রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ ১৪৩২
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ ১৪৩২

কিশোরগঞ্জ–৫; প্রার্থীদের লক্ষ্য আওয়ামী ও সংখ্যালঘু ভোটভান্ডার

ধানের শীষ ও হাঁসের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উত্তপ্ত ভোটের মাঠ! ঠান্ডা মাথায় এগোচ্ছে দাঁড়িপাল্লা

শেখ উবাইদুল হক সম্রাট প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ধানের শীষ ও হাঁসের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উত্তপ্ত ভোটের মাঠ! ঠান্ডা মাথায় এগোচ্ছে দাঁড়িপাল্লা

(বাঁ থেকে) ধানের শীষ, হাঁস ও দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসন ১৬৬, কিশোরগঞ্জ–৫ (নিকলী–বাজিতপুর) এলাকায় এবারের নির্বাচনী লড়াই ক্রমেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছে। হাওরবেষ্টিত এই বিশাল সংসদীয় আসনে ১৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট তিন লক্ষ তেপ্পান্ন হাজার পাঁচশ ছেষট্টি জন ভোটার রয়েছেন।

এই আসনে একদিকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মাঠে রয়েছেন, অন্যদিকে বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল হাঁস প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ধানের শীষ ও হাঁস প্রতীকের মধ্যকার এই ভোটযুদ্ধে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। তবে তাদের এই উত্তপ্ত লড়াইয়ের মাঝেও দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ঠান্ডা মাথায় এগোচ্ছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক মো. রমজান আলী।

দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মাঠে থাকা অধ্যাপক মো. রমজান আলী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সূরা সদস্য এবং কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির। হুদা ও ইকবালের ভোটযুদ্ধে বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীদের অন্তর্দ্বন্দ্ব ও বিভক্তি ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এই বিভক্তির সুযোগে জামায়াতে ইসলামী কাঙ্ক্ষিত সাফল্যের দিকে এগিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেক সচেতন ভোটার।

হেভিওয়েট এই তিন প্রার্থী দলীয় ও সাধারণ ভোটারের পাশাপাশি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন সংখ্যালঘু ও আওয়ামী ভোটারদের প্রতি। এই ভোটভান্ডারের সিংহভাগ যিনি নিজের দখলে নিতে পারবেন, তিনিই বিজয়ের চূড়ান্ত সাফল্যে পৌঁছাবেন—এমনটাই মত অনেকের।
বর্তমান নির্বাচনী পরিস্থিতিতে আওয়ামী ভোটারদের কদর বেড়ে যাওয়ায় মামলা ছাড়াই গ্রেপ্তার আতঙ্কে পলাতক থাকা অনেক আওয়ামী নেতাকর্মীকে নিজ নিজ এলাকায় নীরব অবস্থানে থাকতে দেখা যাচ্ছে। তাদের ভোট নিজেদের পক্ষে আনতে রাতের গভীরে বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থীরা যোগাযোগ রক্ষা করে আসছেন বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। সংখ্যালঘু ও আওয়ামী ভোট এখন হেভিওয়েট প্রার্থীদের প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে বলে মনে করছেন বিচক্ষণ ও প্রবীণ স্থানীয় রাজনীতিবিদরা।

নিকলী ও বাজিতপুর উপজেলার সাধারণ মানুষের মতে, এবারের সংসদ নির্বাচন ধানের শীষ, হাঁস ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ত্রিমুখী এবং হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের নির্বাচন হতে যাচ্ছে।

স্বাধীনতার পর থেকে এই আসনটি বিএনপির চিহ্নিত ঘাঁটি হিসেবে রাজনৈতিক মহলে পরিচিত। তবে ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ এই আসনটি নিজেদের দখলে নেয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এই আসনটি পুনরুদ্ধার করতে মরিয়া।

এই পুনরুদ্ধারের পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন হাঁস প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নিকলী ও বাজিতপুর উপজেলার বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী ইকবালের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় দলীয় বিশৃঙ্খলা ক্রমেই বাড়তে থাকে। বিষয়টি বিএনপির নীতিনির্ধারক মহলের নজরে এলে দ্রুত দলীয় শৃঙ্খলা ফেরাতে দুই উপজেলার ২০ জন প্রভাবশালী নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি। পাশাপাশি কয়েকজন নেতার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে তাদের দলীয় কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা হয়।

এর ফলে স্থানীয় বিএনপি রাজনীতিতে নির্বাচনী সময়ে দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যাপক সচেতনতা লক্ষ করা যাচ্ছে। ধানের শীষের পক্ষে প্রচার-প্রচারণাও জোরদার হয়েছে। এই ধারা বজায় থাকলে অল্প সময়ের মধ্যেই নির্বাচনী গণজোয়ার সৃষ্টি হয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন কয়েকজন সচেতন স্থানীয় নেতা ও ভোটার।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মো. রমজান আলী জানান, তিনি ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে অংশগ্রহণ করে পরাজিত হন। এরপর থেকেই তিনি নিকলী–বাজিতপুরের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়েছেন, অনেকের পারিবারিক ও ব্যক্তিগত সমস্যায় সহায়তা করেছেন। মানুষের এই ভালোবাসার ফলেই আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনতার ভোটে দাঁড়িপাল্লা বিজয়ী হয়ে সংসদে যাওয়ার ব্যাপারে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অপরদিকে সাবেক বিএনপি নেতা ও হাঁস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল নিজেকে স্বতন্ত্র নয়, ‘জনতার প্রার্থী’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিতে গিয়ে যেসব বিএনপি নেতাকর্মী জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন এবং আওয়ামী নেতাদের দ্বারা নির্যাতিত বিএনপি পরিবারের পাশে তিনি সর্বক্ষণ ছায়ার মতো দাঁড়িয়েছেন। এছাড়া গত ২৫ বছর ধরে বিএনপির হয়ে এই আসনের সব ইউনিয়নে নিয়মিত দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ায় কর্মী-সমর্থকদের দাবী, ভালোবাসা ও চাপেই তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে হাঁস প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন এবং জনতার ভোটে বিজয়ী হয়ে সংসদে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

বাবা সৈয়দ সিরাজুল হুদার হাতে গড়া বাংলাদেশ জাতীয় দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিয়ে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া সৈয়দ এহসানুল হুদা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ভোটযুদ্ধে নামার কথা জানিয়ে বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে নিকলী–বাজিতপুরের প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে সভা-সমাবেশ ও জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। বিএনপি একটি বৃহৎ দল হওয়ায় নেতাকর্মীদের মাঝে মান-অভিমান থাকতেই পারে, তবে সেগুলো সমন্বয়ের মাধ্যমে সমাধান করা হচ্ছে। ব্যক্তি নয়, দল বড়—দলের চেয়েও দেশ বড়—এই চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সবাই ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনবেন এবং তারেক জিয়ার হাতকে শক্তিশালী করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে  বিএনপির ধানের শীষ, স্বতন্ত্র প্রার্থীর(বিএনপি বিদ্রোহী) হাঁস, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা ছাড়াও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম (হরিণ), জাতীয় পার্টির মোঃ মাহবুবুল আলম (লাঙ্গল), বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের মুফতি মোহাম্মদ দেলাওয়ার হোসাইন কাসেমী (হাতপাখা), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সাজ্জাদ হোসেন স্বাধীন (হারিকেন) এবং বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী অলি উল্লাহ (মোমবাতি) রয়েছেন। সবাই নিজ নিজ প্রতীক নিয়ে বিজয়ের লক্ষ্যে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তায় হোসেনপুরে ঈদের প্রধান জামাত

এস কে শাহীন নবাব প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪১ অপরাহ্ণ
শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তায় হোসেনপুরে ঈদের প্রধান জামাত

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত এই জামাতে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত হাজারো মুসল্লি অংশ নেন।

জামাতে অংশ নেন হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক, শিল্পপতি ও জননেতা জহিরুল ইসলাম মবিন। তিনি সাধারণ মুসল্লিদের সঙ্গে এক কাতারে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেন এবং নামাজ শেষে উপস্থিত সবার সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এবারের ঈদের নামাজে ইমামতি করেন কিশোরগঞ্জর ঐতিহাসিক জামিয়া ইমদাদিয়ার প্রধান মুফতি হযরত মাওলানা মুফতি ওমর সাহেব। নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঈদগাহ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও হোসেনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম, আহ্বায়ক কামরুজ্জামান খান, হোসেনপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি এ কে এম রফিকুল ইসলাম সফিক, বিএনপি নেতা সাদ্দাম হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শওকত হোসেন এবং পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব রাজীব আহমেদ পিয়াস প্রমুখ।

উপজেলা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, মুসল্লিদের সুবিধার্থে মাঠের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদের জামাত সম্পন্ন হয়েছে।

দেওয়ানগঞ্জে ড্রাম ব্রিজ ধস: নদীতে পড়ে ৩ শিশু নিহত, নিখোঁজ ২

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৮:০০ অপরাহ্ণ
দেওয়ানগঞ্জে ড্রাম ব্রিজ ধস: নদীতে পড়ে ৩ শিশু নিহত, নিখোঁজ ২

সংগ্রহীত

জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার সামনে ব্রহ্মপুত্র নদে নির্মিত একটি ভাসমান ড্রাম ব্রিজ ভেঙে শতাধিক মানুষ নদীতে পড়ে গেলে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুই শিশু নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে। ঈদের আনন্দমুখর মুহূর্তেই দেওয়ানগঞ্জ উপজেলাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।

শনিবার (২১ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে ঈদের দিন দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ঈদকে কেন্দ্র করে প্রতি বছরই ওই স্থানে মানুষের ব্যাপক সমাগম ঘটে। এবারও ঈদের দিন বিকেলে সেখানে প্রচুর মানুষ জড়ো হন। দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও অতিরিক্ত চাপের কারণে হঠাৎ ব্রিজটি ভেঙে পড়ে। এ সময় ব্রিজে থাকা শতাধিক মানুষ নদীতে পড়ে যান।

তাদের মধ্যে অনেকেই সাঁতার কেটে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও কয়েকজন শিশু পানির স্রোতে ভেসে যায়। ঘটনাস্থলেই তিন শিশুর মৃত্যু হয় এবং আরও দুই শিশু নিখোঁজ রয়েছে।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। দেওয়ানগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের লিডার মুবিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধার কাজ অব্যাহত রয়েছে এবং নিখোঁজদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

এ ঘটনায় দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়নি।

হোসেনপুরের পুমদীতে ডাহরা গোলপুকুর পাড়ে ৮০তম বৃহৎ ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরের পুমদীতে ডাহরা গোলপুকুর পাড়ে ৮০তম বৃহৎ ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার পুমদী ইউনিয়নের ডাহরা গোলপুকুর পাড় ঈদগাহ মাঠে ৮০তম বৃহৎ ঈদের জামাত শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের পরেই এই ঈদগাহ মাঠটি উপজেলার অন্যতম বৃহৎ মাঠ হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি এখানে একত্রিত হয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

উক্ত জামাতে ইমামতি করেন মো. আ. কাইরুম (মামুন হুজুর)। নামাজ শেষে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় ঈদগাহ মাঠে উপস্থিত ছিলেন এলাকার কৃতী সন্তান ও বাংলাদেশের পারমাণবিক শক্তি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মো. শওকত আকবরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ঈদের এই বৃহৎ জামাতকে ঘিরে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ঈদের নামাজ সম্পন্ন হয়।