সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: নিবন্ধিতদের মধ্যে ভোটে নেই ৯টি, দুর্বল ছোট দলগুলো

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:০০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: নিবন্ধিতদের মধ্যে ভোটে নেই ৯টি, দুর্বল ছোট দলগুলো

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিবন্ধিত ৬০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না ৯টি দল। অংশগ্রহণকারী ২৯টি দলের মধ্যে অধিকাংশই ১ থেকে সর্বোচ্চ ২০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। তবে ১০০টি আসনের বেশি প্রার্থী দিতে পেরেছে মাত্র পাঁচটি দল। উল্লেখ্য, যেসব দলের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ, তারা এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না।

নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও তাদের শরিক ১৪ দল অংশ নিচ্ছে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন পর ভোটের আমেজ ফিরলেও এতে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত হবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। বরং নিবন্ধিত অনেক ছোট দল অংশ নিতে না পারা এবং প্রার্থী সংকটে ভোগার বিষয়টি প্রমাণ করে যে বড় দলগুলোর বাইরে শক্তিশালী বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি গড়ে উঠছে না।

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত বিগত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়েই বিতর্ক রয়েছে। ২০১৪ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ জোট ও বাম দলগুলো অংশ নেয়নি। ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশ নিলেও সেটি অবাধ ও নিরপেক্ষ ছিল না বলে অভিযোগ রয়েছে। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় দলটি এবারের নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না। একই সঙ্গে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ছাড়া ১৪ দলের অন্যান্য শরিক দলগুলোও নির্বাচনের বাইরে রয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ৬০টি নিবন্ধিত দলের মধ্যে ভোটের মাঠে নেই ৯টি দল। দলগুলো হলো—তৃণমূল বিএনপি, বিএনএম, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল, কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগ, আওয়ামী লীগ, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, ন্যাপ, ওয়ার্কার্স পার্টি ও বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন।

নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে ২৩টি দলের প্রার্থী সংখ্যা ১ থেকে ১০টির মধ্যে সীমাবদ্ধ। বড় দলগুলোর মধ্যে বিএনপি ৩৩১টি, জামায়াতে ইসলামী ২৭৬টি, জাতীয় পার্টি ২২৪টি এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২৬৮টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১০০টির বেশি আসনে প্রার্থী দিতে পেরেছে গণঅধিকার পরিষদ। তবে বিএনপি ও জামায়াতের সঙ্গে আসন ভাগাভাগির সমীকরণে এই সংখ্যায় পরিবর্তন আসতে পারে। নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, অধিকাংশ দলের সাংগঠনিক ভিত্তি দুর্বল। মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম সীমিত থাকলেও নির্বাচনের সময় তারা বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে।

নির্বাচন বিশেষজ্ঞ জেসমিন টুলি বলেন, “কমপক্ষে ৩০টি দলের ১০ শতাংশ আসনে প্রার্থী দেওয়া উচিত ছিল। বাস্তবে তা দেখা যায় না। ফলে আমাদের দেশে প্রকৃত রাজনৈতিক বিকল্প গড়ে ওঠেনি। দুই-তিনটি দলের বাইরে শক্তিশালী রাজনৈতিক দল নেই।” তিনি আরও বলেন, দল নিবন্ধনের সময় শর্ত পূরণ করলেও অনেক দল পরবর্তী সময়ে তা নিয়মিতভাবে বজায় রাখে না।

তিনি প্রস্তাব করেন, যদি বছরে অন্তত একবার মাঠপর্যায়ে দলগুলোর কার্যক্রম পরিদর্শনের বাধ্যবাধকতা বিধিমালায় যুক্ত করা হয়, তবে দলগুলোকে সংগঠন ও কার্যক্রম সচল রাখতে বাধ্য হতে হবে।

অন্যদিকে নির্বাচন পর্যবেক্ষক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, অনেক দল ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের দিয়ে কর্মসূচি আয়োজন করে সুযোগ-সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করে। আবার কেউ কেউ এটিকে ব্যক্তিগত পরিচিতি বাড়ানোর একটি মাধ্যম হিসেবে দেখেন।

এবার জোটগতভাবে নির্বাচন করলেও দলীয় প্রতীক ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ফলে আদর্শ ও জনসম্পৃক্ততা ছাড়া কেবল নির্বাচনকেন্দ্রিক দল গঠনের প্রবণতা ভোটারদের মধ্যে প্রশ্নের জন্ম দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অষ্টগ্রামে নদীভাঙন প্রতিরোধে এমপি ফজলুর রহমানের উদ্যোগে শুরু ড্রেজিং কার্যক্রম

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
অষ্টগ্রামে নদীভাঙন প্রতিরোধে এমপি ফজলুর রহমানের উদ্যোগে শুরু ড্রেজিং কার্যক্রম
  • কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামের বাঙালপাড়া ইউনিয়নে ভয়াবহ নদীভাঙন থেকে নোয়াগাঁও গ্রাম ও বাঙালপাড়া-নোয়াগাঁও সড়ক রক্ষায় মেঘনা নদীতে ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের উদ্যোগে কার্যক্রমটি বাস্তবায়ন হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত বছর আগে বাঙালপাড়া-নোয়াগাঁও সড়কটি ৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়। সম্প্রতি সড়কটির পুনঃসংস্কারের জন্য ১৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে সংস্কারকাজ চলাকালে মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙনে লাওড়া ও নোয়াগাঁও গ্রামের মধ্যবর্তী সড়কের একটি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং নোয়াগাঁও গ্রামও হুমকির মুখে পড়ে।
    এ মাসের শুরুতে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ভাঙনপ্রবণ এলাকায় ৮ হাজার জিও ব্যাগ ফেলার কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি সড়ক রক্ষায় নদীর গতিপথ পরিবর্তনের লক্ষ্যে শনিবার (২৩ মে) দুপুর থেকে ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু করা হয়।
    বাঙালপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোর্শেদ-ই কামাল বলেন, বাঙালপাড়া-নোয়াগাঁও সড়কের পাশ দিয়ে প্রবাহিত মেঘনা নদীতে নতুন চর জেগে ওঠায় নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে সড়কভাঙন শুরু হয়েছে। নদীর গতিপথ পরিবর্তন করেই কেবল ভাঙন রোধ সম্ভব বলে তিনি মত দেন।
    উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদ বলেন, ড্রেজিং কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হলে নোয়াগাঁও গ্রাম, বাঙালপাড়া-নোয়াগাঁও সড়ক এবং আশপাশের কৃষিজমি নদীভাঙনের কবল থেকে রক্ষা পাবে।
    এ বিষয়ে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেন, “নদীভাঙন সমস্যার সমাধানে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। হাওরবাসীর সব সমস্যা সমাধানে আমি অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করে যাব, ইনশাআল্লাহ।”

 

জেলা পরিষদ প্রশাসকের খামারে চুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ
জেলা পরিষদ প্রশাসকের খামারে চুরি

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার রশিদাবাদ ইউনিয়নের বেরুয়াইল এলাকায় অবস্থিত জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খানের মালিকানাধীন ‘কিশোরগঞ্জ এগ্রো বেইজ ফার্ম লিমিটেড’-এ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকার কিছু বখাটে, নেশাগ্রস্ত ও উশৃঙ্খল যুবকদের প্রতি সন্দেহ প্রকাশ করে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, খামারটির তত্ত্বাবধায়ক মো. আ. মতিন মিয়া গত ২৩ মে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে এ অভিযোগ দাখিল করেন। তিনি বেরুয়াইল গ্রামের বাসিন্দা এবং দীর্ঘদিন ধরে খামারটির দেখভালের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২২ মে সন্ধ্যায় প্রতিদিনের মতো দায়িত্ব পালন শেষে মতিন মিয়া নিজ বাড়িতে চলে যান। পরদিন ২৩ মে ভোর আনুমানিক ৬টার দিকে খামারে ফিরে এসে তিনি দেখতে পান, খামারের বিভিন্ন বৈদ্যুতিক তার, সেচ মটরের তারসহ গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক মালামাল চুরি হয়ে গেছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, এর আগেও খামারটিতে একাধিকবার ধাপে ধাপে চুরির ঘটনা ঘটেছে। চুরি হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে- বৈদ্যুতিক তার ও সেচ মটরের তার, চারটি ব্যাটারি যার মধ্যে দুটি সোলার ব্যাটারি এবং চারটি সেচ মটর। এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
খামারটিতে নৈশপ্রহরী থাকা সত্ত্বেও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সুযোগে একটি সংঘবদ্ধ চোরচক্র পরিকল্পিতভাবে এ চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া অভিযোগকারী দাবি করেন, দিনের বেলায় এলাকার কিছু বখাটে, নেশাগ্রস্ত ও উশৃঙ্খল যুবককে খামারের আশপাশে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। তারা মাঝে মধ্যে খামারের ভেতরে প্রবেশ করে ফল-ফলাদি সংগ্রহ করেও খেয়ে থাকে। এসব কারণে তাদের অথবা তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে।
অভিযোগে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার পক্ষ থেকে অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।

হোসেনপুরের গোবিন্দপুর ইউনিয়নে বিনামূল্যে ভিজিএফ চাল বিতরণ শুরু

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরের গোবিন্দপুর ইউনিয়নে বিনামূল্যে ভিজিএফ চাল বিতরণ শুরু

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে ভিজিএফ (VGF) খাদ্যশস্য (চাল) বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সরকারের এ কর্মসূচির আওতায় স্থানীয় দুস্থ, অসহায় ও নিম্নআয়ের পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

গত ২১ মে (বৃহস্পতিবার) থেকে গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ কার্যক্রম আগামী ৫ থেকে ৭ দিন পর্যন্ত চলমান থাকবে।

এবারের কর্মসূচিতে গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ৭ হাজার তালিকাভুক্ত পরিবারকে জনপ্রতি ১০ কেজি করে বিনামূল্যে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সুশৃঙ্খলভাবে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান, হোসেনপুর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নূরে আলম এরশাদ, ৩ নম্বর গোবিন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মানিক মিয়া, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সিদ্দিক হোসেন মেম্বারসহ স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বিতরণ কার্যক্রম চলাকালে উপকারভোগীদের মাঝে স্বস্তি ও সন্তোষ লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই বলেন, ঈদের আগে এই সহায়তা তাদের পরিবারের জন্য বড় ধরনের স্বস্তি এনে দিয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রকৃত উপকারভোগীদের হাতে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম না ঘটে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিয়মিত তদারকি করছেন।