মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ ১৪৩২

ফেসবুকে সরকারবিরোধী পোস্টসহ নানা অভিযোগে অভিযুক্ত প্রশিক্ষক অন্তর

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৬:৩০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ফেসবুকে সরকারবিরোধী পোস্টসহ নানা অভিযোগে অভিযুক্ত প্রশিক্ষক অন্তর

কিশোরগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি)-এর ইলেকট্রিক্যাল ট্রেডের খণ্ডকালীন প্রশিক্ষক শাহরিয়ার রশিদ অন্তরের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ফেসবুক পোস্ট, সার্টিফিকেট বাণিজ্য, প্রশিক্ষণার্থীদের ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানে নিয়ে গিয়ে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা, দায়িত্বহীনতা, কাঁচামাল সংক্রান্ত অনিয়ম, প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সিনিয়র কর্মকর্তাদের প্রতি অসৌজন্যমূলক আচরণসহ একাধিক অভিযোগ উঠেছে।

এ সম্পর্কিত অভিযোগের বিষয়ে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ তাকে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বললেও তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) করিমগঞ্জ উপজেলা যুগ্ম সমন্বয়কারী পরিচয়ে উল্টো টিটিসির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাভেদ রহিমের প্রতি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলে জানা গেছে।

প্রতিষ্ঠান সূত্র জানায়, গত ১৫ অক্টোবর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের পরিদর্শনকালে অন্তর বিনা অনুমতিতে কর্মস্থল ত্যাগ করেন। এছাড়া ২০২৪–২৫ অর্থবছরে ইলেকট্রিক্যাল ট্রেডের প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য কাঁচামাল ক্রয় ও সরবরাহসংক্রান্ত ব্যয়ে অফিসিয়াল ইমেইলে মিথ্যা তথ্য প্রচারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের ও কর্মকর্তাদের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ফলাফলের নথিতে দেখা যায়, এপ্রিল–জুন ২০২৫ সেশনে অন্তরের ট্রেডে ২৯ জনের মধ্যে কম্পিটেন্ট হয়েছে মাত্র ৯ জন—যা প্রতিষ্ঠানের গড় মানের তুলনায় অনেক কম। টিটিসির একজন সিনিয়র প্রশিক্ষক মন্তব্য করেন, এমন কম্পিটেন্সি রেট শুধু প্রশিক্ষণার্থীদের নয়, প্রশিক্ষকের দক্ষতা ও মনোযোগকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।

শাহরিয়ার রশিদ অন্তর ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রেরিত একটি ইমেইলে ইলেকট্রিক্যাল ট্রেডের ইনস্ট্রাক্টর ও ট্রেড ইনচার্জ মিজানুর রহমানকে যোগ্যতাহীন, মানহীন, অদক্ষ বলাসহ গালিগালাজ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভেতরে এমন ভাষা ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মন্তব্য করেছেন।

সাম্প্রতিক প্রশিক্ষণ শেষ করা রবিউল আউয়াল বলেন, “আমি এখানে প্রশিক্ষণে আসলে অন্তর স্যার ১০ হাজার টাকা দাবি করে বলেন—কিছুই করতে হবে না, তিনি সার্টিফিকেটের ব্যবস্থা করে দেবেন। এছাড়া তাঁর ব্যক্তিগত একটি প্রশিক্ষণ সেন্টারে ভর্তি হতে জোর করেন। পরে আমি রাজি হইনি।”

কাটাবড়িয়া এলাকার হোটেল ব্যবসায়ী আ. রাশিদ বলেন, “অন্তর টিটিসিতে চাকরির সুবাদে পাসপোর্ট দালালি, সার্টিফিকেট বাণিজ্য, নিজের ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণার্থীদের নিয়ে যাওয়ার মতো কাজ করছে। এতে টিটিসির মতো সরকারি প্রতিষ্ঠানের বড় ক্ষতি হচ্ছে।”

অন্য এক স্থানীয় জানান, “অন্তর এনসিপির নেতা। অধ্যক্ষ, পরিচালক তার কাছে কিছুই না। সে প্রকাশ্যে বর্তমান সরকারকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে। প্রিন্সিপালকে নিয়েও বাইরে সমালোচনা করে। বলে—প্রিন্সিপালকে না সরালে তার শান্তি নেই।”

মহিনন্দন ইউনিয়নের সৌদি–ফেরত প্রবাসী মো. কামরুজ্জামান সজিব মিয়া বলেন, “আমি টিটিসিতে ট্রেনিং করতে গেলে অন্তরের সঙ্গে পরিচয় হয়। সে আমাকে ভালো ভিসা বলে অফার করে এবং ভিসা বাবদ ৭ লাখ টাকা চায়। টিটিসির চাকরি করার কারণে তাকে বিশ্বাস করে টাকা দিলেও তার কথা–কাজের কোনো মিল পাইনি। তিন মাস পর দেশে ফিরে আসতে হয়েছে। এখন ১০ লাখ টাকা ঋণ মাথায় নিয়ে ঘুরছি।”

অন্তরের এলাকার বাসিন্দা রেজাউল কবির রেজা বলেন, “অন্তরের বাবা করিমগঞ্জের পরিচিত কমিউনিস্ট পার্টির নেতা ছিলেন এবং যুদ্ধপরাধ মামলার সাক্ষী ছিলেন। হতে পারে, অন্তরও তার বাবার মতো প্রতিবাদী হওয়ার চেষ্টা করছে। না হলে সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে আবার সরকারের সমালোচনা—এটা কেমন বিষয়!”

অভিযোগের বিষয়ে শাহরিয়ার রশিদ অন্তর বলেন, “আমি কোনো সরকারি চাকরি করি না যে, সরকারি চাকরি বিধির পরিপন্থী কোনো কাজ করেছি। আমি যে আইডি দিয়ে সমালোচনা করেছি—সেটা আমার রাইটস আছে। বর্তমানে সেই ফেসবুক আইডি ডিজেবল করা আছে। সার্টিফিকেট বাণিজ্যের কথা সঠিক নয়। কাউকে বিদেশ পাঠিয়েছি—তার প্রমাণ থাকলে নিউজ করুন।”

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি)-এর অধ্যক্ষ মো. জাভেদ রহিম বলেন, “তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের সত্যতা মিললে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিলে তিনি ঠিকভাবে জবাব দিতে পারেননি। পরে আমি বিএমইটির পরিচালক বরাবর চিঠি পাঠিয়েছি। প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে।”

মারিয়ায় জমি দখলের বিরোধে ভাই-ভাবীর হামলায় নারী ও শিশুসহ আহত তিন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
মারিয়ায় জমি দখলের বিরোধে ভাই-ভাবীর হামলায় নারী ও শিশুসহ আহত তিন

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মারিয়া ইউনিয়নের পূর্ব কাতিয়ারচর এলাকায় পারিবারিক জমি বিরোধের জেরে সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ তিনজন আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই ঘটনায় বসতঘর ভাঙচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

আহতরা হলেন মো. শিপন মিয়া (৪০), তাঁর স্ত্রী নূরুন্নাহার (৩৫) এবং তাঁদের মেয়ে সোনালী (১০)। গুরুতর আহত স্ত্রী ও কন্যা বর্তমানে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ভুক্তভোগী শিপন মিয়া কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে জানান, তাঁর দুই ভাই মো. খোকন (৪৫), মো. সাদেক (২২) এবং ভাবি মোছা তানজিনাসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তানজিনা ইট দিয়ে শিপন মিয়ার পায়ে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। এ সময় স্ত্রী নূরুন্নাহার বাধা দিতে গেলে তাঁর চুল ধরে ফেলে দিয়ে লোহার রড দিয়ে চোখের পাশে আঘাত করা হয়। তাঁদের কন্যা সোনালী এগিয়ে এলে মো. সাদেক ধারালো দা দিয়ে কোপ দিলে শিশুটির গালে গুরুতর জখম হয়।

একপর্যায়ে হামলাকারীরা দা, লাঠি ও লোহার রড দিয়ে বসতঘরের দরজা, জানালা ও টিনের বেড়া ভাঙচুর করে এবং ঘরের আসবাবপত্র নষ্ট করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসা শেষে শিপন মিয়া থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, অভিযুক্তরা এখনো তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।

ভুক্তভোগী শিপন মিয়া বলেন, তাঁর পৈতৃক সম্পত্তির পরিমাণ কম হওয়ায় তা বিক্রি করার ইচ্ছা প্রকাশ করলে বড় ভাই খোকন ওই জমি নেওয়ার আগ্রহ দেখান। পরে টাকা না দিয়েই জমি দখলের চেষ্টা করেন। টাকা ছাড়া জমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভাই ও ভাবি তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি ও নির্যাতন করতে থাকেন। তিনি আরও জানান, একমাত্র কন্যা সোনালীর নামে জমি লিখে দেওয়ার কথা বলার পর থেকে তাঁর অনুপস্থিতিতে স্ত্রী ও সন্তানের সঙ্গে খারাপ আচরণ শুরু হয়। আগেও দুই দফা হামলার ঘটনা ঘটলেও সর্বশেষ ঘটনায় তারা মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হয়েছেন।

তিনি প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করেন।

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ মডেল থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তারেক রহমানের ভালোবাসার প্রমাণ ভোটের মাঠে দেখতে চান আব্দুস সালাম

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের ভালোবাসার প্রমাণ ভোটের মাঠে দেখতে চান আব্দুস সালাম

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির প্রচারণা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, তারেক রহমানকে ভালোবাসলে ভোটের মাঠে তার প্রমাণ দিতে হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে ঢাকা-১৭ আসন বিএনপির প্রধান কার্যালয়ে সিএনজি ও অটোরিকশা চালকদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আবদুস সালাম বলেন, তারেক রহমানই বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য সবচেয়ে যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য নেতা। দেশ ও জনগণের কল্যাণে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনা ছাড়া বিকল্প নেই। শুধু মনে মনে চাইলে হবে না, মাঠে কাজ করতে হবে। কাজ না করলে ফল পাওয়া যাবে না। যারা সত্যিকার অর্থে তারেক রহমানকে ভালোবাসেন, তাদের ভোটের মাঠেই তা প্রমাণ করতে হবে।

সিএনজি, অটোরিকশা, রিকশা ও প্রাইভেটকার চালকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার শুরু হবে। আপনারা নিজ নিজ গাড়িতে আমাদের স্টিকার ও লিফলেট লাগান, কিংবা নিজ হাতে লিখে লিখে লাগান ‘তারেক রহমানের জন্য ভোট চাই’। ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই।

তিনি আরও বলেন, একটি মহল অর্থের বিনিময়ে ভোট নষ্ট করার জন্য প্ররোচনা দিচ্ছে। টাকার লোভে পড়ে ঈমান নষ্ট করবেন না। তারা এক বা দুইটি আসনে ভোট নষ্ট করে বিএনপির অগ্রযাত্রা থামিয়ে দিতে চায়। এ বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে হবে।

ঢাকা-১৭ আসনের চারটি থানার প্রতিটি এলাকায় পরিকল্পিতভাবে প্রচারণা চালানোর নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, বস্তি এলাকা, শ্রমজীবী মানুষ এবং সিএনজি ও রিকশা শ্রমিকদের আবাসিক এলাকাগুলোতে অবশ্যই যেতে হবে। এটি দলের পক্ষ থেকে বাধ্যতামূলক দায়িত্ব।

তিনি বলেন, বিএনপি সবসময় দুঃসময়ে মানুষের পাশে ছিল, আছে এবং থাকবে। তারেক রহমান ছাড়া এই দেশে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মতো যোগ্য নেতা আর কেউ নেই।

প্রতারকদের হাতে দেশ তুলে দেওয়া হবে না: মির্জা আব্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
প্রতারকদের হাতে দেশ তুলে দেওয়া হবে না: মির্জা আব্বাস

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, দেশ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কাজ করে যাব, ইনশাআল্লাহ। তবে কোনো প্রতারক, ধান্দাবাজ ও কসাইদের হাতে দেশকে তুলে দেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিএনপি।

সভায় দুইটি দলের নেতাকর্মীদের প্রতি ইঙ্গিত করে মির্জা আব্বাস বলেন, “ওরা যেভাবে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে, আমি ধৈর্য ধরে রাখতে পারছি না। আমার বাড়ি ঢাকা ও শাহজাহানপুরে। আমার ঠিকানা আছে। যারা ঠিকানাবিহীন, তারা বলে আমার বাড়ি অমুক জায়গায়। আমি ঠিকানাবিহীন লোক নই, এটা মাথায় রাখতে হবে।”

দেশের প্রয়োজনে রাজপথে থাকার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, “আমি এই দেশের একজন কর্মী। দেশকে স্বাধীন করা থেকে শুরু করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যা কিছু করা প্রয়োজন, সবকিছু করেছি এবং জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত করব, ইনশাআল্লাহ। তবে কোনো প্রতারক, ধান্দাবাজ ও কসাইদের হাতে এই দেশকে পড়তে দেব না।”

নতুন প্রজন্মের রাজনীতিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমরা কলেজে পড়েছি, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছি, কিন্তু লোভ করিনি। তোমরা আজ লোভ করছো। এত পাগল হওয়ার কী আছে? বয়স কম, রাজনীতি শেখো। ধীরে ধীরে রাজনীতি করো, দেশের উন্নতি করো, এটাই আমরা চাই। রাজনীতি করার জন্য তোমাদের রাস্তায় ফুল বিছিয়ে দেব। কিন্তু অপকর্ম করলে তার জবাব দিতে আমরা সক্ষম, ইনশাআল্লাহ।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু এবং চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ দলের শীর্ষ নেতারা।