শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮ ১৪৩২
শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮ ১৪৩২

রাজধানীতে মশার উপদ্রব বিপৎসীমায়, ফেব্রুয়ারিতে বেড়েছে ৪০ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
রাজধানীতে মশার উপদ্রব বিপৎসীমায়, ফেব্রুয়ারিতে বেড়েছে ৪০ শতাংশ

রাজধানীতে মশার উপদ্রব নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে মশার সংখ্যা ৪০ শতাংশের বেশি বেড়েছে বলে এক সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো, মোট মশার প্রায় ৯০ শতাংশই কিউলেক্স প্রজাতির। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, মার্চে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশারের নেতৃত্বে পরিচালিত গবেষণায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় লার্ভা ও প্রাপ্তবয়স্ক মশার ঘনত্ব বিশ্লেষণ করা হয়। গবেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি জনস্বাস্থ্যের জন্য স্পষ্ট সতর্কবার্তা।

রাজধানীর আদাবর, মিরপুর, উত্তরা, কামরাঙ্গীরচরসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা একই ধরনের দুর্ভোগের কথা জানিয়েছেন। কয়েল, অ্যারোসল কিংবা মশারি—কোনো ব্যবস্থাই কার্যকর হচ্ছে না বলে অভিযোগ তাদের। বিশেষ করে শিশুদের শরীরে মশার কামড়ের দাগ, চুলকানি ও ঘা দেখা যাচ্ছে। সন্ধ্যা নামলেই বারান্দা বা পড়ার টেবিলে বসা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে জানান অনেকে।

গবেষণায় দেখা গেছে, জানুয়ারিতে ২৫০ মিলিলিটার পানিতে গড়ে ৮৫০টি মশার লার্ভা পাওয়া গেলেও ফেব্রুয়ারিতে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে গড়ে ১ হাজার ২৫০টিতে। একই সঙ্গে প্রাপ্তবয়স্ক মশার ঘনত্বও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রাপ্তবয়স্ক মশার উপস্থিতি নিরূপণে গবেষকরা এক ঘণ্টায় একজন মানুষের শরীরে কতটি মশা কামড়ায়, তা পর্যবেক্ষণ করেন। জানুয়ারিতে এ সংখ্যা ছিল ৪০০ থেকে ৬০০, যা ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে গড়ে ৮৫০টিতে পৌঁছেছে। গবেষকদের মতে, বিশ্বমান অনুযায়ী এক ঘণ্টায় পাঁচটি কামড়ই অতিরিক্ত ধরা হয়—সে তুলনায় ঢাকার পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

গবেষণায় কামরাঙ্গীরচর, লালবাগ, শনির আখড়া, শ্যামপুর, রায়েরবাজার, উত্তরা ও সাভার এলাকায় মশার ঘনত্ব বেশি পাওয়া গেছে। তুলনামূলকভাবে শাহবাগ ও পরীবাগ এলাকায় ঘনত্ব কিছুটা কম।

এ ছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ পর্যবেক্ষণে পাঁচটি এলাকায় ২৪ ঘণ্টা ফাঁদ বসিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। ১৬ থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত ওই এলাকায় ধরা পড়ে ১৭ হাজার ১৫৯টি মশা। একই এলাকায় ৩০ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধরা পড়ে ২২ হাজার ৩৬২টি মশা।

বাংলাদেশে সাধারণত কিউলেক্স, এডিস ও অ্যানোফিলিস—এই তিন প্রজাতির মশা বেশি দেখা যায়। এর মধ্যে বর্তমানে কিউলেক্সের বিস্তারই সবচেয়ে বেশি। কিউলেক্সের কামড়ে ফাইলেরিয়া (গোদরোগ) ও জাপানি এনসেফালাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

আইসিডিডিআরবির বিজ্ঞানী মোহাম্মদ শফিউল আলম জানান, জাপানি এনসেফালাইটিসে মৃত্যুহার প্রায় ২৫ শতাংশ। অতীতে রাজশাহী, রংপুর ও পার্বত্য অঞ্চলে এ রোগে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, যদিও তা ব্যাপক আকার ধারণ করেনি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আবহাওয়ার পরিবর্তন ও পরিবেশদূষণ কিউলেক্স বৃদ্ধির প্রধান কারণ। শীতকাল স্বল্পস্থায়ী হওয়ায় এবং তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকায় মশার জীবনচক্র দ্রুত সম্পন্ন হচ্ছে। পাশাপাশি খোলা নর্দমা, বদ্ধ জলাশয় ও অপরিকল্পিত আবর্জনার স্তূপ কিউলেক্সের জন্য অনুকূল প্রজননক্ষেত্র তৈরি করছে।

ডিএনসিসি এলাকার প্রায় আট হাজার বিঘা জলাশয়ই সম্ভাব্য মশার প্রজননক্ষেত্র বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী। তিনি বলেন, জলাশয় পরিষ্কারের পরও দ্রুত সেখানে আবর্জনা জমে যায়। খোলা নর্দমা ও স্থায়ী জলাবদ্ধতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

গবেষকদের আশঙ্কা, মার্চে তাপমাত্রা আরও বাড়লে কিউলেক্সের বিস্তারও বাড়বে। বর্তমান পরিস্থিতি কেবল ভোগান্তির নয়, বরং জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি বড় ঝুঁকির ইঙ্গিত দিচ্ছে। দ্রুত সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে রাজধানীবাসীর দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে।

কটিয়াদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা তুলসী কান্তি রাউতের মৃত্যু

মিজানুর রহমান প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ
কটিয়াদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা তুলসী কান্তি রাউতের মৃত্যু

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা তুলসী কান্তি রাউত (৭৭) নিহত হয়েছেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের ডেপুটি কমান্ডার, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ছিলেন।

নিহত তুলসী কান্তি রাউত কটিয়াদী উপজেলার চান্দপুর ইউনিয়নের পাঁচপাড়া গ্রামের মৃত যতীন্দ্র চন্দ্র রাউতের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে ময়মনসিংহ–ভৈরব আঞ্চলিক মহাসড়কের ভোগপাড়া এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় একটি পিকআপ ভ্যান তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা তুলসী কান্তি রাউতের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী–পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দিন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, কটিয়াদী থানার ওসি (তদন্ত) হাবিবুল্লাহ খান এবং উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইসরাইল মিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

পরে পৌর এলাকার ঘোষপাড়া কেন্দ্রীয় শ্মশানে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

বীর মুক্তিযোদ্ধা তুলসী কান্তি রাউতের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান এবং সমাজে তার ভূমিকা এলাকাবাসীর কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

ফজরের নামাজ পড়িয়ে ফেরার পথে কিশোরগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ইমাম নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:২১ অপরাহ্ণ
ফজরের নামাজ পড়িয়ে ফেরার পথে কিশোরগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ইমাম নিহত

কিশোরগঞ্জে ফজরের নামাজ আদায় করিয়ে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান গোলাম মোস্তফা (৬০) নামে এক ইমাম নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ভোর আনুমানিক ৬টার দিকে জেলা জজ কোর্টের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম ভূঞা।

নিহত মোস্তাফিজুর রহমান গোলাম মোস্তফা কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিবাবাদ ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের মৃত তাহের উদ্দিনের ছেলে। তিনি কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানা মসজিদের পেশ ইমাম হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার ভোরে ফজরের নামাজ আদায় শেষে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে বাড়ি ফিরছিলেন ইমাম মোস্তাফিজুর রহমান। এ সময় জেলা জজ কোর্টের সামনে নির্মাণাধীন ড্রেনের কাজের জন্য সড়কে ফেলে রাখা বালুর স্তূপে অটোরিকশার চাকা পিছলে যায়। এতে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে অটোরিকশাটির সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষের পর ইমাম মোস্তাফিজুর রহমান ও অটোরিকশাচালক সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইমাম মোস্তাফিজুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অটোরিকশাচালক বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম ভূঞা জানান, পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে শুক্রবার বিকাল ৩টায় নিজ এলাকায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কে নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা দ্রুত এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

৪০০ বছরে প্রথম: গ্রেপ্তার হলেন রাজপরিবারের কোন উচ্চপদস্থ সদস্য

জন্মদিনে গ্রেপ্তারের পর তদন্তাধীন অবস্থায় মুক্তি পেলেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ণ
জন্মদিনে গ্রেপ্তারের পর তদন্তাধীন অবস্থায় মুক্তি পেলেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু

সরকারি দায়িত্ব পালনে অনিয়মের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ব্রিটিশ রাজপরিবারের সাবেক সদস্য প্রিন্স অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন–উইন্ডসরকে তদন্তাধীন অবস্থায় ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। তবে অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত চলমান থাকবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দেওয়া হালনাগাদ বিবৃতিতে টেমস ভ্যালি পুলিশ জানায়, প্রিন্স অ্যান্ড্রুকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদের পর তদন্তাধীন অবস্থায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নরফোক এলাকায় পরিচালিত তল্লাশি অভিযানও শেষ হয়েছে বলে জানানো হয়।

এলশাম পুলিশ স্টেশন ত্যাগের সময় একটি গাড়ির পেছনের আসনে হেলান দিয়ে বসা অবস্থায় সাবেক এই রাজপুত্রকে দেখা যায়। সে সময় তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

প্রিন্স অ্যান্ড্রু বরাবরই তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ জোরালোভাবে অস্বীকার করে আসছেন। টেমস ভ্যালি পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রাথমিক তথ্য ও প্রমাণ মূল্যায়নের পর আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ২০১০ সালে কুখ্যাত মার্কিন যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টিন একটি তরুণীকে অ্যান্ড্রুর কাছে পাঠিয়েছিলেন—এমন একটি পৃথক অভিযোগও তদন্তের আওতায় রয়েছে। সংশ্লিষ্ট নারী ব্রিটিশ নাগরিক নন এবং ওই সময় তার বয়স ছিল বিশের কোঠায়।

বিবিসি নিউজের খবরে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারের আগে টেমস ভ্যালি পুলিশ বিষয়টি ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র দপ্তরকে অবহিত করেছিল।

পুলিশের ভাষ্যমতে, বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টার দিকে নরফোকের স্যান্ড্রিংহ্যামে এই গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে এটি কোনো সরাসরি যৌন অপরাধের অভিযোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রিন্স অ্যান্ড্রু তার ৬৬তম জন্মদিনেই গ্রেপ্তার হন। ব্রিটিশ ইতিহাসে প্রায় ৪০০ বছরের মধ্যে রাজপরিবারের কোনো উচ্চপদস্থ সদস্যকে গ্রেপ্তারের ঘটনা এটিই প্রথম।

এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস এক বিবৃতিতে বলেন, আইন তার নিজস্ব পথে চলবে এবং পুলিশ তাদের দায়িত্ব পালনে রাজপরিবারের পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতা পাবে।

এর আগে পুলিশ জানিয়েছিল, জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক এবং সম্ভাব্য গোপন তথ্য আদান–প্রদানের অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রকাশিত কিছু নথিতেও অ্যান্ড্রু ও এপস্টিনের মধ্যকার যোগাযোগের তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।