বলিউডে নিরাপত্তা উদ্বেগ, ভারী অস্ত্রধারী কমান্ডোদের সঙ্গে সালমান
বলিউড তারকাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে ভারী অস্ত্রধারী কমান্ডোদের কড়া নিরাপত্তাবেষ্টনীতে দেখা গেছে অভিনেতা সালমান খানকে। গত ১৮ অক্টোবর অভিনেতা টাইগার শ্রফের ওপর হামলার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি বিমানবন্দরে বাড়তি নিরাপত্তার মধ্যে হাজির হন বলিউডের ‘ভাইজান’।
বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় সালমানের চারপাশে ছিলেন স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রে সজ্জিত বিশেষ নিরাপত্তা ইউনিটের কমান্ডোরা। গাঢ় খয়েরি বা নীল রঙের শার্ট, ডেনিম জিন্স, কালো বুট ও অ্যাভিয়েটর সানগ্লাস পরা অভিনেতাকে বেশ সতর্ক অবস্থায় দেখা যায়। তাঁর নিরাপত্তায় বাড়তি কড়াকড়ি ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের কাছ থেকে অব্যাহত হুমকির কারণে সালমানের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। টাইগার শ্রফের ওপর হামলার পর বলিউড তারকাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। এর মধ্যে সালমানের নিরাপত্তাব্যবস্থায় বাড়তি সতর্কতা নজর কেড়েছে।
হামলার ঘটনার পর টাইগার শ্রফের বাসভবনে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে। তারকাদের নিরাপত্তা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও পর্যালোচনার পর চলচ্চিত্র জগতের ব্যক্তিত্বদের নিরাপত্তাব্যবস্থা নতুন করে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন তিনি। এরপর থেকেই তারকাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের তৎপরতা আলোচনায় এসেছে।
টাইগার শ্রফের ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশ এখন পর্যন্ত তিনজনকে আটক করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেলবন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের নাম জড়িয়ে নতুন করে হুমকি আসার পর বিষয়টি নিয়ে তৎপর হয়েছে প্রশাসন।
হামলার পর গ্যাংয়ের দুই সহযোগী অনিল পণ্ডিত ও হারমান সান্ধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট দিয়ে ঘটনার দায় স্বীকার করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই পোস্টে তাঁরা লেখেন, ‘আজ টাইগার শ্রফের সঙ্গে হওয়া ঘটনার দায় অনিল পণ্ডিত ও হারমান সান্ধু নিচ্ছি। আমরা তাকে আগে ফোন করে সতর্ক করেছিলাম, কিন্তু সে বোঝেনি; তাই আজ তাকে ভালোভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হলো।
মুম্বাইয়ে টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলিবর্ষণের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের কাছে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে শহরে একের পর এক হামলার ঘটনায় বলিউড তারকাদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সংগঠনটি। এমন পরিস্থিতিতে চলচ্চিত্র জগতের ব্যক্তিত্বদের সুরক্ষায় প্রশাসন কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই নজর সংশ্লিষ্ট মহলের।









Disqus comments are not configured yet.