বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

রাজধানীতে মশার উপদ্রব বিপৎসীমায়, ফেব্রুয়ারিতে বেড়েছে ৪০ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
রাজধানীতে মশার উপদ্রব বিপৎসীমায়, ফেব্রুয়ারিতে বেড়েছে ৪০ শতাংশ

রাজধানীতে মশার উপদ্রব নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে মশার সংখ্যা ৪০ শতাংশের বেশি বেড়েছে বলে এক সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো, মোট মশার প্রায় ৯০ শতাংশই কিউলেক্স প্রজাতির। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, মার্চে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশারের নেতৃত্বে পরিচালিত গবেষণায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় লার্ভা ও প্রাপ্তবয়স্ক মশার ঘনত্ব বিশ্লেষণ করা হয়। গবেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি জনস্বাস্থ্যের জন্য স্পষ্ট সতর্কবার্তা।

রাজধানীর আদাবর, মিরপুর, উত্তরা, কামরাঙ্গীরচরসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা একই ধরনের দুর্ভোগের কথা জানিয়েছেন। কয়েল, অ্যারোসল কিংবা মশারি—কোনো ব্যবস্থাই কার্যকর হচ্ছে না বলে অভিযোগ তাদের। বিশেষ করে শিশুদের শরীরে মশার কামড়ের দাগ, চুলকানি ও ঘা দেখা যাচ্ছে। সন্ধ্যা নামলেই বারান্দা বা পড়ার টেবিলে বসা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে জানান অনেকে।

গবেষণায় দেখা গেছে, জানুয়ারিতে ২৫০ মিলিলিটার পানিতে গড়ে ৮৫০টি মশার লার্ভা পাওয়া গেলেও ফেব্রুয়ারিতে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে গড়ে ১ হাজার ২৫০টিতে। একই সঙ্গে প্রাপ্তবয়স্ক মশার ঘনত্বও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রাপ্তবয়স্ক মশার উপস্থিতি নিরূপণে গবেষকরা এক ঘণ্টায় একজন মানুষের শরীরে কতটি মশা কামড়ায়, তা পর্যবেক্ষণ করেন। জানুয়ারিতে এ সংখ্যা ছিল ৪০০ থেকে ৬০০, যা ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে গড়ে ৮৫০টিতে পৌঁছেছে। গবেষকদের মতে, বিশ্বমান অনুযায়ী এক ঘণ্টায় পাঁচটি কামড়ই অতিরিক্ত ধরা হয়—সে তুলনায় ঢাকার পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

গবেষণায় কামরাঙ্গীরচর, লালবাগ, শনির আখড়া, শ্যামপুর, রায়েরবাজার, উত্তরা ও সাভার এলাকায় মশার ঘনত্ব বেশি পাওয়া গেছে। তুলনামূলকভাবে শাহবাগ ও পরীবাগ এলাকায় ঘনত্ব কিছুটা কম।

এ ছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ পর্যবেক্ষণে পাঁচটি এলাকায় ২৪ ঘণ্টা ফাঁদ বসিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। ১৬ থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত ওই এলাকায় ধরা পড়ে ১৭ হাজার ১৫৯টি মশা। একই এলাকায় ৩০ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধরা পড়ে ২২ হাজার ৩৬২টি মশা।

বাংলাদেশে সাধারণত কিউলেক্স, এডিস ও অ্যানোফিলিস—এই তিন প্রজাতির মশা বেশি দেখা যায়। এর মধ্যে বর্তমানে কিউলেক্সের বিস্তারই সবচেয়ে বেশি। কিউলেক্সের কামড়ে ফাইলেরিয়া (গোদরোগ) ও জাপানি এনসেফালাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

আইসিডিডিআরবির বিজ্ঞানী মোহাম্মদ শফিউল আলম জানান, জাপানি এনসেফালাইটিসে মৃত্যুহার প্রায় ২৫ শতাংশ। অতীতে রাজশাহী, রংপুর ও পার্বত্য অঞ্চলে এ রোগে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, যদিও তা ব্যাপক আকার ধারণ করেনি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আবহাওয়ার পরিবর্তন ও পরিবেশদূষণ কিউলেক্স বৃদ্ধির প্রধান কারণ। শীতকাল স্বল্পস্থায়ী হওয়ায় এবং তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকায় মশার জীবনচক্র দ্রুত সম্পন্ন হচ্ছে। পাশাপাশি খোলা নর্দমা, বদ্ধ জলাশয় ও অপরিকল্পিত আবর্জনার স্তূপ কিউলেক্সের জন্য অনুকূল প্রজননক্ষেত্র তৈরি করছে।

ডিএনসিসি এলাকার প্রায় আট হাজার বিঘা জলাশয়ই সম্ভাব্য মশার প্রজননক্ষেত্র বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী। তিনি বলেন, জলাশয় পরিষ্কারের পরও দ্রুত সেখানে আবর্জনা জমে যায়। খোলা নর্দমা ও স্থায়ী জলাবদ্ধতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

গবেষকদের আশঙ্কা, মার্চে তাপমাত্রা আরও বাড়লে কিউলেক্সের বিস্তারও বাড়বে। বর্তমান পরিস্থিতি কেবল ভোগান্তির নয়, বরং জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি বড় ঝুঁকির ইঙ্গিত দিচ্ছে। দ্রুত সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে রাজধানীবাসীর দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে।

শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহর আত্মত্যাগ স্মরণে কুলিয়ারচরে শ্রদ্ধা ও দোয়া

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহর আত্মত্যাগ স্মরণে কুলিয়ারচরে শ্রদ্ধা ও দোয়া

জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের কৃতি সন্তান এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহর কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কবর জিয়ারত করা হয়েছে। এ সময় তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) কুলিয়ারচর উপজেলার সালুয়া ইউনিয়নের কবরস্থানে এ কর্মসূচির আয়োজন করেন স্থানীয় জুলাই যোদ্ধা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী এবং ছাত্রনেতারা।

কর্মসূচির শুরুতে শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে কবর জিয়ারত শেষে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

মোনাজাতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও সার্বিক কল্যাণ কামনার পাশাপাশি জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা অটুট রাখার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপস্থিত জুলাই যোদ্ধা ও ছাত্রনেতারা বলেন, “শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহসহ জুলাই বিপ্লবের সকল শহীদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও স্বৈরাচারমুক্ত রাষ্ট্র গঠনের যে স্বপ্ন তাঁরা বুকে ধারণ করেছিলেন, সেই আদর্শ বাস্তবায়নে তরুণ প্রজন্ম ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে।”

বক্তারা আরও বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং তাঁদের আদর্শকে ধারণ করাই হবে প্রকৃত শ্রদ্ধা নিবেদন। একই সঙ্গে দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তাঁরা।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জুলাই যোদ্ধা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তাড়াইলে প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময়, বৃক্ষরোপণ ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায় ড. ওসমান ফারুক

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
তাড়াইলে প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময়, বৃক্ষরোপণ ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায় ড. ওসমান ফারুক

কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের সংসদ সদস্য ড. ওসমান ফারুক তাড়াইল উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়েছেন। এ সময় তিনি সরকারি সেবার মানোন্নয়ন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমন্বয় এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন তাড়াইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিলা আক্তার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আল আমিন

সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা নিজ নিজ বিভাগের চলমান কার্যক্রম, উন্নয়ন প্রকল্প, জনসেবার অগ্রগতি, বিদ্যমান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সংসদ সদস্যকে অবহিত করেন। তারা সেবার মানোন্নয়ন এবং উন্নয়ন কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিষয়ও তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. ওসমান ফারুক বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা, জবাবদিহিতা ও সমন্বয়ের কোনো বিকল্প নেই। উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিকাশ রায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মেহেদী হাসান টিটু, তাড়াইল উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ সারোয়ার হোসেন লিটন, সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার আলম, সাবেক সভাপতি ছাইদু জামান মোস্তুফা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহারিয়ার খান, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভা শেষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন সংসদ সদস্য। এ সময় তিনি পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।

পরে ২০২৬ সালের পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার তুলে দেন ড. ওসমান ফারুক। এ সময় অতিথিরা শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য কামনা করেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে শিক্ষার মানোন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জনকল্যাণমূলক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

জুলাই শহীদদের স্মরণে কুলিয়ারচর উপজেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ণ
জুলাই শহীদদের স্মরণে কুলিয়ারচর উপজেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬’ পালন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তারা জুলাইয়ের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তাঁদের অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইয়াসিন খন্দকার

সভায় বক্তারা বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের আত্মত্যাগ জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই শহীদদের অবদান তুলে ধরা এবং তাঁদের আদর্শ ধারণ করার আহ্বানও জানান বক্তারা।

আলোচনা সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, গণমাধ্যমকর্মী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করা হয়। পরে দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলো একইভাবে উদযাপন করা হবে।


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41