বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ ১৪৩২

ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি: হিলচিয়ায় প্রতিবন্ধী-এতিমদের পাশে শাহ্ আলম ফাউন্ডেশন

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি: হিলচিয়ায় প্রতিবন্ধী-এতিমদের পাশে শাহ্ আলম ফাউন্ডেশন

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার হিলচিয়া এলাকায় শাহ্ আলম চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন–এর উদ্যোগে প্রতিবন্ধী, এতিম ও অসহায় নারী-পুরুষদের মাঝে ঈদ সামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। মানবিকতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির বার্তা নিয়ে আয়োজিত এ উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় হিলচিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের হলরুমে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মো. কবির আলম শাহ। অনুষ্ঠানে সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী—বিশেষ করে প্রতিবন্ধী, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, এতিম, বয়স্ক ও বিধবা নারীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি মুমূর্ষু রোগীদের জন্য স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচিও পরিচালিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হিলচিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও স্কুলের গভর্নিং বডির সভাপতি নিয়াজ মামুনুল রহমান পুটন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক অধ্যক্ষ বাবু রতন পাল, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের উপজেলা সদস্যসচিব জহিরুল ইসলাম কাজল, প্রভাষক রেজাউল রহমান রাজীব, উপজেলা প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক মো. রফিকুল ইসলাম, রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মো. খলিলুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ মানিকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এছাড়াও কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ এবং ফাউন্ডেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল নিয়াজ বাহাদুর, সাংগঠনিক সম্পাদক সারোয়ার আলম আকাশ ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল মনসুর মামুনসহ অন্যান্য সদস্যরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে প্রায় ৬০ জন অতিদরিদ্র, প্রতিবন্ধী ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী নারী-পুরুষের মাঝে আধা কেজি সয়াবিন তেল, এক কেজি চিনি, এক কেজি চালের গুঁড়া, সেমাই, নুডলস ও গোসলের সাবানসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

বক্তারা বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সমাজের বোঝা নন; যথাযথ সুযোগ, সহায়তা ও সমান অধিকার নিশ্চিত করা গেলে তারা দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তুলতে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তায় তাদের সমঅধিকার নিশ্চিত করা জরুরি।

তারা আরও বলেন, এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ শুধু সহায়তা প্রদানে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি সমাজে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে এবং অসহায় মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মহল এগিয়ে এলে একটি সমতা ও মানবিকতাভিত্তিক সমাজ গঠন সম্ভব—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন বক্তারা।

ভৈরবে নতুন টাকা কিনতে ক্রেতাদের ভিড়, অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ
ভৈরবে নতুন টাকা কিনতে ক্রেতাদের ভিড়, অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ

ঈদ উপলক্ষে নতুন টাকা সংগ্রহ করতে ভৈরবে বাট্টা (টাকা বিক্রেতা) দোকানগুলোতে মানুষের ভিড় বেড়েছে। কয়েকদিন ধরেই অতিরিক্ত দামে নতুন টাকা কেনাবেচা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিয়মিত পুলিশ ও প্রশাসনের লোকজন ওই সড়ক দিয়ে চলাচল করলেও বিষয়টি তাদের নজরে আসছে না বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১০ টাকার একটি বান্ডিল ৪০০ টাকা, ২০ টাকার বান্ডিল ৪০০ টাকা, ৫ টাকার বান্ডিল দেড়শ টাকা এবং ৫০ টাকার বান্ডিল ৩০০ টাকা অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা হচ্ছে। আনোয়ার হোসেন নামে এক বিক্রেতাকে এসব দামে নতুন নোট বিক্রি করতে দেখা গেছে। তার দাবি, তিনি ঢাকা থেকে নতুন টাকা কিনে এনে ভৈরবে বিক্রি করেন। এতে যে লাভ হয়, তা দিয়েই তার সংসার চলে।

জানা গেছে, ঈদুল ফিতরে শিশু-কিশোর ও আত্মীয়-স্বজনদের সালামি দেওয়ার প্রচলন রয়েছে। এই সালামিতে নতুন টাকা একটি বড় আকর্ষণ। নতুন নোট পেলে শিশু-কিশোরদের আনন্দ আরও বেড়ে যায়। এ কারণে ঈদ সালামির জন্য নতুন টাকা সংগ্রহ করতে পুরাতন সোনালী ব্যাংকের মোড় ও হাসপাতাল মোড়ে মানুষের ভিড় দেখা যায়।

এ বছর ব্যাংকগুলো থেকে নতুন টাকা সরবরাহ না থাকায় মানুষ বাট্টা ব্যবসায়ীদের কাছেই ভিড় করছেন।

নতুন নোট বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, আগে ঈদে ব্যাংক থেকে নতুন টাকা পাওয়া যেত। এ বছর ব্যাংক থেকে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বিভিন্ন এলাকা থেকে বেশি দামে কিনে এনে বিক্রি করতে হচ্ছে। প্রতি বছরই ঈদে নতুন টাকার চাহিদা বেশি থাকে। কিছু লাভ করে ঈদের খরচ চালানোর চেষ্টা করছি।

বেশ কয়েকজন ক্রেতা জানান, নতুন টাকা ঈদের আনন্দের একটি অংশ। নতুন নোট সালামি হিসেবে পেলে যেমন আনন্দ লাগে, তেমনি তা দিতে পারলেও ভালো লাগে। তাই নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম দিয়েই নতুন নোট কিনতে হচ্ছে। এজন্য তাদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে দীর্ঘ সময়।

স্থানীয় কয়েকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ব্যাংকে যদি নতুন নোট না পাওয়া যায়, তাহলে এসব বিক্রেতারা কোথা থেকে তা সংগ্রহ করছেন—এ প্রশ্ন থেকেই যায়। প্রকাশ্যে দোকান বসিয়ে নতুন নোট বিক্রি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হলেও প্রশাসনের নজরদারি নেই। বিষয়টি দ্রুত দেখার দাবি জানান তারা।

সিআর সেভেনের রেকর্ড ভেঙ্গেও হাসি নেই মেসির, ছিটকে গেল মায়ামি

ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ণ
সিআর সেভেনের রেকর্ড ভেঙ্গেও হাসি নেই মেসির, ছিটকে গেল মায়ামি

পেশাদার ফুটবলের ইতিহাসে বিশ্বের মাত্র দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে ৯০০তম গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টাইন এই মহাতারকার গোলে ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই এগিয়ে যায় ইন্টার মিয়ামি

তবে ৭৪ মিনিট পর্যন্ত লিড ধরে রাখার পর ন্যাশভিল এসসির কাছে গোল হজম করে তারা। ফলে ম্যাচটি ১-১ সমতায় শেষ হলেও অ্যাওয়ে গোলের নিয়মে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে মিয়ামিকে।

কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের রাউন্ড অব সিক্সটিনের প্রথম লেগে ন্যাশভিলের মাঠে গোলশূন্য ড্র করেছিল মিয়ামি। দ্বিতীয় লেগেও ১-১ সমতা থাকলেও প্রতিপক্ষের মাঠে গোল করার সুবিধায় এগিয়ে থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় ন্যাশভিল এসসি। তাদের হয়ে গোল করেন ক্রিস্টিয়ান এসপিনোজা

ম্যাচে সার্বিকভাবে আধিপত্য ছিল এমএলএসের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ইন্টার মিয়ামিরই। হাভিয়ের মাশ্চেরানোর দল ৫৯ শতাংশ বল দখলে রেখে মোট ৯টি শট নেয়, যার মধ্যে ৬টি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে ন্যাশভিলের ৩টি শটের মধ্যে মাত্র একটি লক্ষ্যে ছিল, আর সেটিই গোল হয়ে যায়।

খেলার সপ্তম মিনিটে সতীর্থের পাস পেয়ে একজনকে কাটিয়ে আরেক ডিফেন্ডারের পায়ের ফাঁক দিয়ে নিচু শট নেন লিওনেল মেসি। গোলরক্ষক ছুঁতে পারলেও থামাতে পারেননি সেই বল। এরপর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি মিয়ামি।

৭৪ মিনিটে সমতায় ফেরে ন্যাশভিল। স্টপেজ টাইমে আবারও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল স্বাগতিকরা, তবে এবার মেসির শট প্রতিপক্ষের ব্লকে আটকে যায়।

টুর্নামেন্ট থেকে ইন্টার মিয়ামির বিদায়ের কারণে নিজের মাইলফলক গোলের উদযাপন দীর্ঘায়িত করতে পারেননি লিওনেল মেসি। তবুও তার এই অর্জন বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

বাস্কেটবলের ‘হল অব ফেম’-এ জায়গা পাওয়া ম্যাজিক জনসন সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “অবিশ্বাস্য মাইলফলক—কী দুর্দান্ত এক কীর্তি।” প্রতিপক্ষ কোচ বেজি কালাঘানও মেসিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “৯০০তম গোলের জন্য তাকে অভিনন্দন। সে সর্বকালের সেরাদের একজন।”

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে কটিয়াদীতে ৫০০ পরিবারে অর্থ সহায়তা

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে কটিয়াদীতে ৫০০ পরিবারে অর্থ সহায়তা

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে পবিত্র ঈদুল ফিতর-২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে গরিব, দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে বরাদ্দকৃত নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।

উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়নের ৫০০ অসহায় ও নিম্নআয়ের নারী-পুরুষকে জনপ্রতি ১ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ নগদ অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও পৌরসভার সাবেক মেয়র তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন, সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান সজল সরকার, কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মাহবুবুর রহমান এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান স্বপন, জসিম উদ্দিন মেনু, মো. শহিদুল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জায়দুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মিটু ও শফিকুল ইসলাম ফুলু, পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান সিরাজী, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান ও হাজী মোহাম্মদ আলী, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান মাসুদ, সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম সেতু, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ও কটিয়াদী বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জিল্লুর রহমান, উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি মো. শরিফুল ইসলাম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. শহিদুল ইসলাম সেলিমসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজ বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে বরাদ্দকৃত ৫০০ গরিব, দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে জনপ্রতি ১ হাজার টাকা করে বিতরণ করা হয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ অসহায় ও দুস্থ মানুষের ঘরে পৌঁছে দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে এই মানবিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সবসময় দেশের গরিব-দুঃখী মানুষের পাশে রয়েছেন। জনগণের দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।