মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

কুলিয়ারচরে শিশুর গলায় ছুরি ধরে প্রবাসীর বিয়ের গয়না লুট

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০৬ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কুলিয়ারচরে শিশুর গলায় ছুরি ধরে প্রবাসীর বিয়ের গয়না লুট

প্রায় চার বছর ওমানে কাটিয়ে দেশে ফিরেছেন কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার মানিকদী নতুন বাজার এলাকার বাসিন্দা শরীফুল ইসলাম (২৫)। দেশে ফেরার আনন্দের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল নতুন জীবনের প্রস্তুতি। ইতিমধ্যে মুঠোফোনে তাঁর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। দেশে ফিরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্ত্রীকে ঘরে তোলার কথা ছিল তাঁর। এ জন্য বিমানবন্দর থেকে তাঁকে আনতে মাইক্রোবাস নিয়ে ঢাকায় গিয়েছিলেন স্বজনেরা। কিন্তু বাড়ি ফেরার পথে তাঁদের আনন্দ বিষাদে পরিণত হয়। সড়কে ডাকাতের কবলে পড়ে বিয়ের জন্য কেনা স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান জিনিসপত্র হারান তাঁরা।

রোববার দিবাগত রাত আনুমানিক ৪টা ২০ মিনিটে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার দাড়িয়াকান্দি কাঁঠালতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ৬ থেকে ৭ জনের একটি দল মাইক্রোবাসটির পথরোধ করে। এ সময় পাঁচ বছরের এক শিশুর গলায় ছুরি ধরে ভয় দেখিয়ে বিয়ের জন্য কেনা স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী থাকা লাগেজ নিয়ে যায় ডাকাতেরা।

ডাকাতির পর অভিযুক্ত ব্যক্তিরা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে ছয়সূতি বাসস্ট্যান্ডের দিকে পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শরীফুলকে বিমানবন্দর থেকে আনতে তাঁর বাবা আপুস মিয়া, বোন ও পাঁচ বছর বয়সী ভাগনে তাকরিম একটি মাইক্রোবাস নিয়ে ঢাকায় যান। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন চালক সাইমন। তিনি শরীফুলের ফুফাতো ভাই এবং একই এলাকার বাসিন্দা।

রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ঢাকার বিমানবন্দর থেকে মাইক্রোবাস নিয়ে ভৈরবের উদ্দেশে রওনা হন তাঁরা। ভোর ৪টার দিকে ভৈরবের নাভানা পাম্পে গ্যাস নেওয়ার পর কুলিয়ারচরের দিকে যাত্রা করেন। প্রায় ২০ মিনিট পর দাড়িয়াকান্দি কাঁঠালতলা এলাকায় পৌঁছালে ৬ থেকে ৭ জনের একটি দল তাঁদের গাড়ির পথরোধ করে।

মাইক্রোবাসচালক সাইমন বলেন, ডাকাত দলের সদস্যরা গাড়িতে থাকা শিশু তাকরিমের গলায় ছুরি ধরে ভয় দেখায়। এ সময় শরীফুল ইসলামের সঙ্গে ডাকাতদের কিছুটা ধস্তাধস্তি হয়। পরে গাড়ির পেছনে থাকা লাগেজ নিয়ে যায় তারা।

ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, ডাকাতেরা মাইক্রোবাসে থাকা বড় আকারের কয়েকটি মালামালের কার্টনও নেওয়ার চেষ্টা করে। তবে কার্টনগুলো ভারী হওয়ায় কিংবা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তোলা সম্ভব না হওয়ায় সেগুলো রাস্তার পাশে ফেলে যায়। যে লাগেজটি নিয়ে যায়, তাতেই শরীফুলের বিয়ের জন্য কেনা স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান ও গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র ছিল।

ভুক্তভোগীদের দাবি, ডাকাতির সময় পুলিশ ছয়সূতি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান করছিল। ডাকাতেরা ওই দিক দিয়ে পালিয়ে গেলেও তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।

শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘দেশের অবস্থা এতটা খারাপ হয়েছে, তা বুঝতে পারিনি। চার বছর পর দেশে ফিরলাম বিয়ে করার জন্য। বিয়ের অলংকার থেকে শুরু করে মূল্যবান সব জিনিসপত্র যে লাগেজে ছিল, সেটিই নিয়ে গেছে। এমনকি আমার পাঁচ বছরের ভাগনের গলায় ছুরি ধরেছে। বিয়েসহ সবকিছু ঠিকঠাক ছিল, এখন বাধ্য হয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানের সময়টাও পরিবর্তন করতে হচ্ছে।’

এ বিষয়ে কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে কুলিয়ারচরের বিভিন্ন সড়কে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত দুই মাসে নোয়াগাঁও, আগরপুর, বাজরা ও আশপাশের এলাকায় একাধিক অপরাধের ঘটনা ঘটেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৮ আগস্ট দিবাগত রাতে নোয়াগাঁও এলাকায় রিফ্লেকটিভ ভেস্ট পরা কয়েকজন ব্যক্তি একটি মাইক্রোবাস থামিয়ে যাত্রীদের মালামাল লুট করেন। এর আগের দিন, ২৭ আগস্ট, বাজরা বাসস্ট্যান্ডে মাইক্রোবাস আটকে একই ধরনের ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

এ ছাড়া ১ অক্টোবর রাতে আগরপুর বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন এলাকায় সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে এক মোটরসাইকেলচালককে জখম করে তাঁর মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরদিন, ২ অক্টোবর রাতে উত্তর লক্ষ্মীপুর–রাজগোপাট সড়কে এক যুবককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে টাকা ও মালামাল লুটের অভিযোগও পাওয়া যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব ঘটনার বাইরেও গত দুই মাসে আরও একাধিক ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। নোয়াগাঁও, আগরপুর, বাজরা ও আশপাশের সড়কে রাতের বেলায় এ ধরনের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসব সড়কে নিরাপত্তা জোরদার এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক জোরদারে বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩২ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক জোরদারে বৈঠক

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এবং ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে তাঁদের মধ্যে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিসর বাড়ানো, শিক্ষা ও গবেষণায় যৌথ উদ্যোগ এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়িয়ে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরির ওপরও গুরুত্ব দেন উভয় পক্ষ।

এ সময় পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ‘নলেজ করিডোর’ প্রকল্পের চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে জামায়াত আমিরকে অবহিত করেন। শিক্ষা ও গবেষণায় দুই দেশের সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনাও আলোচনায় উঠে আসে।

বৈঠকে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রাখা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তাঁরা।

আলোচনায় বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় গুরুত্ব পেলেও এসব বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট চুক্তি স্বাক্ষর বা নতুন সিদ্ধান্তের তথ্য জানানো হয়নি।

পরিবারের স্বপ্ন পূরণ হলো না, ওমানে মারা গেলেন হোসেনপুরের বিপ্লব

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
পরিবারের স্বপ্ন পূরণ হলো না, ওমানে মারা গেলেন হোসেনপুরের বিপ্লব

পরিবারের সচ্ছলতা ফেরানোর আশায় চার বছর আগে ওমানে পাড়ি জমিয়েছিলেন কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর পৌরসভার জামাইল এলাকার মনিরুজ্জামান বিপ্লব (৪৮)। সেখানে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন তিনি। নিয়মিত দেশে পরিবারের কাছে টাকা পাঠাতেন। তবে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর সেই সংগ্রামের অবসান হয়েছে হৃদরোগে। সোমবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে ওমানের একটি হাসপাতালে মারা গেছেন তিনি।

মনিরুজ্জামান বিপ্লব হোসেনপুর পৌরসভার জামাইল এলাকার প্রয়াত নূরুল ইসলামের ছেলে। দেশে তাঁর মা, স্ত্রী সোমা আক্তার, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বিপ্লবের ফুপাতো ভাই কাউসার টিটু জানান, রোববার রাতে স্ত্রীকে ফোন করে বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করার কথা জানিয়েছিলেন বিপ্লব। পরে তাঁকে ওমানের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। এক সহকর্মীর ফোনে তাঁর মৃত্যুর খবর জানতে পারে পরিবার।

কাউসার টিটু আরও বলেন, খবর পেয়ে তিনি কিশোরগঞ্জ শহর থেকে বিপ্লবের বাড়িতে ছুটে যান। কিন্তু শোকাহত পরিবারের সদস্যদের কোনোভাবেই সান্ত্বনা দেওয়া যাচ্ছে না। পরিবারের একমাত্র চাওয়া, দ্রুত যেন বিপ্লবের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা যায়।

বিপ্লবের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে তাঁর পরিবার। প্রিয়জনের মরদেহ শেষবারের মতো দেখতে এবং দেশে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফন সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তা প্রত্যাশা করছেন স্বজনেরা।

কিশোরগঞ্জের আমিরগঞ্জ বাজারে আধুনিক ভবন নির্মাণের যাত্রা শুরু

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৬ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জের আমিরগঞ্জ বাজারে আধুনিক ভবন নির্মাণের যাত্রা শুরু

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দ ইউনিয়নের আমিরগঞ্জ বাজারে (জালালপুর বাজার) ১ কোটি ৮২ লাখ ৪৯ হাজার ৫০০ টাকা ব্যয়ে দুইতলা গ্রামীণ বাজার ভবন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। চারতলা ভবন নির্মাণের উপযোগী ভিত্তির ওপর প্রাথমিকভাবে দুইতলা নির্মাণ করা হবে। পরবর্তী সময়ে ভবনটির বাকি দুইতলা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম ভবনটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নাধীন ‘দেশব্যাপী গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের’ আওতায় ভবনটি নির্মিত হচ্ছে। প্রকল্পটির চুক্তিমূল্য ১ কোটি ৮২ লাখ ৪৯ হাজার ৫০০ টাকা। নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জে. এ. ট্রেডার্স।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন মহিনন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফ এবং বাজার কমিটির নেতারা।

মহিনন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী বলেন, নতুন ভবন নির্মিত হলে আমিরগঞ্জ বাজারের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হবে। এতে ব্যবসায়ীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ার পাশাপাশি ক্রেতারাও উন্নত পরিবেশে কেনাকাটার সুযোগ পাবেন।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. আবু সাঈদ জানান, ২০২৩ সালে প্রকল্পটির বাজেট নির্ধারণ করা হলেও বাজার কমিটির সঙ্গে বিভিন্ন জটিলতার কারণে নির্মাণকাজ শুরু করতে বিলম্ব হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরুর জন্য প্রস্তুত থাকলেও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় ভবনটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।

নতুন ভবনে দোকান বরাদ্দের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান মারুফ বলেন, বাজারে আগে থেকে থাকা ১৭ জন চান্দিনা ভিটির দোকানদার বৈধ। তাঁদের নামের তালিকা এবং আগের দোকানের অবস্থানসংক্রান্ত ভিডিও সংরক্ষণ করা হয়েছে। এসব নথির ভিত্তিতে নতুন ভবনে তাঁদের আগের অবস্থান অনুযায়ী দোকান বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, নিয়ম অনুযায়ী, লিজ না নেওয়া খাসজমিতে যাঁরা দোকান পরিচালনা করছেন, তাঁরা নতুন ভবনে দোকান বরাদ্দ পাবেন না। তাঁদের উচ্ছেদের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে, নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী যোগ্য ব্যক্তিদের যথাযথ প্রক্রিয়ায় দোকান বরাদ্দ দেওয়া হবে।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে আমিরগঞ্জ বাজার কমিটির সভাপতি মো. মজলু মিয়া, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সোহরাব উদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম নয়ন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌয়েব খান, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু আহমেদসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।