মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

অনুমোদন ছাড়াই চলছে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে ১৭ প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
অনুমোদন ছাড়াই চলছে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে ১৭ প্রতিষ্ঠান

বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদন ছাড়াই দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছে ১৭টি স্টাডি সেন্টার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে স্নাতক, স্নাতকোত্তর, এমফিল এমনকি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের সুযোগের কথাও প্রচার করা হচ্ছে। তবে এসব কার্যক্রম পরিচালনায় ইউজিসির অনুমোদন নেই বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

গত ৩০ মার্চ অনুমোদনহীন শাখা ক্যাম্পাস ও স্টাডি সেন্টারের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল ইউজিসি। কিন্তু এরপরও প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম বন্ধ না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের অর্থ ব্যয় করে ডিগ্রি অর্জনের পর তার স্বীকৃতি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ক্যাম্পাস ও স্টাডি সেন্টার অনুমোদনের বিধিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে কমিশন।

ইউজিসির তালিকায় থাকা ১৭টি প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশের নামের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তালিকায় সুইজারল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার প্রতিষ্ঠানের নামও রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে আইন, ব্যবসায় প্রশাসন, তথ্যপ্রযুক্তি, কম্পিউটার বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও হিসাববিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ে কোর্স পরিচালনার তথ্য পাওয়া গেছে।

তালিকাভুক্ত কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কোর্সে এমফিল, পিএইচডি ও পোস্টডক্টরাল পর্যায়ের ডিগ্রির কথাও উল্লেখ রয়েছে। তবে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করলেই সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় সরাসরি ডিগ্রি দিচ্ছে, এমন নিশ্চয়তা নেই। এসব ডিগ্রির স্বীকৃতি ও সনদের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

ইউজিসির তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ, ভূঁইয়া একাডেমি, ব্যাক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, নিউক্যাসল ল একাডেমি, ব্রিটিশ স্কুল অব ল, লন্ডন কলেজ অব লিগ্যাল স্টাডিজ, লন্ডন স্কুল অব কমার্স ঢাকা, লিংকনস হায়ার এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট এবং কিংস্টন ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন থাকলেও ইউজিসির অনুমোদন নেই।

ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, ‘অনুমোদনহীন এসব স্টাডি সেন্টার এভাবে চলতে দেওয়া যায় না। অবৈধ প্রতিষ্ঠানকে শিগগির আইনের আওতায় আনা হবে।’

তিনি জানান, বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ক্যাম্পাস ও স্টাডি সেন্টার অনুমোদনের ২০১৪ সালের বিধিমালা যুগোপযোগী নয়। আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে নতুন বিধিমালা প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে।

বর্তমান বিধিমালা অনুযায়ী, ইউজিসির অনুমতি ছাড়া বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ক্যাম্পাস বা স্টাডি সেন্টার স্থাপন ও পরিচালনার সুযোগ নেই। অনুমোদনের জন্য প্রস্তাবিত কোর্স, পাঠ্যক্রম, শিক্ষক, অবকাঠামো, বিনিয়োগ এবং সংশ্লিষ্ট বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তির তথ্য জমা দিতে হয়।

ইউজিসি সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ মার্চের নির্দেশনার পর ২৫ এপ্রিলের মধ্যে অনুমোদনের জন্য আবেদন করতে বলা হয়েছিল। ওই সময় মাত্র তিনটি প্রতিষ্ঠান আবেদন করে। তবে সেগুলোও অনুমোদনের প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করতে পারেনি বলে জানা গেছে।

নির্দেশনার পরও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম চলতে থাকলে শিক্ষার্থীরা অর্থ ব্যয় করে এমন ডিগ্রি অর্জন করতে পারেন, যার স্বীকৃতি দেশে চাকরি, উচ্চশিক্ষা বা অন্যান্য ক্ষেত্রে অনিশ্চিত থেকে যেতে পারে। তাই এসব প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন, বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক এবং ডিগ্রি প্রদানের বৈধতা যাচাই করা জরুরি।

শিক্ষার্থীদের আর্থিক ক্ষতি ও ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা এড়াতে অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এবং বিদেশি ডিগ্রির স্বীকৃতি সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করা প্রয়োজন।

দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী

দেশব্যাপী চলমান শারদীয় দুর্গোৎসবে ঢাকার বাইরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানাতে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সামরিক বিমানে রংপুরের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। সেখান থেকে রংপুরের ধর্মসভা বা রাধা গোবিন্দ মন্দির পরিদর্শনে যাওয়ার কথা রয়েছে তার।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করতে তিন বিভাগের তিন জেলায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথমে রংপুর, এরপর রাজশাহী এবং সবশেষে চট্টগ্রাম সফর করবেন তিনি।

আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘এই প্রথম বাংলাদেশের কোনো সরকারপ্রধান ঢাকার বাইরে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী পূজামণ্ডপগুলোতে পূজারি ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করবেন।’

রংপুরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম (রহ.) বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর দুপুর দেড়টায় ধর্মসভা মন্দির পরিদর্শন করবেন তিনি। পরে রাজশাহী সার্কিট হাউসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম শেষে বিকেল ৩টায় নগরীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন।

রাজশাহী সফর শেষে বিমানে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। সন্ধ্যায় নগরীর রহমতগঞ্জের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন তিনি। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাময়িক বিশ্রাম শেষে রাতে বিমানে ঢাকায় ফিরবেন।

এর আগে রোববার রাতে প্রধানমন্ত্রী ঢাকার মহাখালী ও বনানী এলাকার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ডা. জুবাইদা রহমান।

আজ মঙ্গলবার উদযাপিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজার মহানবমী। আগামীকাল বুধবার প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে শারদীয় দুর্গোৎসব।

সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও নৈরাজ্যকারীদের বিএনপিতে স্থান হবে না: জালাল উদ্দিন

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০১ অপরাহ্ণ
সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও নৈরাজ্যকারীদের বিএনপিতে স্থান হবে না: জালাল উদ্দিন

সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও নৈরাজ্যের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিএনপিতে কোনো স্থান হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন। তিনি বলেছেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে দল যাঁকে মনোনয়ন দেবে, নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে তাঁর পক্ষে কাজ করতে হবে। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হলে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে; প্রয়োজনে বহিষ্কারও করা হতে পারে।

রোববার সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে উপজেলা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য এ সভার আয়োজন করা হয়।

অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন বলেন, বিএনপিকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করতে হলে দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি ত্যাগী, পরীক্ষিত ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে। দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়, এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও নৈরাজ্যের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দলে কোনো স্থান দেওয়া হবে না। ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের সম্মানজনক অবস্থানে রাখার জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য জালাল উদ্দিন বলেন, একই পদে একাধিক নেতা দলীয় মনোনয়ন চাইতে পারেন। তবে দলীয় প্রক্রিয়ায় শেষ পর্যন্ত একজনকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে। মনোনয়নপ্রত্যাশী সবাইকে দলের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হবে এবং নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হলে দল তাঁর দায়ভার নেবে না। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সিদ্ধান্ত অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনে তাঁদের দল থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে।

মনোনয়ন না পাওয়া নেতাদের হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে জালাল উদ্দিন বলেন, এবার কেউ মনোনয়ন না পেলেও তাঁর রাজনৈতিক পথ বন্ধ হয়ে যাবে না। ধৈর্য ধরে দলের জন্য কাজ করতে হবে এবং এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে হবে। ভবিষ্যতে তাঁদেরও দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তাই ব্যক্তিগত প্রত্যাশার চেয়ে দলের বৃহত্তর স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সভায় উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য ও সমন্বয় জোরদার এবং আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে দলীয় প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি আনুগত্য, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা রক্ষা এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপের সভাপতিত্বে সভাটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন। সভার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান।

সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ডা. জহর লাল সাহা, সহসভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও উপজেলা বিএনপির সদস্য গোলাম ফারুক চাষী, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মাহবুবুর রহমান বাচ্চু, মিজানুর রহমান স্বপন, শেখ জসিম উদ্দিন মেনু, শফিকুর রহমান বাদল, শরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ, সৈয়দ আরেফিন তারা, মো. শহিদুল্লাহ ও আতিকুর রহমান আতিক।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জাইদুল; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মিঠু, শফিকুল ইসলাম ফুলু ও শামসুল হক চাঁন মিয়া মাস্টার; সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ আলী; মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল হক শাহজাহান; কৃষিবিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান বাচ্চু; যুববিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মাসুদ; ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক তাসরিফুল হাসিব; শ্রমবিষয়ক সম্পাদক মো. শরিফুল ইসলাম শরিফ; স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মো. ইলিয়াস আলী; সহযুববিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সেতু এবং উপজেলা বিএনপির সদস্য মো. সানা উল্লাহ, বাবু জীবন চন্দ্র দাস, অ্যাডভোকেট রিয়াজুল ইসলাম সেবক, সাইফুল মতিন জুয়েল, হাদিউল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া শ্যামল, মোবারক হোসেন, আব্দুল কুদ্দুছ রতন ও ইলিয়াস কাঞ্চন ভূঁইয়া শরিফসহ উপজেলা বিএনপির অন্যান্য নেতারা।

দুর্গাপূজার আনন্দ ভাগাভাগি, তাড়াইলে শাড়ি পেলেন অসচ্ছল নারীরা

রুহুল আমিন প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০৬ অপরাহ্ণ
দুর্গাপূজার আনন্দ ভাগাভাগি, তাড়াইলে শাড়ি পেলেন অসচ্ছল নারীরা

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় হরিজন ও জেলে সম্প্রদায়ের হতদরিদ্র নারীদের মধ্যে শাড়ি বিতরণ করেছে উপজেলা প্রশাসন। উৎসব উপলক্ষে নতুন শাড়ি পেয়ে আনন্দ ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন উপকারভোগী নারীরা।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে তাড়াইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে এসব শাড়ি বিতরণ করা হয়। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপকারভোগী নারীদের হাতে শাড়ি তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলা আখতার।

এ সময় ধলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফরোজ আলম ঝিনুক, রাউতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন তারিক, জাওয়ার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমদাদুল হক রতন এবং দামিহা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একে মাইনুজ্জামান নবাব উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দুর্গাপূজার আনন্দ সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া ও অসচ্ছল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন শাড়ি পেয়ে উপকারভোগী নারীরা আনন্দ প্রকাশ করেন। তাঁদের মধ্যে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে।