রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

রাজনীতি, মামলা আর ক্রিকেট—সাকিবকে ফেরানোর জটিল সমীকরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬, ২:০০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
রাজনীতি, মামলা আর ক্রিকেট—সাকিবকে ফেরানোর জটিল সমীকরণ

সাকিব আল হাসান আগেও দেশে ফিরে জাতীয় দলে খেলার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তবে নানা জটিলতায় তা সম্ভব হয়নি। ফারুক আহমেদ বোর্ড সভাপতি থাকার সময় থেকেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাঁকে ফেরাতে চাইলেও এখন পর্যন্ত সফল হয়নি। তবে এবার প্রকাশ্যেই সাকিবকে জাতীয় দলের জন্য বিবেচনায় রাখার ঘোষণা দিয়েছে বিসিবি। পাশাপাশি তাঁর ফেরার একটি সময়ও নির্ধারণ করেছে বোর্ড। আগামী মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠের ওয়ানডে সিরিজ দিয়েই সাকিবকে জাতীয় দলে ফেরানোর ইচ্ছা বিসিবির।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানের পর আর দেশে ফিরতে পারেননি সাকিব। ওই বছরের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি চেয়েছিলেন ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ খেলে আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানাতে। কিন্তু তত দিনে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হওয়ায় দেশে এলে গ্রেপ্তার হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। পাশাপাশি বিরোধীদের রোষানলে পড়ার ভয়ও ছিল। ফলে ফারুক আহমেদের নেতৃত্বাধীন বোর্ড চাইলেও সাকিবের সেই ইচ্ছা পূরণ করতে পারেনি।

বর্তমান বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামের বোর্ডেও শুরু থেকেই সাকিবকে ফেরানোর আকাঙ্ক্ষা ছিল। পরিচালকদের মধ্যে অনানুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে একাধিকবার আলোচনা হলেও প্রথমবারের মতো ২৪ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায় বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপিত হয়।

সভা শেষে বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান আমজাদ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ফর্ম ও ফিটনেস সন্তোষজনক হলে সাকিবকে আবার জাতীয় দলে বিবেচনায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর জানান, বিষয়টি নিয়ে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম।

সাকিবকে ফেরানোর প্রক্রিয়ার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে আসিফ আকবর প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের বোর্ড সভাপতি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। আমরা আশা করছি, আগামী মার্চে ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজেই সাকিবকে আবার জাতীয় দলে দেখা যাবে।’

এই সিরিজই কি সাকিবের শেষ আন্তর্জাতিক সিরিজ হবে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই সাকিব দেশের হয়ে আবার খেলুক এবং সেটা এই পাকিস্তান সিরিজ থেকেই। এরপর সে খেলা চালিয়ে যাবে কি না, সেটা পুরোপুরি তার সিদ্ধান্ত।’

বাংলাদেশে পাকিস্তান দলের সফরটি দুই ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। মার্চে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলে তারা দেশে ফিরে যাবে। এরপর ২৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়া পিএসএল শেষ করে মে মাসে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে আবার বাংলাদেশে আসবে।

বিসিবির সঙ্গে সাকিবের যোগাযোগ শুরু হয় প্রায় এক মাস আগে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বোর্ড পরিচালক জানান, সাকিব নিজেই আবার দেশের হয়ে খেলার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাঁর ভাষায়, ‘সরকারে কিছু পরিবর্তন আসায় সে হয়তো আত্মবিশ্বাসী হয়েছে। সে খুব আগ্রহ দেখিয়েছে যে এবার কিছু হতে পারে।’

বিসিবির ধারণা, জাতীয় দলের হয়ে সাকিবের খেলায় কোনো বাধা থাকা উচিত নয়। বাংলাদেশের ক্রিকেটে তাঁর অবদান বিবেচনায় নিয়ে দেশের মাটিতে খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর সুযোগ দেওয়া উচিত বলেও মনে করে বোর্ড।

যদিও সাকিবের বিরুদ্ধে মামলা এখনো বহাল রয়েছে। তবে সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া সরকারে না থাকায় বড় কোনো বাধা আসবে না বলে বিশ্বাস বিসিবির। বর্তমানে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল একই সঙ্গে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টার দায়িত্বে থাকায় বিসিবির পক্ষে বিষয়টি এগিয়ে নেওয়া তুলনামূলক সহজ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সরকারের মনোভাবও ইতিবাচক বলে মনে করছে বিসিবি।

তবে ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের আগে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে সময় খুব বেশি নেই। এত অল্প সময়ের মধ্যে সাকিবের ফেরার প্রক্রিয়া কতটা মসৃণ হবে—এ নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও এক বোর্ড পরিচালক বলেন, ‘মার্চের আগে এখনো যথেষ্ট সময় আছে। নির্বাচনের পর বিষয়টি আরও সহজও হতে পারে।’

বিসিবির সিদ্ধান্ত জানার পর নিউইয়র্কে অবস্থানরত সাকিব আল হাসানের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হয়। তিনি আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না দিলেও স্পষ্টভাবে জানান, দেশের হয়ে আবার খেলতে চান। সরকারের সঙ্গে বিসিবির আলোচনার মাধ্যমে দেশে ফেরা ও জাতীয় দলে খেলার সুযোগ তৈরি হবে বলে আশাবাদী সাকিব। পাকিস্তান সিরিজকেই আপাতত পাখির চোখ করছেন তিনি।

পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

কিশোরগঞ্জ পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত এবং জুনিয়র বৃত্তি-২০২৬ অর্জনকারী কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেলে কিশোরগঞ্জ পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট, পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নাচ, গান ও অভিনয়সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। তাদের মনোজ্ঞ পরিবেশনায় অনুষ্ঠানস্থলে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, মাসুদা ইসলাম, শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম খান, নির্বাহী প্রকৌশলী, কিশোরগঞ্জ এবং কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ভালো ফলাফল অর্জনকারীদের পাশাপাশি যারা প্রত্যাশিত ফলাফল করতে পারেনি, তাদেরও হতাশ না হয়ে আরও বেশি পরিশ্রম করতে হবে। নিয়মিত অধ্যবসায় ও চেষ্টা থাকলে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতা বিকাশে শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শুধু ভালো ফলাফল অর্জনই নয়, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে শিক্ষার্থীদের নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, শুধু পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করাই শিক্ষার্থীদের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে নিজেদের একজন যোগ্য ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার চর্চার ওপর গুরুত্ব দেন।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। পরে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শেষ হয়।

কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র উদ্বোধন, মিলবে সহজে হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র উদ্বোধন, মিলবে সহজে হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা

ভূমিসেবা সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত এ কেন্দ্র থেকে জনসাধারণ বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ভূমিসেবা নিতে পারবেন।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, স্থানীয় সরকার উপপরিচালক (উপসচিব) জেবুন নাহার শাম্মী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নাজমুস সাকিব খান, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) নিলুফা আক্তার রূপা এবং জেলার ১৩টি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)।

উদ্বোধন শেষে সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলামকে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন। তিনি কেন্দ্রটির মাধ্যমে নাগরিকদের কী ধরনের ভূমিসেবা দেওয়া হবে এবং কীভাবে এসব সেবা পাওয়া যাবে, সে বিষয়ে সংসদ সদস্যকে অবহিত করেন।

জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, জেলার নাগরিকদের ভূমিসেবা সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করার লক্ষ্যে এ ভূমিসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এটি ভূমি মন্ত্রণালয়ের একটি উদ্ভাবনী উদ্যোগ। কেন্দ্রটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে জেলা প্রশাসন।

তিনি জানান, নাগরিকরা সরাসরি জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় ভূমিসেবা নিতে পারবেন। এর মাধ্যমে প্রতিদিন ভূমি উন্নয়ন কর দেওয়া, নামজারি ও জমাখারিজ, খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি এবং মৌজা ম্যাপ বা নকশা প্রাপ্তির আবেদনসহ বিভিন্ন ধরনের ভূমিসেবা পাওয়া যাবে।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত এ কেন্দ্রের মাধ্যমে এক জায়গা থেকেই নাগরিকরা প্রয়োজনীয় ভূমিসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এতে ভূমিসেবা গ্রহণে নাগরিকদের ভোগান্তি কমার পাশাপাশি সেবা প্রদানের প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও জনবান্ধব হবে।

কিশোরগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হত্যার হুমকি, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

রোববার দুপুরে শহরের সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্বর থেকে এনসিপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় নির্ধারিত স্থানে গিয়ে শেষ হয়।

এর আগে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব আহনাফ সাঈদ খান, জেলা এনসিপির আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবীর, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ ইকরাম হোসেন, ফয়সাল প্রিন্সসহ দলের অন্যান্য নেতাকর্মী।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হয়রানির ঘটনা ঘটছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ চাপে রয়েছে।

বক্তারা অবিলম্বে দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও নির্যাতন বন্ধের দাবি জানান। পাশাপাশি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

সমাবেশ শেষে একই দাবিতে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন এনসিপির নেতাকর্মীরা।