রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

তীব্র তাপপ্রবাহে কুলিয়ারচরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, দুই দিনে ভর্তি ৫০ জন

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
তীব্র তাপপ্রবাহে কুলিয়ারচরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, দুই দিনে ভর্তি ৫০ জন

দেশজুড়ে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহ ও প্রচণ্ড গরমে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অসহনীয় তাপদাহে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিশু, বয়স্ক ও শ্রমজীবী মানুষ। অতিরিক্ত গরমের কারণে এলাকায় ডায়রিয়া, জ্বর, চিকেনপক্স, পানিশূন্যতা ও হিটস্ট্রোকসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, গত দুই দিনে তীব্র গরম ও তাপমাত্রাজনিত বিভিন্ন সমস্যায় আক্রান্ত অন্তত ৫০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে বহির্বিভাগে (আউটডোর) প্রতিদিন শত শত রোগী চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন। গরমজনিত অসুস্থতার পাশাপাশি পানিবাহিত রোগেও আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরেজমিনে কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘুরে দেখা যায়, হঠাৎ রোগীর চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। তবে রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ওয়ার্ডগুলোতে রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েকদিন ধরে তীব্র রোদ ও ভ্যাপসা গরমে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে দিনমজুর, কৃষিশ্রমিক, রিকশাচালক ও অন্যান্য শ্রমজীবী মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। দিনের বেলায় কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ায় অনেকেই ছায়াযুক্ত স্থানে আশ্রয় নিচ্ছেন বা কাজের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনতে বাধ্য হচ্ছেন।

অনেক অভিভাবক জানান, শিশুদের মধ্যে জ্বর, ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতার সমস্যা বাড়ছে। অপরদিকে বয়স্কদের মধ্যে শ্বাসকষ্ট, উচ্চ রক্তচাপ ও হিটস্ট্রোকের ঝুঁকিও বেড়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা সাধারণ মানুষকে প্রয়োজন ছাড়া রোদে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান, খাবার স্যালাইন গ্রহণ, হালকা ও ঢিলেঢালা পোশাক পরিধান এবং বাসি ও খোলা খাবার পরিহার করার আহ্বান জানিয়েছেন।

চিকিৎসকরা আরও বলেন, হিটস্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাপপ্রবাহজনিত রোগীদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে।

শুরুটা দুর্দান্ত, শেষটা হতাশার- জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হারল বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ
শুরুটা দুর্দান্ত, শেষটা হতাশার- জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হারল বাংলাদেশ

আবুধাবিতে ত্রিদেশীয় সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তানজিদ হাসান তামিমের আগ্রাসী শুরুর পরও ব্যাটিং বিপর্যয় সামাল দিতে পারেনি দলটি। একের পর এক উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ১৭২ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। এই হারে সিরিজের ফাইনালে ওঠার পথ কঠিন হয়ে পড়েছে তাওহিদ হৃদয়দের জন্য।

রোববার (১৮ অক্টোবর) আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭১ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করলেও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। ওয়ানডে ক্রিকেটে বড় লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক দুর্বলতার আরেকটি উদাহরণ হয়ে থাকল ম্যাচটি। ২৪০ রানের বেশি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের সর্বশেষ ১০ ম্যাচের আটটিতেই হার এসেছে।

লক্ষ্য তাড়ায় সৌম্য সরকারকে সঙ্গে নিয়ে আক্রমণাত্মক শুরু করেন তানজিদ হাসান তামিম। দুজনের ব্যাটে দ্রুত রান আসতে থাকায় বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনাও জোরালো মনে হচ্ছিল। তবে সপ্তম ওভারে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে সৌম্য ফিরলে ভাঙে ৪৭ রানের উদ্বোধনী জুটি। সেখান থেকেই শুরু হয় বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয়।

তানজিদও নিজের ইনিংস বড় করতে পারেননি। একাধিকবার ক্যাচের সুযোগ থেকে বেঁচে গেলেও শেষ পর্যন্ত পয়েন্টে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ৯টি চার ও একটি ছক্কায় ৩৮ বলে ৪৬ রান করেন এই ওপেনার। আউট হওয়ার আগের বলেও থার্ড ম্যানে ক্যাচ দিয়েছিলেন তিনি, তবে ফিল্ডারের ভুলে সে যাত্রায় বেঁচে যান।

তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে অভিজ্ঞ নাজমুল হোসেন শান্তও থিতু হতে পারেননি। ব্র্যাড ইভান্সের ভেতরের দিকে ঢোকা ডেলিভারিতে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন সাবেক অধিনায়ক। এ সময় একটি রিভিউও নষ্ট করে বাংলাদেশ।

এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়ও দলকে বিপর্যয় থেকে উদ্ধার করতে পারেননি। জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা স্পিনের বিপক্ষে সামনের পায়ে এসে সুইপ ও রিভার্স সুইপ খেললেও বাংলাদেশের ব্যাটাররা ব্যাকফুটে খেলার কৌশলে সফল হননি। এলবিডব্লিউ হয়ে হৃদয় ফেরেন ২১ বলে ১৩ রান করে। একইভাবে ১৮ বলে ১১ রান করে আউট হন মোসাদ্দেক হোসেন। হৃদয়ের উইকেট নিয়ে উল্লাস করেন সিকান্দার রাজা।

হৃদয়ের পর ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ফিরিয়ে দেন সাইফ হাসানকেও। কিছুটা থিতু হওয়ার পর কাট করতে গিয়ে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দেন সাইফ। পরে উইকেটরক্ষক-ব্যাটার নুরুল হাসান সোহানও বড় কোনো অবদান রাখতে পারেননি। তাঁর বিদায়ের পর বাংলাদেশের ইনিংস আরও চাপে পড়ে।

একপর্যায়ে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪৭ রান করা বাংলাদেশ ১২৯ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে বসে। পরে টেলএন্ডারদের ব্যাটে হারের ব্যবধান কিছুটা কমে। তবে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলতে পারেনি দলটি। জিম্বাবুয়ের হয়ে ব্র্যাড ইভান্স ৪৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন।

এর আগে টস হেরে বোলিংয়ে নেমে শুরুতেই জিম্বাবুয়ের টপ অর্ডারে ধস নামান বাংলাদেশের পেসার তাসকিন আহমেদ। তাঁর বোলিংয়ে ২৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। তবে সেখান থেকে দলকে ঘুরে দাঁড় করান অভিজ্ঞ দুই ব্যাটার ক্রেইগ আরভিন ও ব্রেন্ডন টেইলর।

চতুর্থ উইকেটে এই দুই ব্যাটারের ১৫০ রানের জুটি জিম্বাবুয়েকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেয়। সেঞ্চুরি থেকে অল্পের জন্য দূরে থাকা আরভিন ১০৬ বলে ৯৩ রান করেন। অন্যদিকে টেইলর ১০১ বলে করেন ৮১ রান। তাঁদের ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭১ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ পায় জিম্বাবুয়ে।

বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ ৪৪ রান দিয়ে ৩টি এবং শরিফুল ইসলাম ৪৭ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন। তবে ব্যাটিংয়ে বড় ধসের কারণে বোলারদের লড়াই কাজে আসেনি। ৯৯ রানের এই পরাজয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ওঠার সমীকরণ বাংলাদেশের জন্য আরও কঠিন হয়ে গেল।শুরুটা দুর্দান্ত, শেষটা হতাশার—জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হারল বাংলাদেশশুরুটা দুর্দান্ত, শেষটা হতাশার—জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হারল বাংলাদেশ

কিশোরগঞ্জে ৬ কেজি গাঁজাসহ ময়মনসিংহের যুবক গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে ৬ কেজি গাঁজাসহ ময়মনসিংহের যুবক গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ৬ কেজি গাঁজাসহ মো. সবুজ (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে কিশোরগঞ্জ মডেল থানাধীন বিন্নাটি বাজার এলাকায় ঈসাখাঁ ট্রান্সপোর্ট অফিসের পশ্চিম পাশে সড়ক থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, কিশোরগঞ্জের ‘ক’ সার্কেলের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর ১টা থেকে দেড়টার মধ্যে অভিযান চালিয়ে তাঁর কাছ থেকে ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার মো. সবুজ ময়মনসিংহের কোতোয়ালি থানার আকুয়া (মড়লপাড়া) এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মো. আসলাম এবং মায়ের নাম নূরজাহান।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক মো. ওবায়দুল্লাহ খান বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন বলে অধিদপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. এনায়েত হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কুলিয়ারচরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৪ অপরাহ্ণ
কুলিয়ারচরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা অভিযান

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করেছে পৌরসভা। ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংস করার পাশাপাশি বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

দেশব্যাপী জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬-এর অংশ হিসেবে তিন মাসব্যাপী বিশেষ কর্মসূচির আওতায় শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক সাফফাত আরা সাঈদ। এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ওয়াসিম, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি পীযুষ কান্তি ঘোষ এবং পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে রাখতে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের নিজ নিজ বাড়িঘর ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানানো হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; এ জন্য প্রতিটি নাগরিকের সচেতনতা ও দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ প্রয়োজন। বাড়ির আঙিনা, ছাদ ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া, পরিত্যক্ত পাত্রে জমে থাকা পানি অপসারণ এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার মাধ্যমে এডিস মশার বংশবিস্তার অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

তাঁরা আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি সামাজিক উদ্যোগও জরুরি। বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে সবাই সচেতন হলে মশার প্রজননস্থল কমানো এবং ডেঙ্গুর ঝুঁকি হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।

কুলিয়ারচরকে পরিচ্ছন্ন ও ডেঙ্গুর ঝুঁকিমুক্ত রাখতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।