বাজিতপুর ও ভৈরবে র্যাবের অভিযান: কিশোরী উদ্ধার, পলাতক আসামি আটক
কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর ও ভৈরব উপজেলায় পৃথক দুটি সফল অভিযান পরিচালনা করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৪)। এসব অভিযানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে অপহৃত এক মাদ্রাসাছাত্রীকে (১৬) উদ্ধার করার পাশাপাশি ছয় মাসের সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রবিবার (২৯ মার্চ) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে র্যাব-১৪-এর অধিনায়কের পক্ষে মিডিয়া অফিসার (সিনিয়র সহকারী পরিচালক) প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
র্যাব জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার এক মাদ্রাসাপড়ুয়া কিশোরীকে (১৬) মাদ্রাসায় যাওয়া-আসার পথে রাহাদ মিয়া (২১) নামে এক যুবক দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করত। বিষয়টি ভিকটিমের পরিবার জানতে পেরে অভিযুক্তের পরিবারের কাছে অভিযোগ জানায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১৮ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টার দিকে প্রাইভেট পড়া শেষে বাসায় ফেরার পথে রাহাদ ও তার সহযোগীরা একটি মাইক্রোবাসে করে ওই কিশোরীকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে ৫ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি পিটিশন মামলা দায়ের করেন।
মামলার সূত্র ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (২৮ মার্চ) রাত ২টা ১০ মিনিটে র্যাব-১৪, সিপিসি-২, ভৈরব ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার দিলালপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় অপহৃত ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে, একই রাতে র্যাব-১৪-এর ভৈরব ক্যাম্পের আরেকটি দল ভৈরব উপজেলার কালিকাপ্রসাদ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। রবিবার ভোর ৩টা ২০ মিনিটে পরিচালিত এ অভিযানে নগর আলী (৩৯) নামের এক সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ভৈরব থানার মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে।
র্যাব জানায়, ২০১০ সালে ভৈরব থানার একটি মামলায় আদালত নগর আলীকে ছয় মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন।
র্যাব-১৪-এর মিডিয়া অফিসার আরও জানান, উদ্ধারকৃত কিশোরীকে নিরাপদ হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এছাড়া গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।




