বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩

হোসেনপুরে দীর্ঘদিনের কোন্দল অবসান করে ঐক্যবদ্ধ বিএনপি—বিপাকে বিদ্রোহী প্রার্থী

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
হোসেনপুরে দীর্ঘদিনের কোন্দল অবসান করে ঐক্যবদ্ধ বিএনপি—বিপাকে বিদ্রোহী প্রার্থী

বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনা ও জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরিফুল আলমের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দীর্ঘ দুই যুগের কোন্দল অবসান ঘটিয়ে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। এ ঐক্যের ফলে দলীয় সিনিয়র নেতাকর্মীদের সমর্থন হারিয়ে মনোনয়নবঞ্চিত বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রেজাউল করিম খান চুন্নু কার্যত সঙ্গীহীন হয়ে পড়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মাজহারুল ইসলামকে বিজয়ী করতে সব ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করার নির্দেশ দেন তারেক রহমান। এই নির্দেশ বাস্তবায়নে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শরিফুল আলম।

এরই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের আলম টাওয়ারে হোসেনপুর উপজেলা বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ধানের শীষের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. মাজহারুল ইসলামের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা অংশ নেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন হোসেনপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শিল্পপতি মো. জহিরুল ইসলাম মবিন, সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রফিকুল ইসলাম, সাবেক স্পেশাল পিপি ও যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইসলাম জুয়েল, সাবেক ছাত্রদল সভাপতি ও যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম কাঞ্চন, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মনিরুল হক রাজন, সাবেক পৌর মেয়র ও যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম মাহবুব রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক আবু বক্কর ছিদ্দিক বাক্কার এবং শাহেদল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও যুগ্ম আহ্বায়ক জিএস আবুল হাসিম সবুজসহ আরও অনেকে।

দীর্ঘদিনের ভেদাভেদ ভুলে বিএনপির এই ঐক্যকে স্বাগত জানিয়েছেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাদ্দাম হোসেন চান মিয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন, হোসেনপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মানসুরুল হক রবিন, হোসেনপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সদস্য অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান চন্দন, পৌর বিএনপির শিক্ষা সম্পাদক আতাহার আলী মৃধা মাসুদ, গোবিন্দপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম হিমেল, যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল ফয়েজ টুটুল, ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবু নাঈম, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি মো. রাজিব আহম্মদ, কৃষকদলের সভাপতি আব্দুস সালাম এবং পৌর যুবদলের সভাপতি শরিফ আহম্মেদসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরিফুল আলমসহ একাধিক নেতা বলেন, হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির দীর্ঘদিনের কোন্দল নিরসনের ফলে কিশোরগঞ্জ–১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. মাজহারুল ইসলামের বিজয়ের পথে আর বড় কোনো বাধা নেই। ঐক্যবদ্ধ নেতাকর্মীদের মাধ্যমে বিপুল ভোটের ব্যবধানে তিনি বিজয়ী হবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, কিশোরগঞ্জ–১ (সদর–হোসেনপুর) আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী মো. মাজহারুল ইসলামের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক বিভাগীয় স্পেশাল জজ মো. রেজাউল করিম খান চুন্নু (মোরগ)। এ ছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন—মো. হেদায়েতুল ইসলাম হাদী (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস–রিকশা), মো. আলাল মিয়া (বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল–কাঁচি), আহম্মদ আলী (খেলাফত মজলিস–দেয়ালঘড়ি), তারেক মো. শহিদুল ইসলাম (এনপিপি–আম), এনামুল হক (সিপিবি–কাস্তে) এবং মাসুদ মিয়া (বাসদ–মই)।

হোসেনপুরে বিরোধপূর্ণ জমিতে ঘর নির্মাণের চেষ্টা

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে বিরোধপূর্ণ জমিতে ঘর নির্মাণের চেষ্টা

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ১৪৪ ধারা জারি থাকা অবস্থায় জোরপূর্বক ঘর নির্মাণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগী মো. নাজমুল ইসলাম হোসেনপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উভয় পক্ষকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশনা দিয়েছে। পাশাপাশি কিশোরগঞ্জ আদালতের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার আলোকে নোটিশ জারি করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সিদলা ইউনিয়নের মেচেড়া (আটকাপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা মো. নজরুল ইসলাম (৪৮) তার পৈত্রিক সম্পত্তিতে দখল ও বসতঘর নির্মাণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে থানায় আবেদন করেন।

অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, একই গ্রামের শহীদ মিয়া, সোহাগ মিয়া, মো. ফজলু গংসহ কয়েকজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বিরোধপূর্ণ জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে আসছে এবং তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে।

আরও বলা হয়, বিবাদীরা সংঘবদ্ধ হয়ে জমিতে অবৈধভাবে প্রবেশ করে দখল নেওয়া এবং বসতঘর নির্মাণের চেষ্টা চালাচ্ছে। এতে ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এবং যেকোনো সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় কয়েকজনকে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যারা অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে পারবেন বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারী।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কিশোরগঞ্জের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশনায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। হোসেনপুর থানা থেকে উভয় পক্ষকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। নোটিশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, বিরোধপূর্ণ জমিতে কেউ কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা, দখল বা অবৈধ কার্যক্রমে জড়িত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তবে অভিযোগ রয়েছে, বিবাদীপক্ষ ওই নির্দেশনা অমান্য করে জোরপূর্বক ঘর নির্মাণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোশাররফ হোসেন জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং আইনশৃঙ্খলা অবনতিরোধে উভয় পক্ষকে সতর্ক করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত বিষয়টির স্থায়ী সমাধান ও প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকে।

হোসেনপুরের সন্তান মোশারফ হোসেনের সাটুরিয়া থানার ওসি হিসেবে পদায়ন

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরের সন্তান মোশারফ হোসেনের সাটুরিয়া থানার ওসি হিসেবে পদায়ন

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার ৬ নম্বর পুমদী ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী নান্দানিয়া গ্রামের কৃতি সন্তান পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোশারফ হোসেনকে মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

তার এই গুরুত্বপূর্ণ পদায়নে পুমদী ইউনিয়নসহ হোসেনপুর উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে। ইউনিয়নবাসীর পক্ষ থেকে তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

জানা যায়, মোশারফ হোসেন এর আগে মানিকগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-তে ওসি (ডিবি) হিসেবে দীর্ঘদিন সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। পেশাগত দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি সহকর্মী ও সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন।

পুমদী ইউনিয়নবাসী আশা প্রকাশ করেন, তিনি নতুন কর্মস্থল সাটুরিয়া থানায়ও দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

এ সময় তার সার্বিক সফলতা, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ কর্মজীবনের জন্য দোয়া ও শুভকামনা জানানো হয়।

অমুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: ৬,৪৭৬ জনের নাম বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৪ অপরাহ্ণ
অমুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: ৬,৪৭৬ জনের নাম বাতিল

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৩৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন।

বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অধিবেশনটি অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী জানান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এমআইএসে সংরক্ষিত সমন্বিত তালিকা অনুযায়ী এই সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বিভিন্ন ভাতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আপাতত সম্মানি ভাতা বৃদ্ধির কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমিনের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও জানান, উপজেলা পর্যায়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আলাদা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মাণেরও কোনো পরিকল্পনা নেই।

তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা সহায়তার জন্য প্রতি বছর চার হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হয়। এছাড়া কোনো মুক্তিযোদ্ধা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে, স্বীকৃত হাসপাতালের বিল মন্ত্রণালয় পরিশোধ করে থাকে।

মন্ত্রী আরও জানান, ‘উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন উপজেলায় অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে।

পৃথক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো গেজেটধারী মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অভিযোগ পাওয়া গেলে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) তদন্ত ও শুনানির মাধ্যমে তা যাচাই করে।

অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

মন্ত্রী জানান, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত অমুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত ৮৪২টি অভিযোগ জমা পড়েছে। এর মধ্যে তদন্ত শেষে ৪৮১ জনের গেজেট, লাল মুক্তিবার্তা বা ভারতীয় তালিকা বাতিল করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জামুকা প্রতিষ্ঠার পর থেকে ১০৩টি সভার মাধ্যমে মোট ৬ হাজার ৪৭৬ জনের গেজেট বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে।