বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩

উদ্ধার হওয়া ৫০টি চোরাই মোবাইল মালিকদের হাতে তুলে দিল কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১:০৪ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
উদ্ধার হওয়া ৫০টি চোরাই মোবাইল মালিকদের হাতে তুলে দিল কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ

কিশোরগঞ্জে উদ্ধার হওয়া চোরাই মোবাইলফোন প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেছে জেলা পুলিশ। শনিবার (১৪ মার্চ ২০২৬) দুপুর ১২টায় কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব মোবাইলফোন মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার ড. এস. এম. ফরহাদ হোসেন। তিনি জানান, গত এক মাসে জেলার বিভিন্ন স্থানসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০টি চোরাই মোবাইলফোন উদ্ধার করেছে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর–হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম। পুলিশের এ ধরনের কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে অপরাধ দমনে পুলিশের সক্ষমতা বাড়ছে। তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান জোরদার করার আহ্বান জানান।

পুলিশ সুপার ড. এস. এম. ফরহাদ হোসেন উদ্ধার অভিযানে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত পুলিশ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, নাগরিকদের জানমাল রক্ষায় এবং হারিয়ে যাওয়া সম্পদ উদ্ধারে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন। এ সময় তিনি বিশেষভাবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান তালুকদারকে সফল অভিযানের জন্য ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিআইও-১ কিশোরগঞ্জ মো. সাইফুল ইসলাম, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঁইয়া, পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ এবং উদ্ধার হওয়া মোবাইলফোনের মালিকরা।

হারিয়ে যাওয়া মোবাইলফোন ফিরে পেয়ে মালিকরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। উপস্থিত অনেকেই বলেন, পুলিশের এ ধরনের উদ্যোগ সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

টটেনহ্যামে গিয়েই জার্সির নাম বদলালেন সাভিনহো, কেন ‘সাভিও’?

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ণ
টটেনহ্যামে গিয়েই জার্সির নাম বদলালেন সাভিনহো, কেন ‘সাভিও’?

ম্যানচেস্টার সিটি ছেড়ে টটেনহ্যামে যোগ দেওয়ার পর জার্সিতে নিজের নাম পরিবর্তন করেছেন ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার সাভিও। এতদিন ফুটবলবিশ্বে ‘সাভিনহো’ নামে পরিচিত এই ফরোয়ার্ড নতুন ক্লাবে জার্সিতে লিখিয়েছেন ‘Sávio’। ফলে হঠাৎ নাম পরিবর্তনের কারণ নিয়ে তৈরি হয়েছে কৌতূহল।

মঙ্গলবার ম্যানচেস্টার সিটি থেকে সাভিওর টটেনহ্যামে যোগ দেওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নতুন ক্লাবে তিনি ১৭ নম্বর জার্সি পরবেন। তবে জার্সির পেছনে ‘Savinho’-এর পরিবর্তে লেখা থাকবে ‘Sávio’।

সাভিওর পুরো নাম সাভিও মোরেইরা দে অলিভেইরা। ২২ বছর বয়সী এই ব্রাজিলিয়ান তারকা ক্যারিয়ারের শুরুতে খেলেছেন দেশটির ক্লাব অ্যাটলেটিকো মিনেইরোর হয়ে। ২০২২ সালে তিনি ফরাসি ক্লাব ত্রোয়ার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন।

ত্রোয়ার মালিকানাধীন ফুটবল নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে পরবর্তী সময়ে স্প্যানিশ ক্লাব জিরোনায় ধারে খেলেন সাভিও। সেখানেই তার ক্যারিয়ারে আসে বড় পরিবর্তন। জিরোনার হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে ইউরোপীয় ফুটবলে নিজের পরিচিতি বাড়ান তিনি।

জিরোনার হয়ে একটি মৌসুমে ১১ গোল ও ১০টি অ্যাসিস্ট করেন সাভিও। তার পারফরম্যান্স নজর কাড়ে ব্রাজিল জাতীয় দলের নির্বাচকদেরও। জিরোনায় থাকাকালীনই প্রথমবার ব্রাজিলের জাতীয় দলে ডাক পান তিনি।

জিরোনায় খেলার সময় সাভিও তাঁর আসল নামের সংক্ষিপ্ত রূপ ‘Sávio’ নামেই পরিচিত ছিলেন। এমনকি ক্লাবটির ১৬ নম্বর জার্সিতেও তাঁর নাম লেখা ছিল ‘Sávio’।

তবে ২০২৪ সালের গ্রীষ্মে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়ার পর তিনি জার্সিতে ‘Savinho’ নামটি ব্যবহার শুরু করেন। এরপর ওই নামেই আন্তর্জাতিক ফুটবলসহ বিশ্বজুড়ে পরিচিত হয়ে ওঠেন তিনি।

‘Savinho’ মূলত ব্রাজিলিয়ান ফুটবলে ব্যবহৃত একটি আদুরে বা ছোট নামের রূপ। তবে টটেনহ্যামে যোগ দিয়ে আবার নিজের মূল নামের রূপ ‘Sávio’-তে ফিরে গেছেন এই উইঙ্গার।

ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে নিজের জায়গা তৈরি করার পর এবার টটেনহ্যামে নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন সাভিও। নতুন ক্লাবে ১৭ নম্বর জার্সিতে তাঁকে দেখা যাবে। সেই জার্সিতে ‘Savinho’-এর বদলে ‘Sávio’ লেখা থাকায় তাঁর পরিচিত নামেও এসেছে দৃশ্যমান পরিবর্তন।

অর্থাৎ খেলোয়াড়টি একই—পরিবর্তন শুধু জার্সিতে ব্যবহৃত নামের। ‘Savinho’ নামে যে পরিচিতি তিনি তৈরি করেছেন, সেটি বদলে এখন আবার নিজের মূল নাম ‘Sávio’-কেই সামনে আনছেন ব্রাজিলিয়ান এই তারকা।

বালুবাহী নৌযান থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ, নৌকার মাঝি আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২০ অপরাহ্ণ
বালুবাহী নৌযান থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ, নৌকার মাঝি আটক

কিশোরগঞ্জের ইটনায় ধনু নদীতে চলাচলরত বালুবাহী নৌযান থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে বাবর আলী (৫৫) নামে এক নৌকার মাঝিকে আটক করেছে নৌপুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল সোয়া ১০টার দিকে উপজেলার বেতেকা গ্রামের হস্ত ধনু নদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। বাবর আলী ইটনা উপজেলার সড়কহাটি এলাকার বাসিন্দা।

নৌপুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধনু নদীতে চলাচলরত একটি বালুবাহী নৌযান থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ধনপুর নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। অভিযানে চাঁদাবাজির কাজে ব্যবহৃত নৌকার মাঝি হিসেবে বাবর আলীকে আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত অন্য কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে অবৈধ কাজে ব্যবহৃত নৌকার মাঝি হিসেবে বাবর আলীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধনু নদীতে চলাচলরত বালুবাহী ও মালবাহী বিভিন্ন নৌযান থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। এরপর নৌপথে চাঁদাবাজি বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।

ধনপুর নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “নৌপথে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

নৌপুলিশের এই অভিযানের ফলে ধনু নদীপথে চলাচলকারী বালুবাহী ও মালবাহী নৌযান থেকে চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।

নেপালের ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানিতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ
নেপালের ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানিতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার এক শোকবার্তায় তিনি নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ এবং দেশটির জনগণের প্রতি বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক সমবেদনা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নেপালে আঘাত হানা ভয়াবহ বন্যায় বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানির মর্মান্তিক ঘটনায় তিনি গভীরভাবে শোকাহত ও ব্যথিত। এ দুর্যোগে স্বজন হারানো পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই অপূরণীয় ক্ষতির ভার বহন করা মানুষগুলোর প্রতি বাংলাদেশের মানুষের চিন্তা ও প্রার্থনা রয়েছে।

শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নেপালে আঘাত হানা ভয়াবহ বন্যায় বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানির মর্মান্তিক ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত ও ব্যথিত। আমাদের চিন্তা ও প্রার্থনা প্রিয়জন হারানো সেসব পরিবার ও মানুষের সঙ্গে রয়েছে, যাঁদের এই অপূরণীয় ক্ষতি বহন করতে হচ্ছে।”

তিনি নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ ও দেশটির জনগণের প্রতি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশ নেপালের পাশে রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংকটময় এ পরিস্থিতিতে নেপালের প্রয়োজন হলে বাংলাদেশ সরকার সম্ভাব্য সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমসহ দুর্যোগ মোকাবিলায় নেপালের প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতা করতে বাংলাদেশের প্রস্তুতির কথাও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শোক ও সহায়তার প্রস্তুতির এই বার্তার তথ্য রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনেও নিশ্চিত করা হয়েছে।

নেপালের সাম্প্রতিক এই ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শোকবার্তার শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী বন্যায় নিহত ব্যক্তিদের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সহমর্মিতা ও সমবেদনা জানান।