্যে বর্তমান সরকারকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে। প্রিন্সিপালকে নিয়েও বাইরে সমালোচনা করে। বলে—প্রিন্সিপালকে না সরালে তার শান্তি নেই।”

মহিনন্দন ইউনিয়নের সৌদি–ফেরত প্রবাসী মো. কামরুজ্জামান সজিব মিয়া বলেন, “আমি টিটিসিতে ট্রেনিং করতে গেলে অন্তরের সঙ্গে পরিচয় হয়। সে আমাকে ভালো ভিসা বলে অফার করে এবং ভিসা বাবদ ৭ লাখ টাকা চায়। টিটিসির চাকরি করার কারণে তাকে বিশ্বাস করে টাকা দিলেও তার কথা–কাজের কোনো মিল পাইনি। তিন মাস পর দেশে ফিরে আসতে হয়েছে। এখন ১০ লাখ টাকা ঋণ মাথায় নিয়ে ঘুরছি।”

অন্তরের এলাকার বাসিন্দা রেজাউল কবির রেজা বলেন, “অন্তরের বাবা করিমগঞ্জের পরিচিত কমিউনিস্ট পার্টির নেতা ছিলেন এবং যুদ্ধপরাধ মামলার সাক্ষী ছিলেন। হতে পারে, অন্তরও তার বাবার মতো প্রতিবাদী হওয়ার চেষ্টা করছে। না হলে সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে আবার সরকারের সমালোচনা—এটা কেমন বিষয়!”

অভিযোগের বিষয়ে শাহরিয়ার রশিদ অন্তর বলেন, “আমি কোনো সরকারি চাকরি করি না যে, সরকারি চাকরি বিধির পরিপন্থী কোনো কাজ করেছি। আমি যে আইডি দিয়ে সমালোচনা করেছি—সেটা আমার রাইটস আছে। বর্তমানে সেই ফেসবুক আইডি ডিজেবল করা আছে। সার্টিফিকেট বাণিজ্যের কথা সঠিক নয়। কাউকে বিদেশ পাঠিয়েছি—তার প্রমাণ থাকলে নিউজ করুন।”

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি)-এর অধ্যক্ষ মো. জাভেদ রহিম বলেন, “তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের সত্যতা মিললে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিলে তিনি ঠিকভাবে জবাব দিতে পারেননি। পরে আমি বিএমইটির পরিচালক বরাবর চিঠি পাঠিয়েছি। প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে।”

কিশোরগঞ্জের শিক্ষার্থীসহ তিন সাইবার প্রতারক গ্রেপ্তার: ফিশিংয়ে কোটি টাকার হাতবদল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩০ পূর্বাহ্ণ
কিশোরগঞ্জের শিক্ষার্থীসহ তিন সাইবার প্রতারক গ্রেপ্তার: ফিশিংয়ে কোটি টাকার হাতবদল

গত বছরের ১৭ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও এলাকার বাসিন্দা খিতিশচন্দ্র রায়ের মোবাইল ফোনে বিকাশ থেকে একের পর এক ক্যাশআউটের এসএমএস আসতে থাকে। বিকাশ অ্যাপে ব্যালেন্স চেক করে তিনি দেখতে পান, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে দুই লাখ ২২ হাজার টাকা উধাও হয়ে গেছে। সেখানে অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র ৫ হাজার ৬০০ টাকা।

ভুক্তভোগী খিতিশচন্দ্র রায় জানান, তাঁর এক ব্যাচমেটের অকাল মৃত্যুতে পরিবারের সহায়তার জন্য বন্ধুদের কাছ থেকে বিকাশে পাঠানো হয়েছিল এই অর্থ। পরে অসাবধানতাবশত একটি ফিশিং লিংকে ক্লিক করার পরই প্রতারণার শিকার হন তিনি। এ ঘটনায় তিনি তেজগাঁও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। উল্লেখ্য, খিতিশচন্দ্র রায় নিজেও পুলিশের একজন পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর)।

অভিযোগের পর বিষয়টি তদন্তে নেয় পুলিশ। পাশাপাশি র‍্যাবও প্রতারক চক্র শনাক্তে কাজ শুরু করে। তিন থেকে চার মাস ধরে শতাধিক ফোন নম্বর বিশ্লেষণের পর একটি সন্দেহজনক নম্বর শনাক্ত করে র‍্যাব। সেই সূত্র ধরে রাজধানীর শেওড়াপাড়ার একটি বাসায় অভিযান চালানো হয়।

অভিযানকালে ফ্ল্যাটের ভেতরে ও বাইরে অসংখ্য সিসিটিভি ক্যামেরা, একাধিক রাউটার ও বিভিন্ন প্রযুক্তি সরঞ্জাম দেখতে পায় র‍্যাব। বাড়ির মালিক জানান, অভিযুক্তরা নিজেদের শিক্ষার্থী ও ফ্রিল্যান্সার পরিচয়ে বাসাটি ভাড়া নিয়েছিলেন।

র‍্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় সাদমান সাকিব প্রিয়ম, তরিকুল ইসলাম ইমন ও মাহিনুর রহমান মাহি নামের তিন যুবককে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় শতাধিক জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি, অর্ধশতাধিক মোবাইল ফোন, প্রিন্টারসহ প্রতারণায় ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম।

র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত প্রিয়ম আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী। মাহি কিশোরগঞ্জের ইশাখা বিশ্ববিদ্যালয়ে এলএলবি অধ্যয়নরত। তারা ২০২২ সাল থেকে সংঘবদ্ধভাবে সাইবার প্রতারণায় জড়িয়ে পড়ে।

তদন্তে আরও জানা গেছে, তারা ফিশিং লিংকের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের মোবাইল ফোনের নিয়ন্ত্রণ নেয়। পরে বিকাশসহ বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড ও ওটিপি সংগ্রহ করে অর্থ আত্মসাৎ করে। এছাড়া ওয়াইফাই রাউটার ও সিসিটিভি ক্যামেরা হ্যাক করে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ এবং ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগও রয়েছে।

একই এনআইডি নম্বর রেখে নাম সামান্য পরিবর্তন করে বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে একাধিক ভুয়া অ্যাকাউন্ট খোলার কৌশলও তারা ব্যবহার করত বলে জানিয়েছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে তারা বিলাসবহুল জীবনযাপন করত। ঢাকায় মাসিক প্রায় ৫০ হাজার টাকা ভাড়ার ফ্ল্যাটে বসবাস, দামি মোবাইল ফোন ও ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করত তারা। এলাকাবাসীর মধ্যেও তাদের জীবনযাপন নিয়ে আগে থেকেই সন্দেহ ছিল।

এক প্রতিবেশী বলেন,
“মাঝেমধ্যে প্রাইভেট কার আসত, দামি জিনিসপত্র ব্যবহার করত। তখন বুঝিনি, এখন বোঝা যাচ্ছে টাকার উৎস কী ছিল।”

পুলিশ জানিয়েছে, প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ জব্দের জন্য আদালতে আবেদন করা হবে।

চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে মৃত বিএনপি নেতা ডাবলুর জানাজা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে মৃত বিএনপি নেতা ডাবলুর জানাজা অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে মারা যাওয়া জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় জীবননগর পৌর ঈদগাহ ময়দানে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

ডাবলুর ছোট ভাই ও মা লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বি এম তারিক-উজ-জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) মো. আনোয়ারুল কবীর, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি ও বিজিএমইএর সভাপতি এবং চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ, সিআইপি আলহাজ সাহিদুজ্জামান টরিক, চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মারুফ সারোয়ার বাবু, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার অহিদুল আলমসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান ও সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন,
‘আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এই দেশে আমরা এ ধরনের মৃত্যু প্রত্যাশা করি না। ডাবলুর মৃত্যুর সঠিক বিচার চাই। ভবিষ্যতে যেন আর কাউকে এভাবে প্রাণ দিতে না হয়।’

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,
‘জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা অত্যন্ত মর্মাহত। পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচারে পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।’

পরিবারের সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হাফিজা ফার্মেসির সামনে থেকে ডাবলুকে আটক করা হয়। পরে রাত ১২টার পর তাকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিরাপত্তাহীনতা ও লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হলে নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
নিরাপত্তাহীনতা ও লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হলে নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় লুণ্ঠিত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিতের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জনস্বার্থে এই রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান।

রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছাড়াও স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশনের সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং র‍্যাবের মহাপরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে।